Advertisement

বর্ষায় হু হু করে চুল ঝরছে? রান্নাঘরের এই ৫ খাবারেই রয়েছে সমাধান

ঋতু পরিবর্তনের সময় অনেকেরই চুল পড়ার সমস্যা বেড়ে যায়। এ নিয়ে উদ্বেগও কম থাকে না। তবে দামী শ্যাম্পু, সিরাম বা হেয়ার ট্রিটমেন্টের আগে নজর দেওয়া উচিত দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে। কারণ, চুলের প্রকৃত পুষ্টি আসে শরীরের ভেতর থেকে। আয়রন, প্রোটিন, ভিটামিন ও প্রয়োজনীয় খনিজসমৃদ্ধ কিছু খাবার চুলের গোড়া মজবুত করতে এবং ঋতুগত চুল পড়া কমাতে সাহায্য করতে পারে।

বর্ষায় চুল ঝরার সমস্যা।-ফাইল ছবিবর্ষায় চুল ঝরার সমস্যা।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 15 Jul 2026,
  • अपडेटेड 6:47 PM IST
  • ঋতু পরিবর্তনের সময় অনেকেরই চুল পড়ার সমস্যা বেড়ে যায়।
  • এ নিয়ে উদ্বেগও কম থাকে না। তবে দামী শ্যাম্পু, সিরাম বা হেয়ার ট্রিটমেন্টের আগে নজর দেওয়া উচিত দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে।

ঋতু পরিবর্তনের সময় অনেকেরই চুল পড়ার সমস্যা বেড়ে যায়। এ নিয়ে উদ্বেগও কম থাকে না। তবে দামী শ্যাম্পু, সিরাম বা হেয়ার ট্রিটমেন্টের আগে নজর দেওয়া উচিত দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে। কারণ, চুলের প্রকৃত পুষ্টি আসে শরীরের ভেতর থেকে। আয়রন, প্রোটিন, ভিটামিন ও প্রয়োজনীয় খনিজসমৃদ্ধ কিছু খাবার চুলের গোড়া মজবুত করতে এবং ঋতুগত চুল পড়া কমাতে সাহায্য করতে পারে।

১. আমলকী
আমলকী ভিটামিন সি-এর অন্যতম সেরা উৎস। এটি শরীরে কোলাজেন তৈরিতে সাহায্য করে, যা মাথার ত্বক ও চুলের গোড়া শক্তিশালী রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। পাশাপাশি আয়রন শোষণেও সহায়তা করে। কাঁচা, রস বা আচার, যে কোনওভাবেই আমলকী খাওয়া যেতে পারে।

২. কারি পাতা
খাবার থেকে অনেকেই কারি পাতা আলাদা করে ফেলেন। অথচ এতে রয়েছে প্রচুর আয়রন ও বিটা-ক্যারোটিন। এটি মাথার ত্বকের পুষ্টি জোগায় এবং অকালে চুল পেকে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। ডাল, চাটনি, পোহা বা অন্যান্য খাবারের সঙ্গে সহজেই কারি পাতা খাওয়া যায়।

৩. কুমড়োর বীজ
কুমড়োর বীজে রয়েছে পর্যাপ্ত জিঙ্ক, যা চুলের গোড়া সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ। জিঙ্কের ঘাটতি থাকলে অনেক সময় চুল পড়ার সমস্যা বাড়তে পারে। প্রতিদিন অল্প পরিমাণ কুমড়োর বীজ সালাদ, দই বা স্মুদির সঙ্গে খেতে পারেন।

৪. সজনে পাতা
সজনে পাতা বা মরিঙ্গা আয়রন, ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি-তে সমৃদ্ধ। এটি চুলের বৃদ্ধিতে সহায়ক হওয়ার পাশাপাশি মাথার ত্বকের স্বাস্থ্যেরও উন্নতি করে। ডাল, তরকারি বা পরোটার পুর হিসেবে সজনে পাতা খাওয়া যেতে পারে।

৫. কালো তিল
আয়ুর্বেদে কালো তিলের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এতে থাকা তামা, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুলের প্রাকৃতিক রং বজায় রাখতে এবং চুলের পুষ্টি বাড়াতে সাহায্য করে। লাড্ডু, চাটনি বা সালাদের সঙ্গে কালো তিল খাওয়া যেতে পারে।

শুধু খাবার নয়, জীবনযাত্রাতেও নজর দিন
মনে রাখবেন, কোনও খাবারই রাতারাতি চুল পড়া বন্ধ করে দিতে পারে না। স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম, পর্যাপ্ত জলপান এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখাও চুলের সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Advertisement

তবে যদি দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত চুল পড়ে, মাথার ত্বকে সমস্যা দেখা দেয় বা হঠাৎ করেই চুল পাতলা হতে শুরু করে, তাহলে অবশ্যই একজন ত্বক বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement