Advertisement

Conjunctivitis Eye Infection: বর্ষায় কনজাঙ্কটিভাইটিস ভোগালে কোন ওষুধ সেফ? জানালেন নামী চোখের ডাক্তার

বর্ষায় কনজাঙ্কটিভাইটিস নিয়ে সাবধান হতে হবে। এই রোগ একবার ধরলে কিন্তু বিপদ। সেক্ষেত্রে এর লক্ষণ এবং চিকিৎসা সম্পর্কে দ্রুত জেনে নিন বিশিষ্ট চিকিৎসকের কাছ থেকে।

কনজাঙ্কটিভাইটিসকনজাঙ্কটিভাইটিস
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 04 Aug 2026,
  • अपडेटेड 12:25 PM IST
  • বর্ষায় কনজাঙ্কটিভাইটিস নিয়ে সাবধান হতে হবে
  • এই রোগ একবার ধরলে কিন্তু বিপদ
  • এর লক্ষণ এবং চিকিৎসা সম্পর্কে দ্রুত জেনে নিন বিশিষ্ট চিকিৎসকের কাছ থেকে

(লিখছেন এক নামী বেসরকারি চোখের হাসপাতালের এক্সটার্নাল ডিজিজেস ও ক্যাটাব়্যাক্ট বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা: আদিত্য প্রধান)

এখন বাংলায় ঘোর বর্ষা। রোজই নিয়ম করে বৃষ্টি হচ্ছে। আর এমন সময় বিভিন্ন জীবাণুর প্রকোপও বেড়ে যায়। এগুলি চোখে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষত, ভোগায় কনজাঙ্কটিভাইটিস। তাই এই সময় রোগটা নিয়ে সাবধান থাকতে হবে। 

কনজাঙ্কটিভাইটিস কী? 
কনজাঙ্কটিভাইটিস হল কনজাঙ্কটিভা বা চোখের পাতার ভেতরের আবরণ এবং চোখের সাদা অংশকে ঢেকে রাখা স্বচ্ছ পর্দার প্রদাহ। বর্ষাকালে এই রোগের প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। আর ভাইরাল জ্বরের মতো এটিও একটি সংক্রামক সংক্রমণ। 

তাই কয়েকটি লক্ষণ দেখলেই সাবধান হন-

  • হঠাৎ চোখ লাল হয়ে যাওয়া
  • চোখ দিয়ে জল পড়া
  • চোখে ব্যথা
  • আঠালো বা তরল ধরনের উপাদান তৈরি হওয়া 

চোখ এই অসুখে আক্রান্ত হলে অনেকেরই মনে হতে পারে যেন চোখে বালি বা অন্য কোনও ছোট কণা ঢুকে রয়েছে। কখনও কখনও কর্নিয়ার চারপাশে রক্তের ছোট ছোট জমাট দাগ দেখা যেতে পারে।

এই রোগের ক্ষেত্রে সাধারণত প্রথমে একটি চোখ আক্রান্ত হয়। পরে মাধ্যমে অন্য চোখেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

কী কী জটিলতা দেখা যেতে পারে?
এই রোগ কর্নিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে আলো সহ্য করতে অসুবিধা (ফোটোফোবিয়া), তীব্র ঝলকানি, ব্যথা এবং আলোর চারপাশে রঙিন বলয় (কালার্ড হ্যালোস) দেখার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

কেন হয়?
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি ভাইরাসজনিত সংক্রমণের কারণে হয়। এই সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আগে জ্বর থাকতে পারে। 

সেরে উঠতে কত দিন সময় লাগতে পারে?
সাধারণত ১ সপ্তাহের মধ্যে এই সমস্যা সেরে যায়। তবে কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা ১৪ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

তবে এই রোগ নিয়ে চুপচাপ বসে থাকবেন না। বরং বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। কারণ, কিছু ক্ষেত্রে এই সংক্রমণ মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। 

এই সময় আর্টিফিসিয়াল টিয়ার ব্যবহার করা যায়। এটাই একমাত্র সেফ ওষুধ। সেই সঙ্গে ঠান্ডা সেঁক দিলে উপসর্গ অনেকটাই কমে। 

কিন্তু চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বাজারে সহজলভ্য স্টেরয়েড বা স্টেরয়েড-অ্যান্টিবায়োটিক আই ড্রপ কখনও ব্যবহার করা উচিত নয়। এর ফলে চোখের বড়সড় ক্ষতি হতে পারে।

Advertisement

কনট্যাক্ট লেন্স নিয়ে সাবধান
যাঁরা কনট্যাক্ট লেন্স ব্যবহার করেন, তাঁদের চিকিৎসকের অনুমতি না পাওয়া পর্যন্ত লেন্স ব্যবহার করবেন না। নইলে বাড়তে পারে বিপদ। এছাড়া একই পরিবারের একাধিক আক্রান্ত ব্যক্তি একই আই ড্রপ ব্যবহার করবেন না।

যেহেতু চোখ থেকে বেরিয়ে আসা তরল অত্যন্ত সংক্রামক, তাই রোগীর আলাদা তোয়ালে, বিছানার চাদর, রুমাল ইত্যাদি ব্যবহার করা উচিত।
বিদ্র: এটা একটি সাধারণ প্রতিবেদন। কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনও চিকিৎসা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement