Advertisement

Men Health After 40 Fitness Tips: ৪০ পেরোলেই পুরুষদের সতর্কতা জরুরি, শরীরে বদলের সময় কীভাবে থাকবেন সুস্থ?

Men Health After 40 Fitness Tips: এই বয়সে উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল এবং রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। সেগুলি নিয়ন্ত্রণে না থাকলে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের আশঙ্কা তৈরি হয়। পাশাপাশি প্রোস্টেট গ্রন্থির সমস্যা, ঘন ঘন প্রস্রাব বা প্রস্রাবে বাধা দেখা দিতে পারে।ক্যান্সারের আশঙ্কাও বাড়ে।

man health after 40man health after 40
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 21 Feb 2026,
  • अपडेटेड 11:46 PM IST

Men Health After 40 Fitness Tips: ৪০ বছরে পা দেওয়ার পর থেকেই পুরুষদের শরীরে ধীরে ধীরে একাধিক জৈবিক পরিবর্তন শুরু হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বয়সের পর টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা প্রতি বছর প্রায় ১ শতাংশ হারে কমতে থাকে। এর প্রভাব পড়ে বিপাকক্রিয়া, পেশিশক্তি, যৌনক্ষমতা এমনকি হৃদ্‌যন্ত্রের স্বাস্থ্যের উপরও। তাই ৪০-এর পর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং শরীরচর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মত চিকিৎসকদের।

টেস্টোস্টেরন কমলে কী হয়?
৪০-এর পর টেস্টোস্টেরন হ্রাসকে অনেক সময় ‘অ্যান্ড্রোপজ’ বলা হয়। এর ফলে যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ক্লান্তি, মনমরা ভাব, মনোসংযোগে সমস্যা ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে ইরেক্টাইল ডিসফাংশনের ঝুঁকিও বাড়ে।

ওজন বৃদ্ধি ও পেশি ক্ষয়
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিপাকীয় হার কমে যায়। ফলে আগের মতো খাবার খেলেও ওজন বাড়তে পারে, বিশেষ করে পেটের অংশে চর্বি জমার প্রবণতা দেখা যায়। একইসঙ্গে পেশির ঘনত্ব কমে এবং হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন

বাড়তে পারে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি
এই বয়সে উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল এবং রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। সেগুলি নিয়ন্ত্রণে না থাকলে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের আশঙ্কা তৈরি হয়। পাশাপাশি প্রোস্টেট গ্রন্থির সমস্যা, ঘন ঘন প্রস্রাব বা প্রস্রাবে বাধা দেখা দিতে পারে।ক্যান্সারের আশঙ্কাও বাড়ে। ৪০-এর পরে প্রোস্টেট ক্যান্সার ও কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের মতো রোগের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি। তাই নিয়মিত স্ক্রিনিং অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

কীভাবে থাকবেন সুস্থ?
১. নিয়মিত শরীরচর্চা:
হাঁটা, দৌড়, সাইক্লিং বা হালকা ভারোত্তোলনের মতো ব্যায়াম পেশি ও হাড় শক্ত রাখে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

২. সুষম খাদ্যাভ্যাস:
চর্বি ও অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার এড়িয়ে ফল, শাকসবজি, ডাল, মাছ, ডিম ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খান।

৩. বছরে অন্তত একবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা:
বিপি, সুগার, কোলেস্টেরল, লিভার ফাংশন এবং প্রোস্টেট পরীক্ষা করানো জরুরি।

Advertisement

৪. ধূমপান ও মদ্যপান বর্জন:
ধূমপান হৃদরোগের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়ায়। তাই যত দ্রুত সম্ভব এই অভ্যাস ত্যাগ করা উচিত।

৫. পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন:
প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম এবং মানসিক চাপ কম রাখা দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে।

চিকিৎসকদের পরামর্শ, নতুন কোনও ডায়েট বা ব্যায়াম পদ্ধতি শুরু করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত। সচেতনতা ও নিয়মিত যত্নই পারে ৫০ বা ৬০-এর পরেও শরীরকে সক্রিয় ও সুস্থ রাখতে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement