Advertisement

COVID High Risk Groups: নতুন করে কোভিডে কারা ভুগতে পারেন? জানালেন নামী ডাক্তার

বাড়ছে কোভিড। অনেকেই আক্রান্ত। মৃত্যুও হয়েছে কিছু জনের। কারা বেশি সাবধান থাকবেন? জানিয়ে দিলেন বিশিষ্ট ডাক্তার।

কোভিডের ঝুঁকি কাদের বেশি?কোভিডের ঝুঁকি কাদের বেশি?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 25 Jul 2026,
  • अपडेटेड 1:10 PM IST
  • বাড়ছে কোভিড
  • মৃত্যুও হয়েছে কিছু জনের
  • কারা বেশি সাবধান থাকবেন?

ভারতে ফের বাড়ছে কোভিড ১৯ সংক্রমণ। ইতিমধ্যেই একাধিক রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে ইনফেকশন। আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত গতিতে বাড়ছে। এমনকী করোনভাইরাসের ফাঁদে পড়ে কয়েক জনের মৃত্যু হয়েছে বলেও খবর। আর এমন পরিস্থিতিতে আবার বাংলার মানুষকেও একটু সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। মেনে চলতে বলছেন সেই পুরনো নিয়ম। 

আর সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হতেই সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে চিন্তা বাড়ছে। তাঁদের মনে জড়ো হচ্ছে একাধিক প্রশ্ন। আর সেই প্রশ্নটা হল, কোভিড থেকে কাদের বিপদ বেশি? কাদের বেশি সতর্ক থাকতে হবে? আর সেই উত্তরটাই দিলেন বিশিষ্ট পালমোনোলজিস্ট ডা: সন্দীপ জৈন। 

কাদের কোভিড ১৯ থেকে বিপদ বেশি? 
ডা: জৈন বলেন, 'সিওপিডি, অ্যাজমা, ডায়াবেটিস, কিডনির অসুখ, ক্য়ান্সারের মতো একাধিক জটিল রোগে ইমিউনিটি কম থাকে। তাই এই সব অসুখে আক্রান্তদের একটু বেশি সাবধানে থাকতে হবে। নইলে বিপদ বাড়বে। সহজেই ফাঁদে ফেলতে পারে করোনাভাইরাস।' এছাড়া বয়স্ক মানুষদেরও আলাদা করে সাবধান হওয়ার পরামর্শ দিলেন তিনি।

সকলেই সাবধানে থাকতে হবে
যদিও শুধু কোনও রোগ থাকলেই নয়, যে কোনও সাধারণ মানুষেরই কোভিড হতে পারে বলে জানিয়ে দিলেন এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। তাই তিনি সকলকেই এখন একটু সাবধানে থাকার পরামর্শ দিলেন। 

ঠিক কী কী সাবধানতা নিতে হবে? 
ডা: জৈন জানালেন, সেই পুরনো সব নিয়মই মেনে চলতে হবে। পরতে হবে মাস্ক। সেই সঙ্গে নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে। স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। এড়িয়ে চলতে হবে ভিড়। 

এছাড়া বাড়িতে কারও সর্দি, কাশি হলে এখন আলাদা থাকাই ভাল বলে জানালেন তিনি। তাতে রোগটা দ্রুত ছড়াতে পারবে না। 

কোভিড হলে কী করবেন?
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে সাধারণ ফ্লুয়ের মতোই উপসর্গ দেখা যায়। সেক্ষেত্রে জ্বর, সর্দি, কাশির পাশাপাশি শ্বাসকষ্ট শুরু হলেই সাবধান হতে হবে। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তিনিই রোগ থেকে সেরে ওঠার পথ দেখাবেন বলে দাবি করলেন ডা: জৈন। 

Advertisement

চিকিৎসা কী? 
সাধারণত জ্বরের সমস্যা প্যারাসিটামল খেলেই কমে যায়। আর কোনও ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। তবে শ্বাসকষ্ট হলে বা অন্য কোনও সমস্যা হলে চিকিৎসক কিছু ওষুধ দিতে পারেন। 

বিদ্র: এটা একটি সাধারণ প্রতিবেদন। কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনও চিকিৎসা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

Read more!
Advertisement
Advertisement