
কালীপুজো আসতে আর বেশি দেরি নেই। দুর্গাপুজোয় বেশ হাবিজাবি খাওয়া হয়েছে। সামান্য় হলেও ওজন বেড়েছে।সময় থাকতে এই অল্প ফ্যাট কমিয়ে ফেলা কিন্তু বেশ সহজ। পরে একসঙ্গে অনেক ওজন কমানোর থেকে সহজ।উপায়ও খুব সহজ। এখন থেকেই বদল আনতে হবে রোজের খাওয়াদাওয়া ও জীবনযাপনে। তবে মনে রাখবেন, কয়েক দিনে ভুঁড়ি পুরোপুরি কমিয়ে ফেলা সম্ভব নয়। শরীরের বাড়তি মেদ ঝরাতে প্রয়োজন সময়, ধৈর্য এবং নিয়মিত অভ্যাস। কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে ওজন কমানোর পথে এগিয়ে যেতে পারেন।
১. ক্যালোরি ডেফিসিট মেনে চলুন
ওজন কমানোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হল ক্যালোরি ডেফিসিট। অর্থাৎ, দিনে শরীর যত ক্যালোরি খরচ করে, তার চেয়ে কম ক্যালোরি খাবার থেকে গ্রহণ করতে হবে। তবে তার মানে না খেয়ে থাকা নয়। বরং পরিমাণ বুঝে খাবার খেতে হবে। দীর্ঘ ক্ষণ না খেয়ে থাকা বা হঠাৎ খুব কম খাওয়ার অভ্যাস শরীরের ক্ষতি করতে পারে।
২. পাতে ফাইবারযুক্ত খাবার রাখুন
পেটের মেদ কমানোর চেষ্টা করলে খাবারে ফাইবারের পরিমাণ বাড়ানো জরুরি। শাকসব্জি, ফল, ডাল এবং গোটা শস্যে প্রচুর ফাইবার থাকে। এই ধরনের খাবার খেলে অনেক ক্ষণ পেট ভরা থাকে। ফলে বার বার খিদে পাওয়ার প্রবণতা কমতে পারে। পাশাপাশি হজমের ক্ষেত্রেও উপকার মেলে।
৩. বাড়ির রান্নায় কম তেল ব্যবহার করুন
বাইরের ভাজাভুজি, ফাস্ট ফুড বা অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবারের বদলে বাড়ির সাধারণ রান্না খান। রান্নায় তেলের পরিমাণ কমান। খাবারে সব্জি, ডাল ও প্রোটিনের ভারসাম্য রাখুন। এতে অপ্রয়োজনীয় ক্যালোরি গ্রহণ কমানো সহজ হবে।
৪. খাবারের পরিমাণের দিকে নজর দিন
ভাত, ঘি, তেল বা ময়দার খাবার একেবারে বন্ধ করার প্রয়োজন নেই। তবে কতটা খাচ্ছেন, সে দিকে নজর রাখা জরুরি। মিষ্টি, বিস্কুট, চিপস, কোমল পানীয়ের মতো প্যাকেটজাত খাবার কমান। এগুলিতে অনেক সময় অতিরিক্ত চিনি, নুন ও ক্যালোরি থাকে।
৫. হাঁটুন, শরীরচর্চা করুন
শুধু খাওয়াদাওয়ায় পরিবর্তন আনলেই হবে না। নিয়মিত হাঁটুন এবং নিজের ক্ষমতা অনুযায়ী শরীরচর্চা করুন। পর্যাপ্ত ঘুমও জরুরি। মনে রাখবেন, শুধু পেটের মেদ আলাদা করে কমানো যায় না। নিয়মিত অভ্যাসই ধীরে ধীরে ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।