Advertisement

Sunday Anxiety: রবিবার থেকেই অফিস নিয়ে প্যানিক হয় কেন? মনোবিদ যা বললেন

ছুটির দিন। অঢেল সময়। ঘুম, আড্ডা, পছন্দের কাজ; সবই করার সুযোগ রয়েছে। অথচ রবিবার বিকেল গড়াতেই মন খারাপ হতে শুরু করে অনেকের।

রবিবার বিকেল গড়াতেই মন খারাপ হতে শুরু করে অনেকের।রবিবার বিকেল গড়াতেই মন খারাপ হতে শুরু করে অনেকের।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 01 Nov 2026,
  • अपडेटेड 6:06 PM IST
  • ঘুম, আড্ডা, পছন্দের কাজ; সবই করার সুযোগ রয়েছে।
  • অথচ রবিবার বিকেল গড়াতেই মন খারাপ হতে শুরু করে অনেকের।
  • এই অনুভূতিকে বলা হয় ‘সানডে স্কেয়ার্স’ বা ‘সানডে অ্যাংজ়াইটি’।

ছুটির দিন। অঢেল সময়। ঘুম, আড্ডা, পছন্দের কাজ; সবই করার সুযোগ রয়েছে। অথচ রবিবার বিকেল গড়াতেই মন খারাপ হতে শুরু করে অনেকের। কয়েক ঘণ্টা বাদেই আবার সেই অফিস। বসের সঙ্গে কঠিন আলোচনা। এক গাদা কাজ। রাত যত বাড়ে, অস্বস্তিও তত বাড়তে থাকে। নতুন সপ্তাহ শুরু হওয়ার আগেই অফিসের চিন্তা গ্রাস করে মনকে। মনস্তত্ত্বের ভাষায় এই অনুভূতিকে বলা হয় ‘সানডে স্কেয়ার্স’ বা ‘সানডে অ্যাংজ়াইটি’। অর্থাৎ, সোমবার আসার আগেই মন বিষণ্ণ গয়ে যায়।

রবিবার থেকেই কেন?
২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ‘ফ্রন্টিয়ার্স ইন সাইকোলজি’ পত্রিকায় প্রকাশিত একটি গবেষণায় নেদারল্যান্ডসের ২৬ জন কর্মীর অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, রবিবারের উদ্বেগ শুধু ছুটি শেষ হওয়ার মনখারাপ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে দুশ্চিন্তা, ক্লান্তি, কাজ ফেলে রাখা এবং অন্যদের থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতা। অসমাপ্ত দায়িত্ব, চাকরির অনিশ্চয়তা, কর্মক্ষেত্রের সমস্যা এবং ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে কাজের ভারসাম্য না থাকাও এই উদ্বেগ বাড়ায়।

অফিসের কাজ কি বাড়িতেও নিয়ে আসেন?
অনেক কর্মী অফিস থেকে বেরোলেও কাজের চিন্তা থেকে বেরোতে পারেন না। ইমেল, ফোন, হোয়াটসঅ্যাপের বার্তা ছুটির দিনেও তাঁদের ব্যস্ত রাখে। ২০১৪ সালের ‘জার্নাল অব অকুপেশনাল হেলথ সাইকোলজি’-তে প্রকাশিত ৬০ জন কর্মীর উপর একটি গবেষণায় দেখা যায়, কর্মক্ষেত্রের মানসিক চাপ রবিবার রাতে কাজ থেকে মন সরিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা কমাতে পারে। এর প্রভাব পড়ে ঘুমের উপরেও।

সবার যদিও একই অভিজ্ঞতা নয়
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত আর একটি গবেষণায় ১৫৩ জন কর্মীর ছুটির দিনের মানসিক অবস্থার পরিবর্তন পরীক্ষা করা হয়। দেখা যায়, ৪৯ শতাংশ কর্মী ছুটির সময়ে কাজ থেকে মানসিক দূরত্ব তৈরি করতে পারেন। ৩৫ শতাংশের ক্ষেত্রে তা মাঝারি। কিন্তু ১৬ শতাংশ কর্মী ছুটির দিনেও কাজের চিন্তা থেকে বেরোতে পারেন না। ফলে নতুন সপ্তাহের শুরুতে ক্লান্তি ও ঘুমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

Advertisement

রবিবারের এই অ্যাংসাইটি কীভাবে কমাবেন?
শুক্রবার অফিস ছাড়ার আগে পরের সপ্তাহের কাজের তালিকা তৈরি করুন। ছুটির দিনে অপ্রয়োজনীয় অফিসের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন। রবিবার নিজের পছন্দের কাজে সময় দিন। সোমবারের সব কাজ একসঙ্গে না করে জরুরি কাজ দিয়ে শুরু করুন। তবে শুধু কর্মীর চেষ্টা যথেষ্ট নয়। কোম্পানিগুলিকেও বাস্তবসম্মত ডেডলাইন ও টার্গেট দিতে হবে। নয় তো এর কোনওটাই আর কাজে আসবে না। দিন দিন কর্মীদেরই কাজের মান নামতে থাকবে। 

খবরটি ইংরাজিতে পড়ুন: Click Here

Read more!
Advertisement
Advertisement