
পাকা কলা তো খেয়েই থাকেন। আর পেট খারাপ হলে কাঁচাকলার ঝোলও খেয়েছেন। এমনকি কাঁচকলার চিপসও এখন মেলে। কিন্তু আজ কলার এমন একটা রেসিপি আপনাদের জানাব, গ্যারান্টি আপনারা এই রান্না জানেন না। খেতে এতটাই সুস্বাদু যে লোকে বুঝতেই পারবে, এটা কাঁচাকলা। একঘেয়েমিও কাটবে। একবার খেলে আবার খেতে ইচ্ছে করবে। ভাবছেন কাঁচকলার তরকারি বানাবেন কীভাবে? দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক রেসিপি।
কাঁচকলার তরকারি বানাতে যা যা লাগবে
২টি মাঝারি আকারের কাঁচকলা
৩ টেবিল চামচ তেল
১টি মাঝারি আকারের পেঁয়াজ (মিহি করে কুচোনো)
১টি মাঝারি আকারের টমেটো (মিহি করে কুচোনো)
২ টেবিল চামচ তেল
১৫-২০টি কারিপাতা
১ টেবিল চামচ আদা-রসুন বাটা
এক চিমটি হলুদ গুঁড়ো
২ চা চামচ ধনে-জিরে গুঁড়ো
স্বাদমতো নুন
২ চা চামচ তেঁতুল
২ চা চামচ জিরে গুঁড়ো
১ চা চামচ লঙ্কা গুঁড়ো
কাঁচকলার তরকারি তৈরির পদ্ধতি
প্রথমে কাঁচকলার খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। একটি পাত্রে কাঁচকলার টুকরোগুলি নিয়ে হলুদ, নুন, লঙ্কা গুঁড়ো এবং আদা-রসুন বাটা দিয়ে ভাল করে মেখে নিন। এবার কড়াইয়ে ৩ টেবিল চামচ তেল গরম করে কাঁচকলার টুকরোগুলি হালকা সোনালি হওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন। ভাজা হয়ে গেলে তুলে আলাদা পাত্রে রাখুন।
একই কড়াইয়ে ২ টেবিল চামচ তেল দিন। তেল গরম হলে কারিপাতা দিয়ে কয়েক সেকেন্ড ভেজে নিন। এরপর মিহি করে কুচোনো পেঁয়াজ দিয়ে সোনালি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। পেঁয়াজ ভাল করে ভাজা হয়ে গেলে তাতে আদা-রসুন বাটা দিয়ে কষিয়ে নিন। এরপর কুচোনো টমেটো দিয়ে ভাল করে নরম হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। টমেটো দ্রুত গলাতে চাইলে সামান্য নুনও দিতে পারেন। এবার হলুদ, ধনে গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো এবং লঙ্কা গুঁড়ো দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। সামান্য জল দিয়ে মশলাগুলি মিশিয়ে নিন। আগে নুন না দিয়ে থাকলে স্বাদমতো নুন দিন।
মশলা কষানো হয়ে গেলে আগে থেকে ভেজে রাখা কাঁচকলার টুকরোগুলি দিয়ে দিন। সামান্য তেঁতুল জলে থেঁতো করুন। সেই তেঁতুল জল মিশিয়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে ঢেকে কম আঁচে প্রায় ১০ মিনিট রাখুন। গ্যাস থেকে নামিয়ে নিন।উপর থেকে ধনেপাতা ছড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন। ভাত বা রুটির সঙ্গে জমে যাবে।