Advertisement

Health News: রুটি-পরোটা খেলেই গ্যাস, পেট ফাঁপা? গ্লুটেনের সমস্যা নয় তো, জানুন পরীক্ষার উপায়

সকালের জলখাবারে পরোটা। বিকেলে চায়ের সঙ্গে বিস্কুট-কেক। সন্ধ্যায় সিঙাড়া। রাতে আটার রুটি। রবিবার সকালে লুচি।আমাদের অনেকেরই রোজের খাদ্য তালিকায় গমের তৈরি প্রচুর খাবার থাকে।

গ্লুটেনের সমস্যা নেই তো?গ্লুটেনের সমস্যা নেই তো?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 23 Oct 2026,
  • अपडेटेड 3:50 PM IST
  • অনেকেরই রোজের খাদ্য তালিকায় গমের তৈরি প্রচুর খাবার থাকে।
  • লাগাতার গ্যাস, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি হয়।
  • কেন আটা-ময়দা হজম হয় না?

সকালের জলখাবারে পরোটা। বিকেলে চায়ের সঙ্গে বিস্কুট-কেক। সন্ধ্যায় সিঙাড়া। রাতে আটার রুটি। রবিবার সকালে লুচি।আমাদের অনেকেরই রোজের খাদ্য তালিকায় গমের তৈরি প্রচুর খাবার থাকে। আর ঠিক এই কারণেই অনেকের লাগাতার গ্যাস, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি হয়। কারও কারও ক্ষেত্রে গ্লুটেন ইনটলারেন্স থেকে এমন হতে পারে। কিন্তু কেন আটা-ময়দা হজম হয় না? তার জন্য একটু ইতিহাস বুঝতে হবে।

ভারতীয়দের খাদ্যাভ্যাসে গম এল কীভাবে?
প্রত্নতাত্ত্বিকরা বলছেন সিন্ধু সভ্যতার সময়েও গম চাষ ও খাওয়া হত। তবে ভারতের সব অঞ্চলে গম প্রধান খাবার ছিল না। বাংলার মতো এলাকায় গম পাওয়া যেত না। তখন এই অঞ্চলে ভাত, ডাল, মাছ, শাকসব্জি এবং বিভিন্ন ধরনের মিলেট জাতীয় শস্যের চল ছিল। অন্য দিকে, উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ভারতে গমের রুটি বহু দিন ধরেই জনপ্রিয়। সময়ের সঙ্গে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গেও রুটি, পরোটা ও ময়দার তৈরি খাবারের প্রচলন বেড়েছে।

গ্লুটেন ইনটলারেন্স কী?
গম, বার্লি ও রাইয়ের মতো শস্যে গ্লুটেন নামে এক ধরনের প্রোটিন থাকে। কিছু মানুষের শরীর এই প্রোটিন সহ্য করতে পারে না। আবার সিলিয়াক ডিজিজ গ্লুটেন খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ক্ষুদ্রান্ত্রের ক্ষতি করতে পারে। ফলে পেটের সমস্যা ছাড়াও পুষ্টির ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

অনেকেরই রুটি বা পরোটা খাওয়ার পর গ্যাস, অ্যাসিডিটি, পেট ফাঁপা কিংবা মাথাব্যথা হয়। কিন্তু তার জন্য তেল-মশলাদার খাবার, প্রোটিন বা শাকসব্জিকে দায়ী করেন। আদতে এই উপসর্গের অন্য কারণ থাকতে পারে। আটা-ময়দাকে তাই সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সহজপাচ্য ভাবলে ভুল করবেন।

কোন পরীক্ষা করাবেন?
বার বার এমন সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সিলিয়াক ডিজিজ আছে কিনা তার ব্লাড টেস্ট হয়। রক্তে tTG-IgA এবং Total IgA পরীক্ষা করা হয়। প্রয়োজনে চিকিৎসক আরও পরীক্ষা করাতে পারেন। টেস্ট করার আগে নিজে থেকে গ্লুটেন খাওয়া বন্ধ করবেন না। তাতে রিপোর্টের ফল প্রভাবিত হতে পারে। তারপর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনুন। গমের বদলে বাজরা, রাগি,  জোয়ার জাতীয় শস্যের রুটি খান। 

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement