Advertisement

Texting Thumb: বুড়ো আঙুল হঠাত্‍ অবশ, ব্যথাও, টেক্সটিং থাম্ব নয় তো? লক্ষণ ও চিকিৎসা জানালেন ডাক্তার

টেক্সটিং থাম্ব এমন একটি সমস্যা, যেখানে মোবাইলে অত্যধিক স্ক্রল করার জন্য বা গেম খেলার জন্য বুড়ো আঙুলের টেন্ডনে ইনফ্লামেশন বা প্রদাহ হয়। এর ফলে খুব ব্যথা করে। বিষয়টা নিয়ে লিখছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক।

টেক্সটিং থাম্বটেক্সটিং থাম্ব
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 13 Apr 2026,
  • अपडेटेड 5:30 PM IST
  • মোবাইলে অত্যধিক স্ক্রল করার জন্য বা গেম খেলার জন্য বুড়ো আঙুলের টেন্ডনে ইনফ্লামেশন বা প্রদাহ হয়
  • এর ফলে খুব ব্যথা করে
  • বিষয়টা নিয়ে লিখছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক

(লিখছেন বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা: রুদ্রজিৎ পাল)
কিশোরের প্রাণ মোবাইল। এই যন্ত্র ছাড়া তাঁর সময় কাটে না। সারাদিন মোবাইল স্ক্রিনে ফেসবুক, ইনস্টা স্ক্রল করে এবং হোয়াটস অ্যাপে মেসেজ করাটাই তাঁর অভ্যাস। 

তবে এহেন কিশোরই কিছুদিন ধরে একটা সমস্যায় ভুগছে। তাঁর হাতের বুড়ো আঙুলে ব্য়থা করছে। বুড়ো আঙুলের জয়েন্টে হচ্ছে ব্যথা। জায়গাটা টনটন করছে। কোনও কোনও সময় অবশ হয়ে আসছে। এই সমস্যা কিছুদিন চলার পর কিশোর আমার কাছে আসে। আমি তাঁর সমস্যার কথা শুনি। অভ্যাস সম্পর্কে জেনে নিই। তারপর সিদ্ধান্তে আসি যে কিশোরের টেক্সটিং থাম্ব হয়েছে।

আর সত্যি বলতে, শুধু কিশোর নয়, এই সমস্যা এখন অনেকেরই হচ্ছে। কম বয়সী থেকে বেশি বয়সী, সকলেরই হচ্ছে এহেন সমস্যা। তাই আজ টেস্টকিং থাম্ব নিয়েই আলোচনা করব। 

সমস্যাটা কী? 
টেক্সটিং থাম্ব এমন একটি সমস্যা, যেখানে মোবাইলে অত্যধিক স্ক্রল করার জন্য বা গেম খেলার জন্য বুড়ো আঙুলের টেন্ডনে ইনফ্লামেশন বা প্রদাহ হয়। এর ফলে খুব ব্যথা করে।

কী কী লক্ষণ দেখা যেতে পারে? 

  • সারাদিন ধরে বুড়ো আঙুলে ব্যথা হতে পারে
  • এমনকী কবজিতে ব্যথা হওয়ারও রয়েছে আশঙ্কা
  • যন্ত্রণাটা ধীরে ধীরে উপরের দিকে ছড়িয়ে যেতে পারে
  • অনেক সময় জায়গাটা অবশ হয়ে যায়
  • সমস্যাটা গড়িয়ে গেলে কিছু চেপে ধরতেও সমস্যা হতে পারে

কাদের বেশি হয়? 
যে কোনও মানুষের এই সমস্যা হতে পারে। তবে যাঁরা মোবাইলে বেশি স্ত্রল করেন বা গেম খেলেন, তাঁদেরই বিপদে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বেশি। সুতরাং সাবধান হন। 

চিকিৎসা কী? 
এই রোগের প্রধান চিকিৎসা হল মোবাইল ব্যবহার কমানো। এই কাজটা করলেই সমস্যাটা অনেকটা কমে যেতে পারে। তাই সবার প্রথমে একনাগাড়ে মোবাইল ব্যবহারে অভ্যাস ছাড়তে হবে। 

এছাড়া কিছু পেইনকিলার খেতে হবে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে। ডাক্তার চাইলে প্রদাহ কমানোর ওষুধও দিতে পারেন। এমনকী অনেক সময় জয়েন্টে ইঞ্জেকনশ দেওয়ার পরামর্শও দিতে পারেন। পাশাপাশি নিয়মিত জায়গাটাতে বরফ দিতে হবে। তাহলেই খেলা ঘুরে যাবে। 

প্রতিরোধে জোর দিন
সবার প্রথমে মোবাইল ব্যবহার কমাতে হবে। দিনে ১ ঘণ্টার বেশি মোবাইল না ব্যবহার করাই ভালো। আর একনাগাড়ে ১৫ মিনিটের বেশি এই যন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না। 

Advertisement

যাঁরা গেম খেলছেন, তাঁরা সাবধান হন। বেশি সময় ধরে খেলবেন না। ব্যাস, এই কয়েকটি নিয়ম মেনে চললেই উপকার মিলবে হাতেনাতে। 

বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা হয়েছে। কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই নিজের চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement