Advertisement

Murshidabad Iqbal Sheikh: দিনরাত কেন পুকুরে থাকত মুর্শিদাবাদের ইকবাল? 'অসুখ' জানালেন চিকিৎসকরা

কী হয়েছে ইকবালের? আর এই বিষয়টা জানতেই আমরা যোগাযোগ করেছিলাম কলকাতা শহরের বিশিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে। তাঁরা প্রথমেই জানিয়েছেন, কাউকে না দেখে রোগ ধরে ফেলা সম্ভব নয়। তবে তাঁরা রোগের লক্ষণ দেখে একটা অনুমান করতে পারেন। 

মুর্শিদাবাদের ইকবালের কী হয়েছে?মুর্শিদাবাদের ইকবালের কী হয়েছে?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 22 Aug 2026,
  • अपडेटेड 12:32 PM IST
  • কী হয়েছে ইকবালের?
  • এই বিষয়টা জানতেই আমরা যোগাযোগ করেছিলাম কলকাতা শহরের বিশিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে
  • কাউকে না দেখে রোগ ধরে ফেলা সম্ভব নয়

এক অদ্ভুত সমস্যায় ভুগছে মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা ইকবাল শেখ। দিনের অধিকাংশ সময় পুকুরেই কাটাত সে। এভাবেই চলছিল কয়েকদিন। পরিবারের দাবি, জল থেকে বাইরে বেরোলেই শরীরে তীব্র জ্বালাপোড়া অনুভব করত সে। সেই কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পুকুরের জলের মধ্যে ডুবে থাকত ১৬ বছরের ইকবাল। আর এই খবর ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তারপর মুর্শিদাবাদের ইকবালের চিকিৎসার দায়িত্ব নেন অনন্ত আম্বানি। তাঁকে মুম্বইয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে ইকবাল।

এখন প্রশ্ন হল, কী হয়েছে ইকবালের? আর এই বিষয়টা জানতেই আমরা যোগাযোগ করেছিলাম কলকাতা শহরের বিশিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে। তাঁরা প্রথমেই জানিয়েছেন, কাউকে না দেখে রোগ ধরে ফেলা সম্ভব নয়। তবে তাঁরা রোগের লক্ষণ দেখে একটা অনুমান করতে পারেন। 

এই প্রসঙ্গে বিশিষ্ট চিকিৎসক রুদ্রজিৎ পাল বলেন, 'মানসিক সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এগুলো ওরকমই হয়। এবার সারাদিন কেন জলে বসে আছে? সেটা তো বলা খুব কঠিন।' 

তবে তিনি এটাও জানালেন যে, এরিথ্রোমেলালজিয়া নামক এক ধরনের অসুখের জন্যও এমন হতে পারে। এতে ত্বকের ব্লাড ফ্লো বেড়ে যায়। ত্বক লাল হয়ে যায়। তারপর সারা শরীরে জ্বালা ও ব্যথা শুরু হয়। 

বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা: রজত বসু বলেন, 'মানসিক কিছু একটা হতে পারে। ত্বকের কোনও সমস্যা হতে পারে। এমনকী স্নায়ুর রোগের জন্যও এমন হয়।'

তবে তিনি আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছেন। আর সেটা হল শরীরে ভিটামিনের অভাব। ডা: বাসু বলেন, ' ভিটামিন বি৫ বলে একটি ভিটামিন রয়েছে। সেই ভিটামিনটার অভাবে একটা রোগ হয়। সেই রোগের ক্ষেত্রে সারাক্ষণ জ্বলতে থাকে। এটাকে পেলেগ্রা হয়। সেই সমস্যা রয়েছে কি না খতিয়ে দেখতে হবে।' পাশাপাশি তিনিও এই সমস্যার নেপথ্যে মানসিক জটিলতা থাকতে পারে বলেও মনে করছেন।

বিশিষ্ট ডাক্তার উৎসব দাস অবশ্য নির্দিষ্ট করে দুটি রোগের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, 'ছেলেটির যে সমস্যা দেখা যাচ্ছে, সেটার দুটো কারণ থাকতে পারে। তার একটা হল এরিথ্রোমেলালজিয়া। এটা দুই ধরনের হয়, একটা হচ্ছে প্রাইমারি আর সেকেন্ডারি। প্রথমত SCN9A জিনের সমস্যা থাকলে এই রোগ হতে পারে। আর দ্বিতীয়টা হচ্ছে অন্য কোনও রোগ যদি থাকে, তখন এই অসুখ হয়। এক্ষেত্রে মায়োলোপ্রোলাইফারেটিভ ডিসঅর্ডার বা কোনও অটোইমিউন রোগের জন্য এই সমস্যা দেখা যেতে পারে।'

Advertisement

তিন জানালেন, এখানে ক্লাসিক্যালি তিনটে জিনিস দেখা যায়। সেগুলি হল, প্রচণ্ড জ্বলতে থাকার যন্ত্রণা, এরিথেমা বা স্কিনটা লাল হয়ে যাওয়া এবং ত্বক গরম হয়ে যাওয়া। মূলত হাত এবং পায়েই এই লক্ষণ দেখা যায়। 

ডা: দাসের মতে, এর নেপথ্যে আরও একটি অসুখ থাকতে পারে। সেটি হল অ্যাকোয়াজেনিক প্রুরাইটাস। এক্ষেত্রে জলের সঙ্গে সংস্পর্শে এলে প্রচণ্ড জ্বলে বা চুলকায়। কিন্তু ত্বকে খুব একটা স্কিন চেঞ্জ হয় না। 
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement