
Bengali New Year Special Recipe: দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে পয়লা বৈশাখ। নতুন বছরকে বরণ করে নিতে আপামর বাঙালির প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। আর উৎসবের দিনে বাঙালির পাতে মাছ থাকবে না, এ তো ভাবাই যায় না। তবে এবার একঘেয়ে মাছের ঝোল বা কালিয়া নয়, বৈশাখী দুপুরে অতিথিদের তাক লাগিয়ে দিতে মেনুতে রাখতে পারেন এক অনন্য রাজকীয় পদ, ‘মাছের খোয়া পোলাও’। বাসমতী চালের সুগন্ধ, কাতলা মাছের স্বাদ আর খোয়া ক্ষীরের মিষ্টত্ব মিলেমিশে তৈরি এই পদটি যেমন সুস্বাদু, বানানোও তেমনই সহজ।
কী কী লাগবে?
উপকরণ গুছিয়ে নিলে কাজ অর্ধেক শেষ। লাগবে ৩০০ গ্রাম বাসমতী চাল, ৬ টুকরো কাতলা মাছ, ১ টেবিল চামচ আদা ও কাঁচালঙ্কা বাটা, ৩-৪ টেবিল চামচ গুঁড়ো খোয়া ক্ষীর, ১ চা চামচ করে হলুদ ও লঙ্কাগুঁড়ো। এ ছাড়াও লাগবে ১০ গ্রাম করে কাজু, কিশমিশ ও কাঠবাদাম, ৩-৪টি তেজপাতা, ১ চা চামচ শাহজিরে এবং বিশেষ শাহী মশলা (বড় এলাচ, জয়িত্রি ও জায়ফল গুঁড়ো)। রান্নার জন্য লাগবে ৪-৫ টেবিল চামচ ঘি, ২ টেবিল চামচ লেবুর রস, স্বাদমতো নুন-চিনি এবং সাজানোর জন্য কেশর ভেজানো দুধ ও বেরেস্তা।
রান্নার কৌশল
প্রথমে মাছের টুকরোগুলো নুন, হলুদ, লঙ্কাগুঁড়ো ও লেবুর রস দিয়ে মাখিয়ে নিন। এবার কড়াইয়ে ঘি গরম করে মাছগুলো লালচে করে ভেজে তুলে রাখুন। এর পরের ধাপে আসল জাদু। ধুয়ে রাখা চালের সঙ্গে আদা-কাঁচালঙ্কা বাটা, এলাচ-জায়ফল-জয়িত্রি গুঁড়ো, কেশর মিশ্রিত দুধ, কাজু-কিশমিশ এবং খোয়া ক্ষীর দিয়ে খুব ভালো করে মেখে নিতে হবে।
মাছ ভাজার পর কড়াইয়ে যেটুকু ঘি অবশিষ্ট থাকবে, তাতেই তেজপাতা ও শাহজিরে ফোড়ন দিন। এবার মশলা মাখানো চালটা দিয়ে মাঝারি আঁচে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে ভেজে নিন। চাল ভাজা হলে পরিমাণমতো নুন, চিনি এবং চালের ঠিক দ্বিগুণ মাপের গরম জল দিয়ে ঢাকা দিয়ে দিন। চাল যখন আধসেদ্ধ হয়ে আসবে, তখন ওপর থেকে ভাজা মাছের টুকরোগুলো সুন্দর করে সাজিয়ে দিন। আঁচ কমিয়ে আবারও ঢাকা দিয়ে দিন। চাল পুরোপুরি সেদ্ধ হয়ে ঝরঝরে হয়ে এলে ওপর থেকে বেরেস্তা ছড়িয়ে নামিয়ে নিলেই তৈরি আপনার সাধের ‘মাছের খোয়া পোলাও’। গরম গরম পরিবেশন করুন নববর্ষের দুপুরে।