
Rajasthani Millet Khichri: বর্ষায় খিচুড়ি খেতে মন চায়। এই মরশুমে গরম-গরম ধোঁয়া ওঠা খিচুড়ির কোনো বিকল্প হয় না। বাঙালির চেনা চাল-ডালের খিচুড়ি তো বারংবার খাওয়া হয় তবে এবার বৃষ্টির দিনে শরীর চনমনে ও গরম রাখতে এবং জিভের স্বাদ বদলাতে ট্রাই করতে পারেন রাজস্থানের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর পদ বাজরার খিচুড়ি। বাজরা, ঘি এবং ডালের যুগলবন্দিতে তৈরি এই সাবেকি রাজস্থানি খানা স্বাদে যেমন খাসা তেমনই এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখতে সাহায্য করে। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ঐতিহ্যবাহী রাজস্থানি পদটি বানানোর সমস্ত খুঁটিনাটি তথ্য এবং সহজ প্রণালি নিচে দেওয়া হলো যা মেনে রান্না করলে স্বাদ হবে এক্কেবারে দোকানের মতো।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
এই চমৎকার পদটি তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ হিসেবে লাগবে ১ কাপ বাজরা, আধ কাপ মুগ ডাল, আধ কাপ অড়হর ডাল, ২ টেবিল চামচ ঘি, ১ চা চামচ জিরে, এক চিমটে হিং, ১ চা চামচ আদা কুচি, ২টি কাঁচালঙ্কা কুচি, আধ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, আধ চা চামচ লাল লঙ্কা গুঁড়ো, স্বাদমতো নুন, প্রয়োজনমতো জল এবং সাজানোর জন্য সামান্য ধনেপাতা কুচি। সুস্বাদু এই খিচুড়ি বানানোর জন্য প্রথমে বাজরা ভালো করে ধুয়ে নিয়ে সারা রাত বা অন্তত ৮ ঘণ্টা জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং রান্নার আগে মুগ ডাল ও অড়হর ডাল ভালো করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিতে হবে।
রান্নার পদ্ধতি
প্রথমে একটি প্রেসার কুকারে ঘি গরম করে তাতে জিরে ও হিং ফোড়ন দিয়ে আদা কুচি এবং কাঁচালঙ্কা কুচি যোগ করে সামান্য ভেজে নিতে হবে। এরপর কুকারের মধ্যে হলুদ গুঁড়ো দিয়ে আগে থেকে ভিজিয়ে রাখা বাজরা এবং দুই ধরনের ডাল ঢেলে দিয়ে সমস্তটা ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার স্বাদমতো নুন ও লাল লঙ্কা গুঁড়ো দিয়ে প্রয়োজনমতো জল ঢেলে প্রেসার কুকারের ঢাকনা বন্ধ করে দিতে হবে এবং মাঝারি আঁচে ৫ থেকে ৬টি সিটি পড়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কুকারের প্রেসার সম্পূর্ণ বেরিয়ে গেলে ঢাকনা খুলে খিচুড়ি ভালোভাবে নেড়ে নিতে হবে এবং ঘনত্ব ঠিক করার জন্য প্রয়োজনে সামান্য গরম জল মেশানো যেতে পারে। সবশেষে ওপর থেকে আরও এক চামচ খাঁটি ঘি ছড়িয়ে এবং ধনেপাতা কুচি দিয়ে সাজিয়ে নিলেই তৈরি গরম-গরম রাজস্থানি বাজরার খিচুড়ি যা দই, পাপড়, আচার বা যেকোনো ভাজা সবজির সঙ্গে পরিবেশন করলে খেতে সবচেয়ে খাসা লাগে।