Advertisement

Bundelkhand Thadula Recipe: আলু-ফুলকপি দিয়ে বানান দেশি ঠডুলা, পরোটার স্বাদ ভুলে যাবেন

Bundelkhand Thadula Recipe: প্রতি সপ্তাহে সেই আলুর পরোটা, ফুলকপির পরোটা, কচুরি বা লুচি। বার বার একই খাবার খেতে একঘেয়ে লাগতেই পারে। তবে খুব বেশি চিন্তার কিছু নেই। বাড়িতে থাকা সাধারণ কয়েকটি উপকরণ দিয়েই বানিয়ে ফেলতে পারেন বুন্দেলখণ্ডের জনপ্রিয় পদ 'ঠডুলা'।

সাধারণ কয়েকটি উপকরণ দিয়েই বানিয়ে ফেলতে পারেন বুন্দেলখণ্ডের জনপ্রিয় পদ 'ঠডুলা'।সাধারণ কয়েকটি উপকরণ দিয়েই বানিয়ে ফেলতে পারেন বুন্দেলখণ্ডের জনপ্রিয় পদ 'ঠডুলা'।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 20 Sep 2026,
  • अपडेटेड 8:07 PM IST
  • প্রতি সপ্তাহে সেই আলুর পরোটা, ফুলকপির পরোটা, কচুরি বা লুচি।
  • বার বার একই খাবার খেতে একঘেয়ে লাগতেই পারে।
  • বানিয়ে ফেলতে পারেন বুন্দেলখণ্ডের জনপ্রিয় পদ ঠডুলা।

Bundelkhand Thadula Recipe: প্রতি সপ্তাহে সেই আলুর পরোটা, ফুলকপির পরোটা, কচুরি বা লুচি। বার বার একই খাবার খেতে একঘেয়ে লাগতেই পারে। তবে খুব বেশি চিন্তার কিছু নেই। বাড়িতে থাকা সাধারণ কয়েকটি উপকরণ দিয়েই বানিয়ে ফেলতে পারেন বুন্দেলখণ্ডের জনপ্রিয় পদ 'ঠডুলা'। আলু, ফুলকপি, আটা এবং কয়েকটি মশলা থাকলেই হবে। বানানোর পদ্ধতিও বেশ সহজ।

স্বাদে এটি পরোটার সঙ্গে কিছুটা মিল থাকলেও ঠডুলার নিজস্ব মশলা ও পুরের কারণে স্বাদ আলাদা। সকালের জলখাবার থেকে বিকেলের টিফিন; দুই সময়েই এটি খাওয়া যায়।

বুন্দেলখণ্ডের ঠডুলা কী?
ঠডুলা বুন্দেলখণ্ডের ঐতিহ্যবাহী খাবারের মধ্যে একটি। এই অঞ্চলের গ্রামবাংলার রান্নায় সহজলভ্য উপকরণ দিয়ে নানা ধরনের পদ তৈরির চল রয়েছে। ঠডুলাও তেমনই একটি ঘরোয়া পদ।

এই খাবার তৈরিতে খুব দামি কোনও উপকরণ লাগে না। বাজারে আলাদা করে খুঁজেও কিছু কিনতে হবে না। বাড়িতে থাকা আলু, ফুলকপি, আটা এবং মশলা দিয়েই কাজ হয়ে যাবে।

ঠডুলা বানাতে কী কী লাগবে?
দু’কাপ গমের আটা নিন। সঙ্গে লাগবে দু’টি সেদ্ধ আলু এবং এক কাপ খুব ভাল করে কুচিয়ে নেওয়া ফুলকপি। চাইলে একটি ছোট পেঁয়াজ কুচি দিতে পারেন। স্বাদ বাড়াতে দু’টি কাঁচালঙ্কা, এক চা চামচ কুরিয়ে নেওয়া আদা এবং দু’টেবিল চামচ ধনেপাতা রাখুন।

মশলার মধ্যে লাগবে আধ চা চামচ জোয়ান, আধ চা চামচ লঙ্কাগুঁড়ো, এক চতুর্থাংশ চা চামচ হলুদ এবং এক চা চামচ ধনে গুঁড়ো। স্বাদমতো নুন নিন। ঠডুলা সেঁকার জন্য সামান্য তেলও লাগবে।

বুন্দেলখণ্ডের ঠডুলা কীভাবে বানাবেন?
প্রথমে সেদ্ধ আলু ভাল করে চটকে নিন। এর মধ্যে কুচিয়ে রাখা ফুলকপি, কাঁচালঙ্কা, আদা এবং ধনেপাতা মিশিয়ে দিন। এ বার জোয়ান, লঙ্কাগুঁড়ো, হলুদ, ধনে গুঁড়ো এবং নুন দিয়ে সব উপকরণ ভাল করে মেখে নিন।

এখানে একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। ফুলকপি থেকে জল বেরোতে পারে। তাই পুরটি যেন খুব ভেজা না হয়ে যায়। বেশি জল থাকলে ঠডুলা বেলার সময় সমস্যা হতে পারে।

Advertisement

এর পর একটি পাত্রে গমের আটা নিন। অল্প অল্প করে জল দিয়ে নরম মণ্ড তৈরি করুন। মণ্ড খুব শক্ত করবেন না। মাখা হয়ে গেলে ঢেকে প্রায় ১০ মিনিট রেখে দিন।

এ বার আটার ছোট ছোট লেচি কেটে নিন। একটি লেচি নিয়ে সামান্য বেলে তার মাঝখানে আলু-ফুলকপির পুর দিন। চার দিক থেকে মুখ বন্ধ করে দিন। তার পর হালকা হাতে বেলে পরোটার মতো গোল আকার দিন।

তাওয়া গরম করে তার উপর ঠডুলা দিয়ে দিন। এক দিক হালকা সেঁকা হয়ে গেলে উল্টে দিন। দুই দিকে অল্প তেল লাগিয়ে ধীরে ধীরে সেঁকুন। দু’দিক সুন্দর সোনালি এবং মুচমুচে হয়ে গেলে নামিয়ে নিন।

কীসের সঙ্গে খেতে ভাল লাগবে?
ঠডুলা গরম গরম খেলে স্বাদ সবচেয়ে ভাল লাগে। এর সঙ্গে পরিবেশন করতে পারেন টক-ঝাল আচার। ধনেপাতা ও কাঁচালঙ্কার চাটনিও ভাল মানাবে। যাঁরা ঝাল একটু বেশি পছন্দ করেন, তাঁরা রসুনের চাটনি দিয়ে খেতে পারেন।

এ ছাড়া ঠান্ডা দইয়ের সঙ্গেও ঠডুলা বেশ ভাল লাগে। সকালের নাস্তায় এক কাপ চা বা দইয়ের সঙ্গে গরম ঠডুলা পরিবেশন করলে বাড়ির সবাই খুশি হতে পারেন।

তাই প্রতি সপ্তাহে একই পরোটা বা কচুরি বানিয়ে একঘেয়ে হয়ে গেলে এক দিন বুন্দেলখণ্ডের এই দেশি ঠডুলা বানিয়ে দেখতেই পারেন।   

Read more!
Advertisement
Advertisement