
পশ্চিমবঙ্গে টানা বৃষ্টিতে তীব্র গরমের পর আবহাওয়া কিছুটা বদলেছে। হালকা বৃষ্টি ও মেঘলা আকাশ স্বস্তি এনেছে। আবহাওয়া দফতরের খবর, মে মাসে প্রচুর বৃষ্টিপাত হবে। এছাড়া, গরমের পরেই বৃষ্টির দিন আসছে। বৃষ্টি এবং গরম গরম পাকোড়ার মধ্যে এক নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। আকাশে যখনই কালো মেঘ জমে এবং মাটির সোঁদা গন্ধ ভেসে আসতে শুরু করে, তখনই প্রতিটি বাড়িতে পকোড়া খাওয়ার আবদার শুরু হয়ে যায়।
আপনার যদি চা আর পাকোড়া খাওয়ার প্রবল ইচ্ছা জাগে, তবে জেনে নিন, মুচমুচে মুগ ডাল ও পেঁয়াজের পকোড়ার একটি রেসিপি। আমরা সচরাচর বেসনের পকোড়াই খাই। তবে এবার না হয় মুগ ডালের পাকোড়া চেখে দেখুন। বাইরেটা মুচমুচে আর ভেতরটা নরম-এই পকোড়াগুলো একদিকে যেমন স্বাস্থ্যকর, সেই সঙ্গে এটা বানানোও অত্যন্ত সহজ।
উপকরণ
ধোয়া মুগ ডাল: ১ কাপ (২-৩ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখা)
পেঁয়াজ: ২টি বড় আকারের (লম্বা ফালি করে কাটা)
কাঁচা লঙ্কা: ৩-৪টি (খুব মিহি করে কুচানো)
আদা-রসুন বাটা: ১ চা চামচ
ধনে পাতা: মিহি করে কুচানো
ধনে বীজ (আস্ত ধনে): ১ চা চামচ (আধা-ভাঙা বা গুঁড়ো করা)
হলুদ গুঁড়ো: আধ চা চামচ
লঙ্কা গুঁড়ো: স্বাদ মতো
হিং: এক চিমটি
লবণ: স্বাদ মতো
তেল: ভাজার জন্য
প্রণালী
* প্রথমে ভিজিয়ে রাখা মুগ ডাল থেকে জল ঝরিয়ে নিন এবং জল না দিয়ে (অথবা খুব সামান্য জল দিয়ে) ডালগুলো আধ-ভাঙা করে বেটে নিন। খেয়াল রাখবেন যেন একদম মিহি পেস্ট তৈরি না হয়ে যায়।
* এবার ডালের মিশ্রণটি একটি বড় পাত্রে ঢেলে নিন এবং ২-৩ মিনিট ধরে খুব ভাল করে ফেটিয়ে নিন; এতে পকোড়াগুলো বেশ মুচমুচে হবে।
* ডালের মিশ্রণে লম্বা করে কাটা পেঁয়াজ, কাঁচা লঙ্কা কুচি, আদা-রসুন বাটা এবং ধনে পাতা কুচি যোগ করুন।
* এরপর আধ-ভাঙা ধনে, হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো, হিং এবং লবণ মিশিয়ে নিন।
* একটি কড়াইতে তেল গরম করতে দিন। তেল যখন মাঝারি গরম হয়ে আসবে, তখন হাত দিয়ে বা চামচের সাহায্যে ছোট ছোট বড়ার আকারে মিশ্রণটি তেলে ছাড়ুন।
* পকোড়াগুলো মাঝারি থেকে কম আঁচে ভাজুন, যতক্ষণ না সেগুলো সোনালি-বাদামী রঙের এবং মুচমুচে হয়ে ওঠে।
* ভাজা হয়ে গেলে পকোড়া তেল থেকে তুলে টিস্যু পেপারের ওপর রাখুন এবং ঝাল পুদিনা চাটনি বা সসের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন।