
ভাইফোঁটায় বাড়িতে মিষ্টি বানান অনেকেই। বাজারে মিষ্টিতে এখন থাকে ভেজাল। গুণগতমানও ভাল নয়। আর আপনি সেটা বুঝতেও পারবেন না। অনেকেই তাই এখন বাড়িতেই মিষ্টির নানা পদ বানাচ্ছেন। এক তো নিজের হাতে বানানোর মজাই আলাদা, আর স্বাস্থ্যকরও। মানে একটু মিষ্টি তো খাওয়াই যায়। চাইলে চিনি কমবেশিও করতে পারেন। প্রতিবার তো চালের বা সিমাইয়ের পায়েস খেয়েছেন। এবার চেখে দেখতে পারেন বাদামের পায়েস। বাড়ির ছোটবড় সকলেই এই পায়েস খেয়ে প্রশংসা করবেন। খুব বেশি ঝক্কি ছাড়াই তৈরি হয়ে যাবে সুস্বাদু বাদামের পায়েস। ভাইফোঁটায় গোটা পরিবারের সঙ্গে করুন মিষ্টিমুখ।
বাদামের পায়েস তৈরির উপাদান
১ চামচ ঘি
আধ কাপ চাল
এক-চতুর্থাংশ কাপ জল
১ লিটার দুধ
জাফরান
এক-চতুর্থাংশ কাপ ভেজানো বাদাম
এক-চতুর্থাংশ কাপ চিনি
২-৩ চামচ কন্ডেন্সড মিল্ক
এলাচ গুঁড়ো
পেস্তা, কাজু ও বাদাম
বাদামের পায়েস তৈরির পদ্ধতি
প্রথমে গরম জলে বাদাম ভিজিয়ে রাখুন। তারপর বাদামের খোসা ছাড়িয়ে নিন। হাতে সময় থাকলে আগে থেকেই বাদাম ভিজিয়ে রাখতে পারেন। এতে খোসা ছাড়ানো সহজ হবে। এবার বাদাম ভাল করে পিষে নিন মিক্সিতে। চাল ভাল করে ধুয়ে নিন। একটি বড় পাত্রে এক লিটার দুধ নিয়ে তাতে সামান্য জল মেশান। প্রথমে বেশি আঁচে দুধ ফুটিয়ে নিন। দুধ ফুটতে শুরু করলে আঁচ কমিয়ে দিন।
প্রায় ৮ মিনিট পর দুধের মধ্যে চাল দিয়ে দিন। কম আঁচে চাল ভাল করে সেদ্ধ হতে দিন। মাঝে মাঝে দুধ নাড়তে থাকবেন। চাল সেদ্ধ বাদাম বাটা দুধের মধ্যে মিশিয়ে দিন। আরও কিছুক্ষণ ফুটতে দিন। বাদামের পেস্ট মেশানোর ফলে দুধ ধীরে ধীরে ঘন হয়ে আসবে। এবার তাতে কন্ডেন্সড মিল্ক মিশিয়ে দিন। ঘন হতে শুরু করলে এলাচ গুঁড়ো দিন। এবার আঁচ একেবারে কমিয়ে স্বাদ অনুযায়ী চিনি মেশান। চিনি দেওয়ার পর বেশিক্ষণ পায়েস ফোটাবেন না। দুধের মধ্যে জাফরান দিয়ে দিন। এতে পায়েসের রং হবে হালকা সোনালি। আর গুড়ের বানাতে চাইলে গুড় দিতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন, চিনি দেওয়ার পর বেশি ক্ষণ রান্না করলে পায়েসের রং বাদামি হয়ে যেতে পারে।
অন্য একটি প্যানে ঘি গরম করে তাতে কুচিয়ে রাখা কাজু, বাদাম ও পেস্তা হালকা করে ভেজে নিন। এবার ভাজা ড্রাই ফ্রুটস পায়েসের মধ্যে মিশিয়ে দিন। কম আঁচে আরও কিছুক্ষণ রান্না করে গ্যাস বন্ধ করে দিন।