Advertisement

Egg in Summer: এই গরমে ডিম খাওয়া উচিত? খেলে দিনে কটা, সঠিকটা জানুন

Egg in Summer: পুষ্টি ও প্রোটিনে ভরপুর হলেও গ্রীষ্মকালে ডিম খাওয়া উচিত কি না, তা নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় থাকেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক এই সময়ে ডিম খাওয়ার সঠিক উপায়।

এই  গরমে প্রতিদিন ডিম খাওয়া কতটা নিরাপদ? এই গরমে প্রতিদিন ডিম খাওয়া কতটা নিরাপদ?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 27 Apr 2026,
  • अपडेटेड 11:10 AM IST

Egg in Summer : ভারতের অনেক অংশে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির উপরে উঠে গেছে এবং সকাল ৭টা থেকেই গরম অনুভূত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে, ভালো হজমশক্তি ও স্বাস্থ্য বজায় রাখতে গ্রীষ্মকালে মানুষ প্রায়শই তাদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে সতর্ক থাকেন। কিন্তু যারা প্রতিদিন ডিম খান, তারাও প্রতিদিন ডিম খাবেন কি না, তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন। ডিমকে একটি সুপারফুড হিসেবে বিবেচনা করা হলেও, এটি নিয়ে একটি বড় ভুল ধারণা প্রচলিত আছে যে এর প্রকৃতি উষ্ণ এবং গ্রীষ্মকালে এটি খেলে পেটের সমস্যা হতে পারে বা শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে। কিন্তু এটা কি আসলেই সত্যি?

হার্ভার্ড হেলথ এবং আন্তর্জাতিক গবেষণার তথ্য অনুসারে, ডিম শীতকালের মতোই গ্রীষ্মকালেও নিরাপদ, তবে একমাত্র শর্ত হলো তা সঠিকভাবে খেতে হবে। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক এই গরমের দিনে কীভাবে ডিম খাবেন।

গ্রীষ্মকালে ডিম এবং শরীরের তাপের আসল সত্য
হার্ভার্ড নিউট্রিশন সোর্স অনুসারে, ডিম ভিটামিন ডি এবং কোলিনের একটি চমৎকার উৎস। পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পানের মাধ্যমে গ্রহণ করলে, এগুলো শরীরে তাপ উৎপন্ন করে না। সাধারণত মনে করা হয় যে ডিম খেলে শরীরের তাপমাত্রা বাড়ে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন যে, ডিমে উচ্চমানের প্রোটিন এবং অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, যা হজম করতে শরীরে বেশি শক্তির প্রয়োজন হয়। এই প্রক্রিয়াটিকে খাদ্যের তাপীয় প্রভাব বলা হয়।

ডিম খাওয়ার সেরা সময় কোনটি?
অস্ট্রেলিয়া এগস -এর একটি রিপোর্টে  বলা হয়েছে, সকালে ডিম খেলে তা সারাদিন শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং ঘন ঘন ক্ষুধা লাগা প্রতিরোধ করে। তবে, গ্রীষ্মকালে দুপুর ও সন্ধ্যায় বিপাক ক্রিয়া কিছুটা ধীর হয়ে যায়, যার ফলে এই সময়ে ভারী খাবার হজম করা কঠিন হয়ে পড়ে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সকালের ব্রেকফাস্টে ডিম খাওয়ার পরামর্শ দেন।
সকালে শরীরের বিপাক ক্রিয়া সর্বোচ্চ থাকে, ফলে ডিমের প্রোটিন সহজে হজম হয়। দুপুরের কড়া রোদে বা ঘুমনোর ঠিক আগে ডিম খাওয়া এড়িয়ে চলুন, কারণ এতে অ্যাসিডিটি বা পেট ফাঁপা হতে পারে।

Advertisement

গ্রীষ্মকালে এই দুটি বিষয় মনে রাখবেন
গ্রীষ্মকালে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া। উচ্চ তাপমাত্রায় ডিম দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই, ডিম সবসময় ফ্রিজে ৪° সেলসিয়াসের কম তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করুন। এছাড়াও, গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত তেল ও মশলাযুক্ত অমলেট বা ডিমের তরকারির পরিবর্তে কম তেলে সেদ্ধ বা পোচ করা ডিম খাওয়া শ্রেয়।

শরীরে জলের মাত্রা বজায় রাখতে শসা, পুদিনা বা তাজা সবজির সালাডের সঙ্গে ডিম খান। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, একজন সুস্থ ব্যক্তি গ্রীষ্মকালেও প্রতিদিন নিরাপদে ১ থেকে ২ টি ডিম খেতে পারেন।

Read more!
Advertisement
Advertisement