Advertisement

Mango Real Vs Fake Identification: গাছপাকা নাকি কার্বাইড মেশানো? এভাবে চিনুন খাঁটি আম, আর ঠকবেন না

Mango Real Vs Fake Identification: আজকাল বাজারে ভেজাল আম অত্যন্ত বেড়েছে। রাসায়নিকযুক্ত আম খেলে শরীরের উপকার তো দূর, প্রচুর ক্ষতি হয়। না জেনেই আপনি বাজার থেকে ভেজাল আম কিনে এনে, নিজের বিপদ ডাকছেন না তো? জেনে নিন, কীভাবে চিনবেন খাঁটি আম।    

 আম আম
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 13 Apr 2026,
  • अपडेटेड 1:19 PM IST

আমকে 'ফলের রাজা' বলা হয় এর অসাধারণ স্বাদ, পুষ্টি এবং আরও বিভিন্ন কারণে। এই ফল এতটাই সুস্বাদু যে অনেকেই অনেক সময় একসঙ্গে অনেক আম খায়। আমে ভিটামিন এ, সি, ফোলেট, ফাইবার, ম্যাগনেসিয়ামের মতো অনেক পুষ্টি উপাদান রয়েছে যা একসঙ্গে শরীরকে অনেক উপকার দেয়। তবে, সঠিক উপায়ে আম খেলে এটি আপনার হজমশক্তিও শক্তিশালী করতে পারে।

আমের শুধুমাত্র একটি নয়, এর অনেক জাত রয়েছে। যেগুলোর স্বাদ, রং এবং গঠন ভিন্ন। আম কেনার সময় অনেকেই বিভ্রান্ত হয়। অনেকেই মনে করেন যে, আম দেখতে হলুদ রঙের হলেই তা মিষ্টি ও রসালো হবে। কিন্তু এই ধারণা আসলে বড় ভুল। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, এই আম প্রাকৃতিকভাবে পাকে নি। আসলে রাসায়নিক (যেমন—কার্বাইড) ব্যবহার করে পাকানো হয়েছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে। আপনি যদি প্রাকৃতিকভাবে পাকানো ও সুস্বাদু আম খেতে চান, তাহলে আম কেনার সময় কয়েকটি বিষয় মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। 

আজকাল বাজারে ভেজাল আম অত্যন্ত বেড়েছে। রাসায়নিকযুক্ত আম খেলে শরীরের উপকার তো দূর, প্রচুর ক্ষতি হয়। না জেনেই আপনি বাজার থেকে ভেজাল আম কিনে এনে, নিজের বিপদ ডাকছেন না তো? জেনে নিন, কীভাবে চিনবেন খাঁটি আম।    

প্রাকৃতিকভাবে পাকানো এবং রাসায়নিকভাবে পাকানো আমের মধ্যে পার্থক্য করবেন কীভাবে?

গন্ধ শুঁকে শনাক্ত করুন

আপনি যদি প্রাকৃতিকভাবে পাকানো এবং রাসায়নিকভাবে পাকানো আমের মধ্যে পার্থক্য করতে চান, তাহলে প্রথম উপায় হল আমের গন্ধের দিকে মনোযোগ দেওয়া। আম যদি প্রাকৃতিকভাবে পেকে থাকে, তবে তা থেকে মৃদু মিষ্টি ও সতেজ একটি সুবাস ভেসে আসে। এই সুবাস এতটাই তীব্র হয় যে, আমের খুব কাছে না গিয়েও আপনি তা অনুভব করতে পারবেন। অন্যদিকে, রাসায়নিকভাবে পাকানো আমে হয় কোনও গন্ধই থাকে না, অথবা তা থেকে এক ধরণের অদ্ভুত বা অস্বাভাবিক গন্ধ পাওয়া যায়।

Advertisement

আমের রঙের দিকে খেয়াল রাখুন

আম যদি প্রাকৃতিকভাবে পেকে থাকে, তবে এর রং হয় হালকা হলুদ এবং তাতে সবুজাভ আভা বা ছোপ দেখা যায়। এর বিপরীতে, কার্বাইড দিয়ে পাকানো আমগুলো দেখতে প্রায়শই খুব উজ্জ্বল হলুদ রঙের হয়; যা দেখতে বেশ সুন্দর লাগলেও, বাস্তবে সেগুলো সময়ের আগেই বা অপরিপক্ক অবস্থায় পাকানো হয়ে থাকে।

আম কি ভেতর থেকেও পেকেছে?

আপনি যদি ভুলবশত রাসায়নিকভাবে পাকানো কোনও আম কিনেও ফেলেন, তবুও খাওয়ার আগে আপনি তা শনাক্ত করতে পারবেন। কীভাবে? আমটি কেটে দেখলেই আপনি বুঝতে পারবেন যে, এর ভেতরটা পেকেছে কি না। মূলত, প্রাকৃতিকভাবে পাকানো আম ভেতর থেকে পুরোপুরি পাকা এবং রসালো হয়। উল্টো দিকে, রাসায়নিকভাবে পাকানো আম বাইরে থেকে হলুদ দেখালেও, কেটে দেখার পর দেখা যেতে পারে যে- এর ভেতরটা এখনো কাঁচাই রয়ে গেছে।

পরীক্ষা করবেন কীভাবে? 

জলের পরীক্ষা

কোনও আম রাসায়নিকভাবে পাকানো হয়েছে নাকি প্রাকৃতিকভাবে, তা নির্ণয় করার সবচেয়ে সহজ উপায় হল 'জলের পরীক্ষা' (Water test)। একটি বালতি বা পাত্রে জল পূর্ণ করুন এবং তাতে একটি আম ছেড়ে দিন। যদি আমটি জলে ডুবে যায়, তবে সম্ভবত সেটি প্রাকৃতিকভাবেই পেকেছে। তবে, যদি আমটি জলে ভেসে থাকে, তবে সেটি রাসায়নিকভাবে পাকানো হতে পারে।

ওজনের পার্থক্য 

প্রাকৃতিকভাবে পাকা এবং রাসায়নিকভাবে পাকানো আমের ওজনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য থাকে। প্রাকৃতিকভাবে পাকা আম সাধারণত ওজনে ভারী হয়, কারণ সেগুলো ভেতর থেকে পুরোপুরি পেকে ওঠে। অন্যদিকে, রাসায়নিকভাবে পাকানো আম ওজনে হালকা মনে হতে পারে।

আম কেনার সময় এই সহজ বিষয়গুলো মনে রাখুন

* যদি আম অতিরিক্ত উজ্জ্বল এবং পুরোপুরি হলুদ রঙের হয়, তবে সেগুলো কেনা থেকে বিরত থাকুন।

* যেসব আম থেকে খুব তীব্র বা কড়া গন্ধ বের হয়, সেগুলো এড়িয়ে চলুন। বরং মৃদু সুবাসযুক্ত আম বেছে নিন।

* যেসব আম অতিরিক্ত শক্ত কিংবা অতিরিক্ত হালকা, সেগুলো কিনবেন না।

 

TAGS:
Read more!
Advertisement
Advertisement