Advertisement

Live in Partner Death in Newtown: নিউটাউনের ফ্ল্যাটে লিভ-ইন পার্টনারের দেহ, পাশে রক্তাক্ত সঙ্গী, সম্পর্কের টানাপোড়েন?

লিভ-ইন পার্টনারের রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল নিউটাউনের চন্ডিবেড়িয়ায়। মৃত তরুণীর নাম তৃষা সাহা। একই ফ্ল্যাট থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাঁর লিভ-ইন সঙ্গীকেও। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

 নিউটাউনে তরুণীর ঝুলন্ত দেহ নিউটাউনে তরুণীর ঝুলন্ত দেহ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 20 Jul 2026,
  • अपडेटेड 6:06 PM IST

লিভ-ইন পার্টনারের রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল নিউটাউনের চন্ডিবেড়িয়ায়। মৃত তরুণীর নাম তৃষা সাহা। একই ফ্ল্যাট থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাঁর লিভ-ইন সঙ্গীকেও। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। 

 বছর ২৫-এর তৃষা সাহার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় ফ্ল্যাট থেকে। পুলিশ জানিয়েছে, চার মাস আগে তৃষা লিভ ইন পার্টনার হিসেবে থাকতে শুরু করেছিলেন সৌভিক রায় নামের এক যুবকের সঙ্গে। এদিন সৌভিককেও রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। হাসপাতলে এই মুহূর্তে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। তৃষা সাহার বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনা ব্যারাকপুরে। পুলিশ জানিয়েছে, নেটপ্রভাবী তৃষার বয়স মাত্র ২৫ বছর। রবিবার রাতে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়েছে। তাঁর লিভ ইন সঙ্গী সৌভিকের হাতের শিরা কাটা ছিল।

স্থানীয় সূত্রে খবর, রবিবার গভীর রাতে পুলিশ গিয়ে তৃষার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে। একটি ঘর থেকে গুরুতর জখম অবস্থায় সৌভিককে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপড়েন থেকে খুন করে আত্মহত্যার চেষ্টা হয়ে থাকতে পারে। তবে বিষয়টি পরিষ্কার নয়। তৃষার শরীরে নানা জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁর লিভ ইন সঙ্গীও কী ভাবে আহত হলেন, সেটাও জানার চেষ্টা চলছে।

পুরো ঘটনা কী করে ঘটল তা নিয়ে দানা বেঁধেছে রহস্য। তৃষা সাহার মৃত্যুর কারণও এখনও পুলিশের কাছে স্পষ্ট নয়।  যদিও প্রাথমিক তদন্তে অনুমান ঝামেলার কারণে এই ঘটনা হতে পারে। মহিলার শরীরে আঘাতের চিহ্ন আছে কিনা পুলিশের পক্ষ থেকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জোরকদমে চলছে তদন্ত।  

সূত্রের খবর, তরুণীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পায়ে রয়েছে ক্ষত চিহ্ন। তাই সৌভিক ও তৃষার মধ্যে কোনও ঝামেলা হয়েছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অন্যদিকে মারধর করে তৃষাকে ঝুলিয়ে দিয়ে সৌভিক রায় আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছে কিনা সেটাও ভাবাচ্ছে পুলিশকে। এই ঘটনার তদন্তে  আশেপাশের লোকজনকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এবিষয়ে তৃষার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ধোঁয়াশা অনেকটাই কাটবে বলে মনে করা হচ্ছে। তৃষার  লিভ-ইন পার্টনার সৌভিক রায়ের বয়নাও এ ক্ষেত্রে পুলিশের রহস্য সমাধানে বড় অস্ত্র হতে পারে। 

Advertisement

তৃষা ও সৌভিকের ফ্ল্যাটের মালিক সুদাম মাইতি জানান, আগে ওদের মধ্যে কোনও ঝামেলা বা অশান্তি হয়েছিল বলে শুনিনি। ৪ থেকে ৫ মাস ওরা এখানে রয়েছে। লিভ ইনেই থাকতো। আমি খবর পাওয়ার পরেই পুলিশকে জানাই। আত্মহত্যা না অন্য কোনও ঘটনা পুলিশ সেটা দেখছে। আমার যে এগ্রিমেন্টের কাগজ বা অন্য ডকুমেন্ট রয়েছে সবই দিয়েছি।

মৃত্যুর কারণ এখনও পুলিশের কাছে স্পষ্ট নয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, সম্পর্কে ঝামেলার কারণে এই ঘটনা হতে পারে।  অন্যদিকে মারধর করে তৃষাকে ঝুলিয়ে দিয়ে, আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন কিনা সৌভিক, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।  পুলিশ জানিয়েছে, সৌভিকের শারীরিক অবস্থা খুব একটা ভাল নয়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত চালাচ্ছে।

Read more!
Advertisement
Advertisement