Advertisement

Rice Crispy Fritters: বাসি ভাত ফেলবেন না! বানিয়ে ফেলুন মুচমুচে বাসি ভাতের বড়া, রইল সহজ রেসিপি

রাতের খাবার খাওয়ার পর বেশ খানিকটা ভাত বেঁচে গিয়েছে? পরের দিন সেই ভাত দিয়ে কী করা যায়, তা ভেবে অনেকেই সমস্যায় পড়েন। কখনও আবার ভাতটি নষ্ট হয়ে গেলে বাধ্য হয়ে ফেলে দিতে হয়।

ভাত ফেলে না দিয়ে এ বার বানিয়ে ফেলতে পারেন বাসি ভাতের বড়া।ভাত ফেলে না দিয়ে এ বার বানিয়ে ফেলতে পারেন বাসি ভাতের বড়া।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 30 Aug 2026,
  • अपडेटेड 7:53 PM IST
  • রাতের খাবার খাওয়ার পর বেশ খানিকটা ভাত বেঁচে গিয়েছে?
  • ভাত দিয়ে কী করা যায়, তা ভেবে অনেকেই সমস্যায় পড়েন।
  • বেঁচে যাওয়া ভাত দিয়েই দারুণ সুস্বাদু একটি জলখাবার বানানো যায়।

রাতের খাবার খাওয়ার পর বেশ খানিকটা ভাত বেঁচে গিয়েছে? পরের দিন সেই ভাত দিয়ে কী করা যায়, তা ভেবে অনেকেই সমস্যায় পড়েন। কখনও আবার ভাতটি নষ্ট হয়ে গেলে বাধ্য হয়ে ফেলে দিতে হয়। কিন্তু বেঁচে যাওয়া ভাত দিয়েই যে দারুণ সুস্বাদু একটি জলখাবার বানানো যায়, তা অনেকেরই জানা নেই।

ভাত ফেলে না দিয়ে এ বার বানিয়ে ফেলতে পারেন বাসি ভাতের বড়া। অল্প কয়েকটি ঘরোয়া উপকরণ দিয়েই তৈরি করা যায় এই পদ। বেসন, আটা বা সুজি, দই এবং কয়েকটি মশলার সঙ্গে বেঁচে যাওয়া ভাত মিশিয়ে সহজেই তৈরি হবে বড়ার মিশ্রণ। তার পর তেলে ভেজে নিলেই তৈরি।

নামী রন্ধনশিল্পী সঞ্জীব কপূরের দেখানো মুঠিয়ার রেসিপি থেকেই অনুপ্রাণিত এই পদটি বাড়ির স্বাদ অনুযায়ী একটু বদলে নেওয়া যায়। মুঠিয়া সাধারণত ভাপে সেদ্ধ করে তৈরি করা হয়। তবে বাঙালি বাড়ির জলখাবারের জন্য সেই মিশ্রণ দিয়েই বড়া বানিয়ে নেওয়া যায়। ফলে ভাত নষ্ট হওয়ার হাত থেকেও বাঁচবে, আবার তৈরি হবে নতুন একটি মুখরোচক পদ।

কী কী লাগবে?
দেড় কাপ বেঁচে যাওয়া ভাত, আধ কাপ বেসন, এক-চতুর্থাংশ কাপ আটা বা সুজি, দু’চামচ টক দই, এক-চতুর্থাংশ কাপ কুচোনো ধনেপাতা, এক চামচ আদা-লঙ্কার বাটা, আধ চামচ জোয়ান, এক চামচ সাদা তিল, এক-চতুর্থাংশ চামচ হলুদ, আধ চামচ লঙ্কাগুঁড়ো, আধ চামচ ধনেগুঁড়ো, এক চামচ লেবুর রস এবং স্বাদমতো নুন লাগবে। বড়া ভাজার জন্য প্রয়োজনমতো তেল নিতে হবে।

বড়ায় সর্ষের স্বাদ চাইলে এক চামচ সর্ষে এবং কয়েকটি কারিপাতা দিয়েও ফোড়ন তৈরি করতে পারেন। এতে স্বাদ এবং গন্ধ দুটোই আরও ভাল হবে।

কীভাবে বাসি ভাতের বড়া বানাবেন?
প্রথমে বেঁচে যাওয়া ভাত একটি বড় পাত্রে নিয়ে হাত দিয়ে ভাল করে চটকে নিন। একেবারে মিহি করে ফেলতে হবে না। ভাতের দানা একটু থাকলে বড়ার গঠন ভাল হবে। এ বার তার মধ্যে বেসন, আটা বা সুজি, দই, আদা-লঙ্কার বাটা, ধনেপাতা, জোয়ান, তিল, হলুদ, লঙ্কাগুঁড়ো, ধনেগুঁড়ো এবং নুন দিয়ে সব ভাল করে মিশিয়ে নিন।

Advertisement

এর পর লেবুর রস এবং এক চামচ তেল দিয়ে মিশ্রণটি মাখুন। সাধারণত ভাত ও দইয়ের আর্দ্রতাতেই মিশ্রণ তৈরি হয়ে যাবে। খুব শুকনো মনে হলে সামান্য জল বা আরও একটু দই দেওয়া যেতে পারে। তবে একসঙ্গে বেশি জল দেবেন না। মিশ্রণটি এমন হওয়া দরকার যাতে হাতে নিয়ে সহজে আকার দেওয়া যায়।

এ বার হাতে সামান্য তেল মেখে মিশ্রণ থেকে ছোট ছোট অংশ নিয়ে গোল বা চ্যাপ্টা বড়ার আকার দিন। কড়াইয়ে তেল গরম করে মাঝারি আঁচে বড়াগুলি ছেড়ে দিন। একসঙ্গে বেশি বড়া দেবেন না। দু’দিক ভাল করে সোনালি এবং মুচমুচে হয়ে যাওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন।

আরও সুন্দর স্বাদের জন্য আলাদা করে সর্ষে, তিল, কারিপাতা এবং এক চিমটে হিং দিয়ে ফোড়ন দিতে পারেন। ভাজা বড়াগুলি সেই ফোড়নের মধ্যে দিয়ে দু’-তিন মিনিট নাড়াচাড়া করলেই তৈরি হয়ে যাবে।

গরম গরম বাসি ভাতের বড়া পরিবেশন করুন ধনেপাতার চাটনি, কাঁচা লঙ্কা কিংবা টমেটোর সসের সঙ্গে। বিকেলের চায়ের সঙ্গে যেমন জমবে, তেমনই সকালের জলখাবার হিসাবেও খারাপ নয়। সবচেয়ে বড় কথা, আগের দিনের বেঁচে যাওয়া ভাত আর ফেলে দিতে হবে না।   

Read more!
Advertisement
Advertisement