Advertisement

Blood Kick Addiction: নিজের রক্তই বের করে ফের শরীরে ঢোকাচ্ছে, নতুন নেশা 'ব্লাড কিক', জানালেন ডাক্তারেরা

এ এক অদ্ভুত নেশা। নাম 'ব্লাড কিক'। এই নেশার ফাঁদে পড়ে নিজের শরীর থেকে রক্ত বের করে নিচ্ছেন কিছু ব্যক্তি। আবার সেটাই ইনজেক্ট করছেন। আর এমন ঘটনা ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপালে।

ব্লাড কিক অ্যাডিকশনব্লাড কিক অ্যাডিকশন
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 16 Apr 2026,
  • अपडेटेड 12:23 PM IST
  • এ এক অদ্ভুত নেশা, নাম 'ব্লাড কিক'
  • এই নেশার ফাঁদে পড়ে নিজের শরীর থেকে রক্ত বের করে নিচ্ছেন কিছু ব্যক্তি
  • আবার সেটাই ইনজেক্ট করছেন

এ এক অদ্ভুত নেশা। নাম 'ব্লাড কিক'। এই নেশার ফাঁদে পড়ে নিজের শরীর থেকে রক্ত বের করে নিচ্ছেন কিছু ব্যক্তি। আবার সেটাই ইনজেক্ট করছেন। আর এমন ঘটনা ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপালে।

সেখানে গান্ধী মেডিক্যাল কলেজে এমন ৫টি কেস সামনে এসেছে। এই সব রোগীদের বয়স ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী। আর তাঁরা প্রত্যেকেই এই ব্লাড কিক নেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। 

এই সব রোগীর পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, এঁরা সবাই অদ্ভুত আচরণ করতেন। তাঁরা কথায় কথায় রেগে যেতেন। তাঁদের আচরণে ছিল অস্থিরতা। এহেন আচরণ দেখেই তাঁদের নিয়ে হাসপাতালে যোগাযোগ করে পরিবার। তারপর জানা যায় এই নতুন নেশার কথা। 

কেন এই নেশা? 
এটাকে বিহেভিয়ারাল অ্যাডিকশন বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁদের মতে, রক্ত টানার সময় যেই ব্যথা হয় এবং তারপর যেই ধরনের অনুভুতি হয়, সেটাই এঁদের আনন্দ দেয়। এখানে আলাদা করে কোনও নেশা নেই। বরং এটা নেশার একটা ভ্রান্তি। আর এই ট্রেন্ড এখন বাড়ছে। 

কী হতে পারে? 
এই বিষয়টি সম্পর্কে কলকাতার বিশিষ্ট প্যাথোলজিস্ট ডা: উৎসব দাস বলেন, 'এভাবে নিজের শরীর থেকে ব্লাড টানা এবং পুশ করা ঠিক নয়। এর থেকে রক্তের সংক্রমণ বা সেপসিস হতে পারে। এটা ভয়ঙ্কর অসুখ। এছাড়া নিডলের সংক্রমণের জন্য এইচআইভি, হেপাটাইটিসের মতো জটিল অসুখও নিতে পারে পিছু। পাশাপাশি একাধিক অঙ্গ বিপদে পড়তে পারে। হতে পারে বিপজ্জনক অ্যানেমিয়াও। তাই সাবধান থাকতে হবে। ভুলেও এই নেশা করা যাবে না।'

একই মত দিলেন কলকাতার বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা: রুদ্রজিৎ পাল। তাঁর মতে, এটা কোনও সাধারণ নেশা নয়। এটা সর্বনাশা নেশা। এটা বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।

তিনি বলেন, 'রক্তের মধ্যে এমন কিছু থাকে না, যাতে নেশা হয়। এর সঙ্গে মানসিক কোনও ভ্রান্তি জড়িয়ে থাকতে পারে। তাই কিছু যুবক-যুবতী এটা করে থাকতে পারেন। তবে এর সঙ্গে নেশার সত্যিই কোনও যোগ নেই। যতদূর জানতে পারলাম এই নেশা যাঁরা করছে, তাঁদের মানসিক কোনও সমস্যা ছিল।'

Advertisement

সমস্যা সমাধানে কী করবেন? 
দুই চিকিৎসকের মতে, এই ধরনের নেশা করা একবারেই উচিত নয়। আর যদি একান্তই শুরু করে থাকেন, তাহলে চিকিৎসকের সাহায্য নিন। তিনিই নেশা মুক্তির পথ দেখাতে পারবেন। 

বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা হয়েছে। কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই নিজের চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement