Advertisement

Dal Spoiling Prevention: গরমেও সকালের ডাল রাত পর্যন্ত ভাল থাকবে! রান্নার পর এভাবে রাখতে হবে

Dal Spoiling Prevention: বাইরের তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রান্নাঘরের তাপমাত্রাও পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে। অনেক সময় পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে, রান্নাঘরে রাখা খাবার খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়।

ডালডাল
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 30 Apr 2026,
  • अपडेटेड 11:51 AM IST

গ্রীষ্মের তীব্র তাপ কেবল বাইরেই নয়, ঘরের ভেতরেও অনুভূত হয়। ঘর অনেক সময় চুল্লির মতো উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। তবে ঘরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গরম থাকে রান্নাঘর। বাইরের তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রান্নাঘরের তাপমাত্রাও পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে। অনেক সময় পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে, রান্নাঘরে রাখা খাবার খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। এই মরসুমের আর্দ্রতা ও তীব্র তাপের কারণে ব্যাকটেরিয়া খুব দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে; ফলে রান্না করা খাবার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই টক হয়ে যায় বা নষ্ট হয়ে পড়ে।

দুধ ও দইয়ের পাশাপাশি, আরও একটি খাবার যা খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যায় তা হল রান্না করা ডাল। প্রোটিনসমৃদ্ধ হওয়ায় ডাল খুব দ্রুত গাঁজিয়ে ওঠে, যার ফলে এটি টক হয়ে যায় এবং এর ওপর ফেনা জমতে শুরু করে। অনেক সময় সকালে রান্না করা ডাল দুপুরের খাবারের সময়ের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায়। আপনার রান্নাঘরেও যদি এমন সমস্যা দেখা দেয়, তবে চিন্তার কোনও কারণ নেই। কিছু সহজ ও বুদ্ধিদীপ্ত কৌশল অবলম্বন করলে, এই তীব্র গরমের মধ্যেও ডাল দীর্ঘ সময় ধরে সতেজ রাখা সম্ভব।

ডাল বেশিক্ষণ বাইরে ফেলে রাখবেন না: রান্না করার পর ডাল বেশিক্ষণ ধরে বাইরে ফেলে রাখবেন না। গ্রীষ্মকালে ডাল দীর্ঘ সময় ধরে বাইরে রেখে দেওয়াটা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। ডাল পুরোপুরি ঠান্ডা হয়ে গেলে, তা ফ্রিজে তুলে রাখুন। নয়তো, ব্যাকটেরিয়া খুব দ্রুত বংশবৃদ্ধি করতে শুরু করবে।

সঠিক উপায়ে সংরক্ষণ: ডাল সংরক্ষণ করার সময় পরিষ্কার ও বায়ুরোধী পাত্র ব্যবহার করুন। ডাল পুরোপুরি ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার পরেই পাত্রের মুখ শক্ত করে বন্ধ করুন এবং আর্দ্রতা বা ধুলোবালি যাতে ভেতরে ঢুকতে না পারে, সেজন্য তা ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন।

প্রথমে পুরোপুরি ঠান্ডা করে নিন: রান্না করার পরই ডাল ফ্রিজে তুলে রাখাটাও একটি ভুল সিদ্ধান্ত। গরম ডাল সরাসরি ফ্রিজে রাখা মোটেও উচিত নয়। এতে ফ্রিজের ভেতরের তাপমাত্রা বিঘ্নিত হতে পারে এবং ফ্রিজে রাখা অন্যান্য খাবারের ওপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই, ডালকে প্রথমে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ঠান্ডা হতে দিন, এরপর তা সংরক্ষণ করুন।

Advertisement

পুনরায় গরম করার সঠিক নিয়ম: ডাল বারবার গরম করা থেকে বিরত থাকুন। এটা করলে ডালের স্বাদ ও গুণমান- উভয়ই নষ্ট হয়ে যায়। সব সময় শুধু ততটুকু ডালই গরম করুন, যতটা আপনার খাওয়ার প্রয়োজন; বাকি ডাল ফ্রিজেই রেখে দিন। প্রয়োজনে, দিনে ১-২ বার ডাল ফুটিয়ে নেওয়া যেতে পারে, যা ডাল ভাল রাখতে সহায়ক।

লবণ ও মশলার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন: ডালে লবণ ও মশলা সব সময় মেপে বা সতর্কতার সঙ্গে মেশান। ডালে লবণের পরিমাণ কম হলে তা খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সঠিক পরিমাণে লবণ ও হলুদ মেশালে ডাল দীর্ঘ সময় ধরে ভাল রাখা সম্ভব; কারণ হলুদে ব্যাকটেরিয়া- প্রতিরোধক গুণাবলি রয়েছে।

টক উপাদান পরে মেশান: আপনি যদি ডালে লেবুর রস মেশাতে পছন্দ করেন, তবে এই বিষয়টি নিয়ে কিছুটা সতর্ক থাকা প্রয়োজন। লেবু বা তেঁতুলের মতো টক জাতীয় উপাদান ডালে মেশালে তা খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই, ডাল গরম করার পরেই সর্বদা এগুলি যোগ করুন; আগে ভাগে যোগ করলে ডাল দ্রুত টক হয়ে যেতে পারে।

সঠিক পাত্র নির্বাচন করুন: ডাল সংরক্ষণের জন্য প্লাস্টিকের পাত্রের চেয়ে স্টিল বা মাটির পাত্রই বেশি উপযোগী। এই পাত্রগুলো তাপমাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখে এবং ডালকে দীর্ঘ সময় ধরে সতেজ রাখে।

সময় মতো ব্যবহার করুন: রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ করা হলেও ডাল চিরকাল ভাল থাকে না। ৩ থেকে ৫ দিনের মধ্যেই এটি ব্যবহার করে ফেলা উচিত; কারণ দীর্ঘ সময় ধরে রেখে দিলে এতে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement