
রান্না করা এবং অন্যকে রান্না করে খাওয়ানো, দুটোই পছন্দের বাঙালিদের। আর পুজো মানেই ভূরিভোজ। আমিষ, নিরামিষ মিলিয়ে একেবারে এলাহি ব্যাপার। অষ্টমীতে সব বাঙালি বাড়িতেই হয় নিরামিষ। সকালে লুচি, ছোলার ডাল বা আলুরদম দিয়ে শুরু। তারপর সারাদিনেই নিরামিষের নানা পদ। আর নবমী হল আমিষের দিন। আর সেই দিন পাঁঠার মাংস ছাড়া জমে না। মশলা কুটে বাড়িতে বানিয়ে ফেলুন মাটন। এর জন্য যা যা লাগবে।
১ কেজি মাটন রান্না করতে যা যা লাগবে
১ কেজি মাটন
৩-৪ টেবিল চামচ তেল
২টি বড় পেঁয়াজ (মিহি করে কুচোনো)
২ টেবিল চামচ আদা-রসুন বাটা
২-৩টি কাঁচালঙ্কা
২টি টমেটো (মিহি করে কুচোনো)
আধ কাপ দই
১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
১-২ চা চামচ লঙ্কাগুঁড়ো
স্বাদমতো নুন
২-৩টি তেজপাতা
১ টুকরো দারচিনি
বাটার জন্য মশলা
১ চা চামচ জিরে
১ চা চামচ গোটা ধনে
৫-৬টি গোলমরিচ
৩-৪টি লবঙ্গ
২টি ছোট এলাচ
১টি দারচিনি
১-২টি শুকনো লঙ্কা
মাটন রান্নার পদ্ধতি
প্রথমে গোটা মশলাগুলি হালকা করে ভেজে নিন। তারপর শিল নোড়া বা হামানদিস্তায় মশলাগুলি কুটে নিন। চাইলে মিক্সিতেও সামান্য মোটা করে গুঁড়িয়ে নিতে পারেন। তবে মশলা একেবারে মিহি করে ফেলবেন না। তাতে স্বাদ নষ্ট হতে পারে। কুটে রাখা মশলা আলাদা করে রাখুন।
এবার কড়াইয়ে সর্ষের তেল দিয়ে ভাল করে গরম করুন। তাতে তেজপাতা এবং দারচিনি দিয়ে একটু ভেজে নিন। এরপর মিহি করে কাটা পেঁয়াজ দিয়ে সোনালি করে ভাজুন। পেঁয়াজ ভাজা হলে আদা-রসুন বাটা এবং কাঁচালঙ্কা দিয়ে আরও কয়েক মিনিট রান্না করুন।
এবার মাটনের টুকরোগুলি দিয়ে আঁচ বাড়িয়ে ভাল করে কষতে থাকুন। এতে মশলা মাটনের গায়ে মিশে যাবে। এরপর হলুদ, লঙ্কাগুঁড়ো এবং নুন দিয়ে দিন। ফেটিয়ে রাখা দই ঢেলে ক্রমাগত নাড়তে থাকুন। মশলা থেকে তেল ছাড়তে শুরু করা পর্যন্ত ভাল করে কষাতে হবে।
এবার কুচিয়ে রাখা টমেটো এবং আগে থেকে কুটে রাখা মশলা দিয়ে মিশিয়ে নিন। মশলা থেকে তেল আলাদা হয়ে এলে আঁচ কমিয়ে আরও কিছুক্ষণ রান্না করুন। প্রয়োজন অনুযায়ী গরম জল দিয়ে ঢেকে দিন। মাঝে মাঝে ঢাকনা খুলে নেড়ে দিতে হবে। প্রেসার কুকারে রান্না করলে ৩-৪টি সিটি দিলেই হবে।
গ্রেভি বেশি পাতলা মনে হলে আরও কিছুক্ষণ আঁচে রেখে ফুটিয়ে নিন। মাটন সেদ্ধ হয়ে গেলে উপর থেকে ধনেপাতা ছড়িয়ে দিন। গরম গরম রুটি বা ভাতের সঙ্গে জমে যাবে মাটন গ্রেভি মশলা।