
Weight Loss Tips: ওজন কমানোর জন্য আমরা নানা উপায় অবলম্বন করি। ডায়েট করা, নিয়মিত জিমে যাওয়া এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস আমাদের নিয়মিত রুটিন হয়ে যায়। অনেকেই শুরুতে তাদের খাদ্যতালিকা থেকে রুটি বাদ দিয়ে দেন। তবে, বিশেষজ্ঞরা বলেন যে এটি সঠিক পদ্ধতি নয়। ওজন কমানোর ক্ষেত্রে মোট ক্যালোরি গ্রহণ, শারীরিক কার্যকলাপ এবং একটি সুষম খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সীমিত পরিমাণে গম, মাল্টিগ্রেইন বা বাজরার রুটি খেলে শরীর প্রয়োজনীয় ফাইবার এবং পুষ্টি পায়। এতে পেট বেশিক্ষণ ভরা খথাকে, ফলে ঘন ঘন খিদে পাওয়া প্রতিরোধ হয়। ফলে খাওয়া কম হয়। আর এতেই ওজন কমে যায়।
দিনে ক'টি রুটি খাওয়া উচিত?
উল্লেখ্য যে, ওজন কমানোর জন্য রুটির পরিমাণ ধীরে ধীরে কমানো উচিত। যদি কোনো ব্যক্তি শুরুতে দিনে তিনটি রুটিখান, তবে তার উচিত তা কমিয়ে প্রথমে দুটি এবং তারপর একটি করার চেষ্টা করা। তারা আরও জোর দেন যে ওজন কমানোর সময় খাদ্যতালিকায় প্রচুর পরিমাণে সালাদ এবং সবুজ শাকসবজি অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। খাদ্যতালিকার প্রায় ৯০ শতাংশ স্যালাড, শাকসবজি এবং স্বাস্থ্যকর খাবার দিয়ে গঠিত হওয়া উচিত, যেখানে রুটিমাত্র ১০ শতাংশে গ্রহণ করা যেতে পারে।
ওজন কমানোর জন্য প্রোটিনও অপরিহার্য
সঠিক পরিমাণে রুটির পাশাপাশি প্রোটিন গ্রহণের দিকেও মনোযোগ দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রোটিন পেশীশক্তিশালী করতে এবং চর্বি কমাতে সাহায্য করে। যারা কম সক্রিয়, তাদের জন্য প্রতি কেজি শরীরের ওজনের জন্য ১.২ থেকে ১.৫ গ্রাম প্রোটিন উপযুক্ত বলেমলে করা হয়। যারা জিমে ওয়ার্কআউট করেন বা শক্তি প্রশিক্ষণে অংশ নেন, তাদের জন্য প্রতি কেজি শরীরের ওজনের জন্য ১.৬ থেকে ২.২ গ্রাম প্রোটিন গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। সুতরাং, সঠিক খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করে, নিয়মিত ব্যায়াম করে এবং পরিমিত পরিমাণে রুটি খেয়ে সহজেই ওজন নিয়ন্ত্রণ করা যায়।