Advertisement

ভ্যাপসা গরমে শরীরকে বানায় AC, এই খাবার ঠান্ডা রাখার অব্যর্থ দাওয়াই

গরমে আমাদের শরীরে পিত্ত দোষ বেড়ে যায়। যার ফলে পেটের সমস্যা, ত্বকের র‍্যাশ এবং সারাক্ষণ মেজাজ খিটখিটে থাকার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময় এমন কিছু খাবার বেছে নিতে হবে যা প্রকৃতিগতভাবে শীতল। আপনার রান্নাঘরেই লুকিয়ে আছে সেই আরামের চাবিকাঠি।

ভ্যাপসা গরমে শরীরকে বানায় AC, এই খাবার ঠান্ডা রাখার অব্যর্থ দাওয়াইভ্যাপসা গরমে শরীরকে বানায় AC, এই খাবার ঠান্ডা রাখার অব্যর্থ দাওয়াই
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 01 May 2026,
  • अपडेटेड 11:13 PM IST

আকাশ থেকে যেন আগুন ঝরছে। দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ, তপ্ত রোদে প্রাণ ওষ্ঠাগত আমজনতার। এই অবস্থায় বাজারচলতি নরম পানীয় বা বরফ জল খেয়ে সাময়িক স্বস্তি মিললেও, শরীরের ভেতরকার ‘পিত্ত’ কিন্তু ঠান্ডা হচ্ছে না। আয়ুর্বেদ বলছে, রোদের তেজ থেকে বাঁচতে কেবল এসি ঘর নয়, নজর দিতে হবে পাতের খাবারেও।

গরমে আমাদের শরীরে পিত্ত দোষ বেড়ে যায়। যার ফলে পেটের সমস্যা, ত্বকের র‍্যাশ এবং সারাক্ষণ মেজাজ খিটখিটে থাকার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময় এমন কিছু খাবার বেছে নিতে হবে যা প্রকৃতিগতভাবে শীতল। আপনার রান্নাঘরেই লুকিয়ে আছে সেই আরামের চাবিকাঠি।

শসা এবং তরমুজ
তালিকায় প্রথমেই রাখা হয়েছে শসা এবং তরমুজকে। গরমে শরীরের জলশূন্যতা রুখতে এদের জুড়ি মেলা ভার। শসায় থাকা জলীয় উপাদান শরীরকে ভেতর থেকে আর্দ্র রাখে। অন্যদিকে, তরমুজ কেবল তৃষ্ণা মেটায় না, বরং রোদে পোড়া ত্বকের জেল্লা ফেরাতেও সাহায্য করে। বিকেলের জলখাবারে এগুলি রাখা এখন দস্তুর।

ডাব বা নারকেলের জল
ভ্যাপসা গরমে ডাব বা নারকেলের জল যেন অমৃত। এর মধ্যে থাকা ইলেকট্রোলাইট শরীরের প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখে। আয়ুর্বেদ মতে, ডাবের জল কেবল পিপাসা মেটায় না, এটি লিভার এবং কিডনির কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরকে বিষমুক্ত বা ডিটক্স করতে দারুণ কার্যকর। প্রতিদিন সকালে একটি ডাব শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।

টক দই বা ঘোল
টক দই বা ঘোল এই সময়ের মহৌষধ। তবে সাবধান, খুব বেশি চিনি দিয়ে মিষ্টি লস্যি খাওয়ার চেয়ে বিটনুন এবং জিরে গুঁড়ো মেশানো পাতলা ঘোল বা ‘ছাস’ অনেক বেশি উপকারী। এটি হজমশক্তি বাড়ায় এবং পেট ঠান্ডা রাখে। দুপুরের ভাতের পাতে সামান্য দই রাখলে পিত্তের প্রকোপ অনেকটাই কমে যায়।

মশলাদার খাবার
মশলাদার খাবারকে এই ক’দিন ‘নৈব নৈব চ’। আয়ুর্বেদ বলছে, বেশি ঝাল বা ভাজাভুজি শরীরের অগ্নি বাড়িয়ে দেয়। তার বদলে মৌরি ভেজানো জল কিংবা রান্নায় ধনে পাতার ব্যবহার বাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। মৌরি ভেজানো জল খেলে বুক জ্বালা বা অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় নিমেষেই।

Advertisement

পুদিনা পাতা
পুদিনা পাতা এই গরমে আপনার প্রিয় বন্ধু হতে পারে। সাধারণ লেবুর শরবতে কয়েকটা পুদিনা পাতা কুচিয়ে দিলে তার স্বাদ যেমন বাড়ে, তেমনই এটি শরীরের তাপমাত্রা নিমেষে কমিয়ে দেয়। এ ছাড়া লাউ বা চালকুমড়োর মতো জলীয় সবজি বেশি করে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বৈদ্যরা।

সবশেষে বলা হচ্ছে জীবনযাত্রার কথা। দুপুরের কড়া রোদে বেরোনো এড়িয়ে চলাই ভালো। আর যদি বেরোতেই হয়, তবে সঙ্গে রাখুন সুতির হালকা পোশাক এবং ছাতা। মনে রাখবেন, সঠিক খাদ্যাভ্যাস আর আয়ুর্বেদের এই ছোট ছোট টোটকাই পারে আগুনের হলকা থেকে আপনাকে স্বস্তি দিতে।
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement