
ডায়াবেটিস একটি জটিল অসুখ। আর এই রোগে আক্রান্ত হলে প্রথম থেকেই কন্ট্রোল করতে হবে। নইলে শরীরের হাল বিগড়ে যেতে সময় লাগবে না। বিপদে পড়বে কিডনি, হার্ট, নার্ভের মতো অঙ্গ।
যদিও মুশকিল হল, অনেক ডায়াবেটিস রোগী জানেনই না যে তাঁদের শরীরে বাসা বেঁধেছে অসুখটি। কিন্তু ভিতরে ভিতরে শরীরের বড় ক্ষতি হয়ে যায়।
তাই বিশেষজ্ঞরা সাবধান হতে বলেন। ডায়াবেটিসের কিছু অবহেলিত লক্ষণ সম্পর্কে জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেন তাঁরা। তাই ঝটপট সেই সব উপসর্গ সম্পর্কে জেনে নিন। এমন কিছু দেখলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
অহেতুক ক্লান্তি
কাজ করলে ক্লান্ত লাগবেই। এর মধ্যে কোনও সমস্যা নেই। যদিও অনেকের কাজ না করেও ক্লান্ত লাগে। আর এটাই বড় বিপদের কারণ। তাই বারবার ক্লান্ত লাগলে অবশ্যই সুগার টেস্ট করতে হবে। সেখানে কিছু ভুলভাল দেখলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। নইলে বিপদ বাড়বে।
বারবার ইনফেকশন
আপনার কি বারবার ইনফেকশন হয়? তাহলে সাবধান হন। কারণ, এটাও হতে পারে ডায়াবেটিসের লক্ষণ।
আসলে সুগার রোগীদের ইমিউনিটি থাকে কম। তাই তাঁরা বারবার ইনফেকশনে ভুগতে থাকেন। সুতরাং ত্বকের ইনফেকশন, ইউরিন ইনফেকশন বা যে কোনও ধরনের ইনফেকশন বারবার হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ত্বকের রঙে বদল
আপনার ঘাড়ে কি কালো রঙের প্যাচ রয়েছে?ত্বক কি খুব ড্রাই লাগছে? ত্বক বারবার চুলকাচ্ছে? তাহলে সুগার টেস্ট করে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ, এই ধরনের সমস্যার পিছনেও থাকতে পারে ডায়াবেটিসের লক্ষণ। তাই এমনটা হলেই সাবধান হন।
ক্ষত শোকাতে দেরি
সাধারণ মানুষের শরীর কেটে গেলে তা নিজের থেকেই শুকিয়ে যায়। তবে ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের সমস্যা হতে পারে। তাঁদের কিছুতেই ক্ষত শোকাতে চায় না। তাই এমন পরিস্থিতিতে সাবধান হন। সুগার টেস্টটা দ্রুত করে নিন। নইলে বিপদ বেড়ে যাবে।
হুট করে ওজন কমা
অনেকেরই সুগার লেভেল হুট করে কমে যায়। আর এটাই বিপদের বিষয়। এর পিছনেও থাকতে পারে ডায়াবেটিস। তাই কোনও কারণ ছাড়া ওজন কমতে শুরু করলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। নইলে বিপদ বাড়বে বই কমবে না।
পরিশেষে বলি, ডায়াবেটিস ধরা পড়লে চুপচাপ বসে থাকবেন না। বরং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তাহলেই সমস্যা মিটবে।
বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা হয়েছে। কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই নিজের চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।