
হুট করে বদলে গিয়েছে আবহাওয়া। ভোর এবং রাতের দিকে বেশ ঠান্ডা লাগছে। আর এমন সময় বাড়ির বয়স্ক মানুষদের একটু সাবধানে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা: রুদ্রজিৎ পাল। তাঁর মতে, এই হাওয়া বদলের সময় শ্বাসকষ্ট, জ্বর, সর্দি, কাশি ও ব্যথার সমস্যা বাড়তে পারে। তাই আগেভাগে সাবধান হতে হবে।
সুতরাং আর সময় নষ্ট নয়, বরং এই সময় কোন কোন দিকে নজর রাখা জরুরি, সেটা জেনে নিন।
শ্বাসকষ্ট নিয়ে সাবধান
সিজন চেঞ্জের সময় শ্বাসকষ্টের সমস্যা বাড়তে পারে। বিশেষত, বয়স্কদের মধ্যে সমস্যার আশঙ্কা বেশি। তাই যাঁদের অ্যাজমা রয়েছে, তাঁরা অবশ্যই নিজের ইনহেলার নিন। প্রয়োজনে নিজের চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে ডোজ বাড়িয়ে নিতে পারেন। তাতেই মিটে যাবে সমস্যা।
এছাড়া কালীপুজোয় বাজির থেকে দূরে থাকতে হবে। ওই দিন বাজির ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্ট বাড়তে পারে। তাই এই সময়টা অবশ্যই ঘরে থাকার চেষ্টা করুন। শ্বাসকষ্ট হওয়ার আগেই ইনহেলার নিয়ে নিন।
এই সময় যাঁরা মর্নিং ওয়াকে যাচ্ছেন, তাঁরা গা-হাত-পা ঢাকা জামাকাপড় পরুন। শীত বাড়লে শীতপোশাক পরতে হবে। তাহলেই সমস্যা হবে না।
ভাইরাসের প্রভাব বাড়ছে
ওয়েদার বদলে যাচ্ছে। আর এই সময় বাড়ছে ভাইরাসের দাপট। তাই সুস্থ থাকতে চাইলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ইনফ্লুয়েঞ্জা ও নিউমোনিয়ার টিকা নিন। এটাই হল প্রথম কাজ।
এছাড়া বাইরে বেরনোর সময় অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। তাহলে ভাইরাস সহজে বিপদে ফেলতে পারবে না।
আর যদি একান্তই জ্বর, সর্দি, কাশি হয়, তাহলে ফেলে না রেখে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তিনি যা যা ওষুধ দেবেন, সেগুলি খান। করে নিন প্রয়োজনীয় টেস্ট। নইলে বিপদ বাড়তে পারে।
ব্যথা নিয়ে সাবধান
ধীরে ধীরে ঠান্ডা পড়ছে। যার জন্য ব্যথা বাড়তে পারে। তাই এই সময় প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে ব্যথার ওষুধের ডোজ বাড়িয়ে নিতে পারেন। সেই সঙ্গে দিতে পারেন গরম সেক।
আর সুস্থ থাকবে অবশ্যই নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। এই কাজটা করলে ব্যথা-বেদনা থেকে সুস্থ থাকতে পারবেন।
জল খান পর্যাপ্ত
এই সময় অনেকেই জল খাওয়া কমিয়ে দেন। আর সেটাই বিপদ বাড়ায়। একাধিক রোগ ডেকে আনে। তাই শীতেও পরিমিত জল খেতে হবে। তাহলেই রোগের ফাঁদে পড়বেন না।
বিদ্র: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র একটা অনুমান দেওয়ার জন্য লেখা হয়েছে। এর বাস্তব প্রতিফলন যে ঘটবেই, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই।