Advertisement

Healthy Cooking Oil Uses: মাসে কত লিটার পর্যন্ত তেল খাওয়া স্বাস্থ্যকর? হিসেবটা বুঝে নিন

Healthy cooking oil limit per day per month: তরকারিতে ফোড়ন দেওয়া হোক বা পরোটা ভাজা কিংবা মুচমুচে পকোড়া, রান্নায় তেল লাগবেই। কিন্তু স্বাদে অতুলনীয় এই তেলই যদি অনিয়ন্ত্রিত মাত্রায় শরীরে প্রবেশ করে, তবে তা হৃদযন্ত্রের জন্য চরম বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

মাসে কত লিটার পর্যন্ত তেল স্বাস্থ্যকর।মাসে কত লিটার পর্যন্ত তেল স্বাস্থ্যকর।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 24 Jul 2026,
  • अपडेटेड 9:16 PM IST

Healthy cooking oil limit per day per month: তরকারিতে ফোড়ন দেওয়া হোক বা পরোটা ভাজা কিংবা মুচমুচে পকোড়া, রান্নায় তেল লাগবেই। কিন্তু স্বাদে অতুলনীয় এই তেলই যদি অনিয়ন্ত্রিত মাত্রায় শরীরে প্রবেশ করে, তবে তা হৃদযন্ত্রের জন্য চরম বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বাজারে কোন তেল কিনছেন, কেবল সেটাই মুখ্য নয়; সারাদিনে ঠিক কতখানি তেল পেটে যাচ্ছে, সেই পরিমাণের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখাও সমান জরুরি।

সাধারণত দেখা যায়, চার-পাঁচ জনের একটি ভারতীয় পরিবারে মাসে প্রায় ৫ থেকে ১০ লিটার পর্যন্ত তেল খরচ হয়ে যায়। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞান ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাস শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

দিনে ও মাসে একজন মানুষের কতটুকু তেল খাওয়া উচিত?
গুরুগ্রাম ও ফরিদাবাদের শীর্ষস্থানীয় হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের বিশিষ্ট চিকিৎসকদের মতে, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ১৫ থেকে ২০ মিলিলিটার, অর্থাৎ প্রায় ৩ থেকে ৪ চা চামচের বেশি তেল গ্রহণ করা একেবারেই অনুচিত।

সেই হিসেব অনুযায়ী:
একজন মানুষের জন্য: মাসে প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিলিটার তেলই যথেষ্ট।

চার জনের একটি পরিবারে: মাসে সব মিলিয়ে ২ থেকে ২.৫ লিটারের বেশি তেল খরচ হওয়া উচিত নয়।

যাঁরা আগে থেকেই হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ বা কোলেস্টেরলের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই কড়াকড়ি আরও বেশি। আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সারা মাসে ৭৫০ মিলিলিটারের বেশি তেল গ্রহণ বিপজ্জনক হতে পারে।

কোন তেল স্বাস্থ্যের জন্য ভাল?
বাজারে সর্ষে, সূর্যমুখী, সয়াবিন, তিল, নারকেল এবং অলিভ অয়েলের মতো অজস্র বিকল্প রয়েছে। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতীয় রান্নার ধারার সঙ্গে সবচেয়ে মানানসই হলো কাঁচি ঘানি বা কাঠের ঘানিতে ভাঙা সর্ষের তেল।

সর্ষের তেল: এর ‘স্মোক পয়েন্ট’ (Smoke Point) খুব বেশি হওয়ায় অতিরিক্ত উত্তাপেও এর গুণাগুণ বজায় থাকে এবং ক্ষতিকর রাসায়নিক তৈরি হয় না।

অলিভ অয়েল: অলিভ অয়েল স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হলেও তা কেবল সালাড ড্রেসিং বা কম আঁচে রান্নার উপযোগী। ডিপ ফ্রাই বা কড়া ভাজার জন্য এটি একেবারেই অনুপযুক্ত।

Advertisement

রিফাইন্ড তেলের বিপদ: অতিরিক্ত উষ্ণতায় ও কেমিক্যাল প্রসেসিংয়ের মাধ্যমে তৈরি রিফাইন্ড তেল দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) বৃদ্ধি পায়, যা ধমনীতে ব্লক তৈরির মূল কারণ।

অতিরিক্ত তেল খাওয়ার মারাত্মক পরিণতি
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অতিরিক্ত ঘি-তেল বা ডিপ ফ্রায়েড খাবার থাকলে শরীরে চর্বি জমতে শুরু করে। এর ফলে স্থূলতা (Obesity), ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, মেটাবলিক ডিসঅর্ডার এবং পরবর্তীতে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। স্বাস্থ্য ও স্বাদের সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখতে রান্নায় ৮০ শতাংশ ঘানিতে ভাঙা সর্ষের তেল এবং ২০ শতাংশ গাওয়া ঘি বা মাখন অত্যন্ত সীমিত পরিমাণে ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। 

Read more!
Advertisement
Advertisement