Advertisement

Headache Tips: মাথাব্যথা ও মাইগ্রেন কমানোর সহজ উপায়: এই নিয়ম মানলেই মিলবে আরাম

প্রায় প্রতিদিনই অনেকেই মাথাব্যথার সমস্যায় ভোগেন। কারও ক্ষেত্রে তা সাধারণ ব্যথা, আবার কারও ক্ষেত্রে মাইগ্রেনের মতো তীব্র যন্ত্রণা। কাজের চাপ, ঘুমের অভাব, গরম আবহাওয়া বা দীর্ঘক্ষণ মোবাইল-কম্পিউটারের স্ক্রিনে চোখ রাখার মতো নানা কারণে এই সমস্যা বাড়ছে।

মাইগ্রেনের ব্যথা কমানোর টোটকামাইগ্রেনের ব্যথা কমানোর টোটকা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 29 Apr 2026,
  • अपडेटेड 7:35 PM IST
  • প্রায় প্রতিদিনই অনেকেই মাথাব্যথার সমস্যায় ভোগেন।
  • কারও ক্ষেত্রে তা সাধারণ ব্যথা, আবার কারও ক্ষেত্রে মাইগ্রেনের মতো তীব্র যন্ত্রণা।
  • বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েকটি সহজ নিয়ম মেনে চললে মাথাব্যথা ও মাইগ্রেন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

প্রায় প্রতিদিনই অনেকেই মাথাব্যথার সমস্যায় ভোগেন। কারও ক্ষেত্রে তা সাধারণ ব্যথা, আবার কারও ক্ষেত্রে মাইগ্রেনের মতো তীব্র যন্ত্রণা। কাজের চাপ, ঘুমের অভাব, গরম আবহাওয়া বা দীর্ঘক্ষণ মোবাইল-কম্পিউটারের স্ক্রিনে চোখ রাখার মতো নানা কারণে এই সমস্যা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েকটি সহজ নিয়ম মেনে চললে মাথাব্যথা ও মাইগ্রেন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

প্রথমেই গুরুত্ব দিতে হবে ঘুমের উপর। নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মাথাব্যথা বাড়তে পারে। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমোতে যাওয়া এবং অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমও কমাতে হবে। দীর্ঘক্ষণ মোবাইল বা ল্যাপটপ ব্যবহার করলে চোখের উপর চাপ পড়ে, যা থেকে মাথাব্যথা শুরু হতে পারে।

খাবারেও রাখতে হবে নজর। দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকলে বা সময়মতো না খেলে মাইগ্রেনের সমস্যা বাড়তে পারে। তাই নিয়ম করে খাবার খাওয়া জরুরি। পর্যাপ্ত জল না খেলেও মাথাব্যথা হতে পারে। বিশেষ করে গরমে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে পড়লে এই সমস্যা বেড়ে যায়। তাই সারাদিনে পর্যাপ্ত জল খাওয়া খুবই প্রয়োজন।

অনেক সময় স্ট্রেস বা মানসিক চাপ থেকেও মাইগ্রেনের সমস্যা বাড়ে। তাই রোজ কিছুটা সময় নিজের জন্য রাখা দরকার। যোগব্যায়াম, মেডিটেশন বা হালকা ব্যায়াম মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। এতে মাথাব্যথাও কমে।

কিছু মানুষের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট খাবার বা গন্ধ থেকেও মাইগ্রেন ট্রিগার হতে পারে। যেমন অতিরিক্ত কফি, চকোলেট বা ঝাল খাবার অনেকের সমস্যার কারণ হয়। তাই নিজের শরীরের ট্রিগারগুলি চিহ্নিত করে সেগুলি এড়িয়ে চলা গুরুত্বপূর্ণ।

তবে ব্যথা বেশি হলে বা বারবার হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। নিজের ইচ্ছেমতো বারবার পেইনকিলার খাওয়া ঠিক নয়। এতে শরীরে অন্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, নিয়মিত জীবনযাপন, সঠিক খাবার ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম; এই তিনটি বিষয় মাথায় রাখলেই মাথাব্যথা ও মাইগ্রেন অনেকটাই কমানো সম্ভব। ছোট ছোট অভ্যাস বদলালেই মিলতে পারে বড় স্বস্তি। 

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement