
গরমের দুপুর হোক বা উষ্ণ রাত, এক প্লেট ঠান্ডা দইয়ের আকর্ষণ এড়ানো অসম্ভব। এই মরসুমে বাড়িতে প্রতিদিন দই খাওয়া হয়। মানুষ রায়তা থেকে শুরু করে ঘোল, লস্যি পর্যন্ত সব কিছুতেই তাদের খাদ্যতালিকায় দই অন্তর্ভুক্ত করে। কিন্তু বাড়িতে দই জমানোর ক্ষেত্রে একটি সাধারণ সমস্যা হলো দই টক হয়ে যাওয়া। গ্রীষ্মকালে, সকালে জমানো মিষ্টি দই প্রায়শই সন্ধ্যার মধ্যে এতটাই টক হয়ে যায় যে তা আর খাওয়ার যোগ্য থাকে না।
ফ্রিজে রাখলেও দই প্রায়ই টক হয়ে যায়। যদি আপনি একদিন পর পর টক দই ফেলে দিতে বাধ্য হন, তবে আর চিন্তা করবেন না। একটি সহজ কৌশলের মাধ্যমে আপনি সহজেই আপনার দইকে টক হওয়া থেকে বাঁচাতে পারেন। এই কাজ করবে এক টুকরো নারকেল। হ্যাঁ, মাত্র এক টুকরো নারকেলই আপনার দইকে দিনের পর দিন তাজা এবং মিষ্টি রাখতে পারে।
নারকেলের এই কৌশলটা কী?
দইয়ে নারকেলের টুকরো মেশানোর এই কৌশলটি হয়তো আপনি প্রথমবার শুনছেন, কিন্তু এটি কোনও নতুন রীতি নয়। দই যাতে টক হয়ে না যায়, সেজন্য মানুষ বহু দিন ধরে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে আসছে। ফ্রিজ যখল ছিল না, দইকে বেশিদিন তাজা রাখার জন্য মানুষ এই উপায়টি ব্যবহার করত।
দইয়ের মধ্যে থাকা ব্যাকটেরিয়ার কারণেই এটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জমাট বাঁধে এবং টক হয়ে যায়। তবে, এক টুকরো নারকেল যোগ করলে এই প্রক্রিয়াটি ধীর হয়ে যায়, ফলে দই দ্রুত টক হওয়া থেকে রক্ষা পায়।
এটি কীভাবে ব্যবহার করবেন?
আপনিও যদি এই কৌশলের সাহায্যে দইকে টক হওয়া থেকে বাঁচাতে চান তাহলে-
এতে কী লাভ হবে?
দইয়ে নারকেল কুচি মেশালে তা সহজে টক হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পায়। এতে দই ১০-১৫ দিন পর্যন্ত তাজা থাকবে এবং এর স্বাদের কোনও পরিবর্তন হবে না।
তবে, নারকেলের এই কৌশলটি ব্যবহার করার সময় খেয়াল রাখবেন নারকেলটি যেন সবসময় তাজা থাকে। শুকনো নারকেল বা নারকেলের কুচি দিয়ে কাজ হবে না। এছাড়াও, খেয়াল রাখবেন যেন নারকেলের টুকরোটি বারবার না সরানো হয়। যদি দইয়ের পরিমাণ বেশি থাকে, তবে একটি বড় টুকরো ব্যবহার করুন।