
বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে দ্রুত হারে ঋতু পরিবর্তন হচ্ছে। বর্ষা ও শরতের ভ্যাপসা গরম কেটে এসেছে হেমন্তর আমেজ। আর সেই কারণে ঘরে ঘরে সর্দি-জ্বর।
এমনিতে দুর্গাপুজো যেতেই দক্ষিণবঙ্গে শীত-শীত ভাব এসে গিয়েছে। রাতে ফ্যানের স্পিড কমাতে হচ্ছে। অনেকের বাড়িতেই এসি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আবার দিনের বেলায় রোদে বের হলে গরমও হচ্ছে।
আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়। সেই কারণে এই সময়ে বেশি বেশি শরীর খারাপ হতে থাকে।
অনেকেই এই সময়টায় সর্দি, জ্বর ভাব, নাক দিয়ে জল পড়ার মতো সমস্যায় ভুগছেন। কিন্তু এর কারণ কী?
সহজ কথায়, এই সময়ে হঠাৎ করে বাতাসের আর্দ্রতা কমে যায়। সেই সঙ্গে ঠাণ্ডা বাতাস বইতে শুরু করে।
এই কারণে আমাদের শ্বাসতন্ত্রকে তা শুকিয়ে দেয়। এর ফলে তার জীবাণু আটকানোর ক্ষমতা কমে যায়।
এই বাহ্যিক কারণ গুলি আছেই। এর পাশাপাশি বদ্ধ ঘরে থাকা, অপরিচ্ছন্ন পোশাক পরলে তা প্যাথোজেনের বৃদ্ধি করতে পারে। আর সেই কারণেই এই সময়ে অ্যালার্জি, সর্দির সংখ্যা বাড়ে।
ট্রেনে-বাসে যাতায়াত, স্কুল-কলেজ-অফিসের মতো স্থানে সংক্রমণের সম্ভাবনা বাড়ে। এই স্থানগুলিতে সম্ভব হলে সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে চলুন।
রাস্তাঘাটে মাস্ক ব্যবহার করুন। কোভিডের সময়ের অভ্যাস, যেমন হাত ধোয়া, স্যানিটাইজার ব্যবহার ফিরিয়ে আনুন। অ্যালার্জি বাড়বে এমন কাজ এড়িয়ে চলুন।
নিয়মিত ৫-১০ মিনিট সূর্যের আলোয় কাটান। রোজ পাতে মরশুমি শাক-সবজি, লেবুজাতীয় ফল রাখুন।
শ্বাসনালী শুকিয়ে গেলে বেশি বেশি জল বের হয়। তাই আর্দ্রতা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত জল পান করুন।
নাকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে গরম জলের স্টিমও নিতে পারেন।
আদার অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ রয়েছে। এটি নাক দিয়ে জল পড়া রোধ করতে সাহায্য করে।