
ডালে পুষ্টিতে ভরপুর। কথায় বলে 'মাছে- ভাতে বাঙালি'। তবে বাঙালির ভাতের পাতে ডালও থাকে প্রায় রোজই। অনেকে আবার রুটির সঙ্গেও ডাল খেতে পছন্দ করেন। ডাল ভারতীয়দের দৈনন্দিন খাদ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বেশিরভাগ মানুষ দিনে অন্তত একবার ডাল খান। ডাল প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজের উৎস। ডাল শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগায় এবং এটি একটি সহজপাচ্য খাবারও বটে।
শুধু শরীরের দুর্বলতাই দূর হয় না, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও শক্তিশালী হয়। মুসুর ডাল থেকেও অনেক ধরনের মিষ্টিও তৈরি হয়। যে কোনও ডাল রান্নায় ফোড়ন অত্যন্ত জরুরি। ফোড়নের উপর নির্ভর করে ডালের স্বাদ।
জেনে নিন, মুসুর ডালে কোন কোন ফোড়ন দিতে হয়।
সাধারণ ফোড়ন: কালোজিরে এবং শুকনো লঙ্কা।
স্বাদবর্ধক ফোড়ন: রসুনের কোয়া ও শুকনো লঙ্কা।
নিরামিষ ফোড়ন: রাঁধুনি, জিরে, ও তেজপাতা।
পেঁয়াজ ফোড়ন: পেঁয়াজ কুচি ও কাঁচালঙ্কা।
রসুন ফোড়ন
মুসুর ডাল রাঁধলে কালোজিরে, শুকনো লঙ্কা ও কয়েক কুচি রসুনও ফোড়ন দিতে পারেন। এ ছাড়া ডালে রসুন পড়লে স্বাদও বদলে যায়। একঘেয়ে স্বাদ কেটে অন্য স্বাদ পাবে জিভ।
পেঁয়াজ
শুধু রসুন নয়, মুসুর ডালে পেঁয়াজ ফোড়ন দিলেও বেশ ভাল লাগে খেতে। এমনিতে পেঁয়াজ-রসুন পড়লে যে কোনও খাবারের স্বাদ পাল্টে যায়। ডালের একঘেয়ে স্বাদে বদল আনতে পারে পেঁয়াজ।
জিরে- পেঁয়াজ
মুসুরের ডালের সঙ্গে গোটা জিরে ও পেঁয়াজ ফোড়ন দিয়ে একবার খেলে স্বাদ ভুলবেন না।
কারি পাতা ও সম্বর মশলা
দক্ষিণী স্টাইলে বানিয়ে নিন মুসুর ডাল। সর্ষের তেলের মধ্যে কালো গোটা সর্ষে, কারিপাতা, সম্বর মশলা, শুকনো লঙ্কা ভেজে নিন। এবার এটা মুসুর ডালের সঙ্গে মিশিয়ে দিন।
আমিষ ফোড়ন
সর্ষের তেলে শুকনো লঙ্কা, গোটা জিরে, রসুন কুচি, পেঁয়াজ কুচি ফোড়ন দিন। মিশ্রণটি ২-৩ মিনিট ভেজে নিন। এর পর এটা সেদ্ধ করে রাখা মুসুর ডালে মিশিয়ে দিন।
কালোজিরে ও মৌরি ফোড়ন
মৌরির ফোড়ন সাধারণ অরহড় ডালে দেওয়া হয়। তবে মুসুর ডালেও করতে পারেন এই ফোড়ন। প্রথমে মুসুর ডাল সেদ্ধ করে, একটি প্যানে সর্ষের তেল গরম করুন। এর মধ্যে ১/২ চামচ করে কালোজিরে ও মৌরি দিন। এর সঙ্গে দুটো শুকনো ও কয়েকটা টমেটো কুচি দিন। ভাল করে ভেজে নিয়ে মুসুর ডালের সঙ্গে মিশিয়ে দিন। অন্য রকম স্বাদ আসবে মুসুর ডালে।