
Crispy Coriander Fry: বিকেলের চায়ের সঙ্গে একটু মুখরোচক কিছু খেতে ইচ্ছে করছে? বাড়িতে আলু, পেঁয়াজ বা অন্য কোনও সবজি না থাকলেও সমস্যা নেই। রান্নাঘরে থাকা এক গোছা ধনেপাতা দিয়েই বানিয়ে ফেলতে পারেন দারুণ মুচমুচে জলখাবার। সাধারণ ভাবে ধনেপাতা কুচিয়ে রান্নায় ব্যবহার করা হয়। কিন্তু গোটা ধনেপাতা সামান্য বেসন দিয়ে ভেজে নিলে তৈরি হয় একেবারে অন্য রকম একটি পদ।
এই ধনেপাতার ফ্রাই বানাতে খুব বেশি উপকরণেরও প্রয়োজন নেই। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, বেসনের গোলা খুব ঘন করা যাবে না। পাতলা করে বেসন মাখিয়ে ধনেপাতা ভাজলেই বাইরের অংশ হবে মুচমুচে। ভিতরে থাকবে ধনেপাতার নিজস্ব গন্ধ ও স্বাদ। চায়ের সঙ্গে যেমন খেতে ভাল লাগে, তেমনই দুপুরে ডাল ভাতের সঙ্গেও এটি পরিবেশন করা যায়।
কী কী লাগবে?
এক গোছা টাটকা ধনেপাতা। ধনেপাতার শুধুমাত্র শিকড়ের অংশটুকু বাদ দিয়ে ভাল করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিতে হবে। এর সঙ্গে লাগবে বেসন, সামান্য চালের গুঁড়ো, নুন, হলুদ, লঙ্কার গুঁড়ো এবং অল্প জিরে গুঁড়ো। চাইলে স্বাদ বাড়াতে সামান্য কাঁচালঙ্কা কুচি দেওয়া যেতে পারে। ভাজার জন্য প্রয়োজন সর্ষের তেল বা সাদা তেল।
ধনেপাতার ফ্রাই কীভাবে বানাবেন?
প্রথমে ধনেপাতার গোছাটি ভাল করে ধুয়ে নিন। পাতায় যেন কোনও মাটি বা ধুলো না থাকে। তার পর পরিষ্কার কাপড় বা টিস্যু দিয়ে অতিরিক্ত জল শুকিয়ে নিন। ধনেপাতা একেবারে ভিজে থাকলে বেসন ভাল ভাবে লেগে থাকবে না।
এ বার একটি পাত্রে বেসন নিন। তার সঙ্গে সামান্য চালের গুঁড়ো মেশান। চালের গুঁড়ো দিলে ফ্রাই আরও মুচমুচে হবে। এর মধ্যে নুন, হলুদ, লঙ্কার গুঁড়ো এবং জিরে গুঁড়ো দিন। অল্প অল্প করে জল দিয়ে পাতলা গোলা তৈরি করুন।
খেয়াল রাখবেন, গোলা যেন খুব ঘন না হয়। ধনেপাতার উপর শুধু পাতলা একটি আস্তরণ তৈরি হবে, এমনই গোলা দরকার। বেশি বেসন মাখালে ভাজার পর ধনেপাতার স্বাদ ঢাকা পড়ে যেতে পারে।
এ বার ধনেপাতার গোছাটি ধরে পাতলা বেসনের গোলায় ডুবিয়ে নিন। অতিরিক্ত বেসন ঝরিয়ে কড়াইয়ে মাঝারি গরম তেলে দিয়ে দিন। আঁচ মাঝারি রাখুন। এক দিক ভাল করে ভাজা হয়ে গেলে উল্টে দিন।
দুই দিক সোনালি ও মুচমুচে হয়ে গেলে তেল থেকে তুলে নিন। চাইলে উপর থেকে সামান্য বিট নুন বা চাট মশলা ছড়িয়ে দিতে পারেন। গরম গরম পরিবেশন করুন ধনেপাতার ফ্রাই।