Advertisement

আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে Wow Momo-র উল্লেখ মমতার, এর মালিক কারা, কীভাবে উত্থান?

আনন্দপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার প্রেক্ষিতে Wow Momo-র নাম উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অগ্নিকাণ্ডে সংস্থার ফ্যাক্টরিতে কর্মরত কর্মীদের মৃত্যু হয়।

Wow Momo কোথাকার কোম্পানি জানুন।Wow Momo কোথাকার কোম্পানি জানুন।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 28 Jan 2026,
  • अपडेटेड 7:55 PM IST
  • ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার প্রেক্ষিতে Wow Momo-র নাম উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • অগ্নিকাণ্ডে সংস্থার ওয়্যারহাউসে কর্মরত কর্মীদের মৃত্যু হয়।
  • মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্য সরকারের পাশাপাশি Wow Momo-ও মৃত কর্মীদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করবে।

আনন্দপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার প্রেক্ষিতে Wow Momo-র নাম উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অগ্নিকাণ্ডে সংস্থার ওয়্যারহাউসে কর্মরত কর্মীদের মৃত্যু হয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্য সরকারের পাশাপাশি Wow Momo-ও মৃত কর্মীদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করবে। অন্যদিকে, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিবৃতি দিয়ে ওয়াও মোমো জানিয়েছে; ইতিমধ্যেই নিহত তিন কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন সংস্থার প্রতিনিধিরা। ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি আজীবন বেতনও দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সংস্থা।

তবে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পরই স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল বেড়েছে, এই Wow Momo-র উত্থান কীভাবে? এর মালিকই বা কারা?

ভারতের স্টার্টআপ জগতের ফুড সেক্টরে অন্যতম সফল সংস্থা Wow Momo। কলকাতা থেকেই এই সংস্থার যাত্রা শুরু। ২০০৮ সালে দুই তরুণ; সাগর দরিয়ানি ও বিনোদ হোমাগাই (Sagar Daryani and Binod Homagai) দক্ষিণ কলকাতায় একটি ছোট স্টল থেকে মোমো বিক্রি শুরু করেছিলেন। হাতে পুঁজি ছিল মাত্র ৩০ হাজার টাকা। কিন্তু স্বপ্নটা ছিল বড়। ধীরে ধীরে সেই ছোট স্টলই জনপ্রিয় হতে শুরু করে। তখনও মোমোর সেভাবে কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি, ব্র্যান্ডিংয়ের কনসেপ্ট ছিল না। আর সেটাই করে দেখান দুই তরুণ। বিক্রি ও জনপ্রিয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংস্থায় বিনিয়োগ বাড়তে থাকে। সময়ের সঙ্গে দেশজুড়ে ওয়াও মোমোর ফ্র্যাঞ্চাইজি তৈরি হতে শুরু করে। 

বর্তমানে ভারতের প্রায় সব বড় শহরে Wow Momo-র আউটলেট রয়েছে। 

আরও পড়ুন

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় Wow Momo-র নাম উঠে আসার কারণও রয়েছে। ওই স্থানে সংস্থার একটি ইউনিট ছিল। কোয়ালিটি মেনটেন করার জন্য এই ধরণের সংস্থাগুলি নির্দিষ্ট কোনও ফ্যাক্টরি বা ওয়ার্কশপেই খাবার তৈরি করে। তারপর তা স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে সংরক্ষণ করে বিভিন্ন আউটলেটে প্রয়োজন অনুযায়ী পাঠানো হয়। এর ফলে সমস্ত আউটলেটেই এক গুণমান ও স্বাদ বজায় থাকে। খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে যাতে কেউ সেখানে খাবারের সঙ্গে ট্যাম্পারিং করতে না পারে, তার জন্য ঢোকা বেরনো নিয়েও কড়াকড়ি থাকে। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় কর্পোরেট বা স্টার্টআপ সংস্থার ক্ষেত্রে এমন ঘটনায় পাশে দাঁড়ানো শুধু নৈতিক দায়িত্বই নয়, ব্র্যান্ড ইমেজের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ।  

Advertisement

তবে আনন্দপুরের ঘটনায় প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে; অগ্নিকাণ্ডের কারণ কী, এবং নিরাপত্তায় কোথায় ঘাটতি ছিল। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে তদন্তে নেমেছে প্রশাসন। তবে এরপর শহরের বিভিন্ন সংস্থাগুলি অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে সচেতন হয় কিনা, সেটাই দেখার। 

Read more!
Advertisement
Advertisement