Advertisement

Masala Peanut Pakoda: মুচমুচে, মশলাদার বাদামের পকোড়া, গুজরাতের জনপ্রিয় Recipe

Masala Peanut Recipe: সন্ধ্যায় চায়ের সঙ্গে মুখরোচক কিছু চাই? বিস্কুট বা মুড়ি খেতে খেতে একঘেয়ে লাগছে? তাহলে গুজরাটি স্টাইলে বানিয়ে ফেলুন পারেন মশালা পিনাট। তাও আবার খুব বেশি ঝামেলা ছাড়াই।

বিস্কুট বা মুড়ি খেতে খেতে একঘেয়ে লাগছে? তাহলে গুজরাটি স্টাইলে বানিয়ে ফেলুন পারেন মশালা পিনাট।বিস্কুট বা মুড়ি খেতে খেতে একঘেয়ে লাগছে? তাহলে গুজরাটি স্টাইলে বানিয়ে ফেলুন পারেন মশালা পিনাট।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 06 Sep 2026,
  • अपडेटेड 7:00 PM IST
  • সন্ধ্যায় চায়ের সঙ্গে মুখরোচক কিছু চাই?
  • গুজরাটি স্টাইলে বানিয়ে ফেলুন পারেন মশালা পিনাট।
  • খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনই বেশ কিছু দিন রেখে খাওয়াও যায়।

Masala Peanut Recipe: সন্ধ্যায় চায়ের সঙ্গে মুখরোচক কিছু চাই? বিস্কুট বা মুড়ি খেতে খেতে একঘেয়ে লাগছে? তাহলে গুজরাটি স্টাইলে বানিয়ে ফেলুন পারেন মশালা পিনাট। তাও আবার খুব বেশি ঝামেলা ছাড়াই।

চিনাবাদাম দিয়ে তৈরি এই স্ন্যাক্স খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনই বেশ কিছু দিন রেখে খাওয়াও যায়। বেসন, চালের গুঁড়ো এবং কয়েকটি সাধারণ মশলা দিয়েই তৈরি হবে এর মচমচে আবরণ। বাইরে থাকবে ক্রিস্পি মশলার স্তর। ভিতরে থাকবে বাদামের আসল স্বাদ।

বাড়িতে মশলা পিনাট বানাতে প্রথমে দু’কাপ কাঁচা চিনাবাদাম নিতে হবে। এর সঙ্গে লাগবে চার টেবিল চামচ বেসন এবং দু’টেবিল চামচ চালের গুঁড়ো। এই চালের গুঁড়োই বাদামের বাইরের আবরণকে আরও মুচমুচে করতে সাহায্য করবে।

এবার মশলার জন্য এক চা চামচ লঙ্কাগুঁড়ো, আধ চা চামচ হলুদ, এক চা চামচ চাট মশলা এবং আধ চা চামচ গরম মশলা নিতে হবে। এর সঙ্গে দিতে হবে এক চা চামচ নুন। স্বাদ বাড়াতে লাগবে এক চা চামচ আদা-রসুন বাটা। আরও দিতে হবে এক টেবিল চামচ তেল এবং সামান্য জল। বাদাম ভাজার জন্য আলাদা করে তেল লাগবে।

প্রথমে একটি বড় পাত্রে কাঁচা চিনাবাদাম নিয়ে নিন। তার মধ্যে বেসন, চালের গুঁড়ো, লঙ্কাগুঁড়ো, হলুদ, চাট মশলা, গরম মশলা এবং নুন দিন। এর পর আদা-রসুন বাটা এবং এক টেবিল চামচ তেল দিয়ে সব কিছু ভাল করে মিশিয়ে নিন।

এ বার আসল কাজ। মিশ্রণে একসঙ্গে অনেকটা জল দেবেন না। অল্প অল্প করে জল দিতে হবে। হাত দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে দেখুন। প্রতিটি বাদামের গায়ে যেন মশলা এবং বেসনের একটা মোটা আস্তরণ তৈরি হয়। মিশ্রণটি যেন খুব পাতলা না হয়ে যায়। বেশি জল দিলে মশলার প্রলেপ ঠিক মতো বাদামে আটকে থাকবে না। ফলে ভাজার পর মশলা পিনাট মুচমুচে হবে না।

Advertisement

এর পর কড়াইয়ে তেল গরম করুন। তেল ভাল করে গরম হয়ে গেলে আঁচ মাঝারি করে দিন। এ বার মশলা মাখানো বাদাম অল্প অল্প করে তেলে ছাড়ুন। একসঙ্গে খুব বেশি বাদাম দেবেন না। তা হলে বাদামগুলি একে অপরের সঙ্গে লেগে যেতে পারে।

মাঝারি আঁচে ধীরে ধীরে বাদামগুলি ভাজতে হবে। মাঝে মাঝে নেড়ে দিন। এতে সব দিক সমান ভাবে ভাজা হবে। মশলার আবরণ সোনালি এবং মুচমুচে হয়ে এলে বুঝবেন মশলা পিনাট তৈরি।

ভাজা হয়ে গেলে কড়াই থেকে তুলে কিচেন টিস্যু বা পেপার ন্যাপকিনের উপর রাখুন। এতে অতিরিক্ত তেল বেরিয়ে যাবে। তবে এখানেই শেষ নয়। মশলা পিনাট পুরোপুরি ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা হওয়ার পরই এর বাইরের আবরণ আরও মুচমুচে হয়ে উঠবে।

এ বার চায়ের কাপ হাতে নিয়ে পরিবেশন করুন বাড়িতে তৈরি মশলা পিনাট। চাইলে কফির সঙ্গেও খেতে পারেন। বাড়িতে বেশি পরিমাণে বানালে পুরোপুরি ঠান্ডা করে বায়ুরোধী কৌটোয় ভরে রাখুন। এ ভাবে বেশ কয়েক দিন মুচমুচে থাকবে।

তবে কয়েকটি বিষয় মনে রাখা জরুরি। বাদামের গায়ে ভাল করে মশলা মাখাতে জল অল্প অল্প করে দিতে হবে। ভাজার সময় আঁচ খুব বেশি রাখা যাবে না। বেশি আঁচে বাইরের মশলা পুড়ে যেতে পারে। অথচ ভিতরের বাদাম ঠিক মতো ভাজা হবে না। আর ভাজার পর গরম অবস্থায় কৌটোয় ভরে ফেলবেন না। এতে ভিতরে জলীয় বাষ্প জমে মশলা পিনাট নরম হয়ে যেতে পারে।  

Read more!
Advertisement
Advertisement