Advertisement

5 মিনিটেই আরাম, ফোস্কা পড়বে না, Crackers Burn এর দুরন্ত Treatement জানুন

বাজি ফাটানোর সময়ে সব সময় নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন। বাজির খুব কাছে মুখ নিয়ে যাবেন না। আগুন দেওয়ার সময়ে হাতের দিকেও নজর রাখুন। সতর্ক থাকুন, সুস্থ থাকুন।

বাজিতে পোড়ার চিকিৎসা।বাজিতে পোড়ার চিকিৎসা।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 05 Nov 2026,
  • अपडेटेड 5:45 PM IST
  • পুড়ে যাওয়ার পর প্রথমেই ক্ষত ঠান্ডা করুন।
  • ফোস্কা ফাটাবেন না।

কালীপুজোয় বাজি ফাটাতে গিয়ে সামান্য অসাবধানতাও বড়সড় বিপদ ঘটতে পারে। দৃষ্টিশক্তি হারানো থেকে আগুনে পোড়ার মতো দুর্ঘটনার খবর আসে। তাই উৎসবের আনন্দে বাজি ফাটানোর সময়ে সতর্ক থাকা জরুরি। বাজি ফাটাতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত পুড়ে গেলে কী করবেন? আর কোন কাজগুলি একেবারেই করবেন না? তা সত্ত্বেও কোনও দুর্ঘটনা ঘটে গেলে আতঙ্কিত না হয়ে প্রথমেই কী করতে হবে, তা জানা প্রয়োজন।

বাজি ফাটাতে গিয়ে কেউ পুড়ে গেলে কী করবেন? পোড়া জায়গায় কী লাগানো উচিত নয়? ফোস্কা পড়লে কী করণীয়? কোন ধরনের পোড়ার আঘাত হলে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়া প্রয়োজন? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিলেন সিকে বিড়লা হাসপাতালের চিকিৎসক অনুপম গোলাশ (CMRI Kolkata Doctor Anupam Golash)। 

পুড়ে গেলে কী করবেন?

পুড়ে যাওয়ার পর প্রথমেই ক্ষতিগ্রস্ত জায়গাটি ঠান্ডা করা জরুরি। তার জন্য পোড়া অংশটি কলের স্বাভাবিক ঠান্ডা জলের নীচে অন্তত ২০ মিনিট ধরে রাখতে হবে। হাতে আংটি, ঘড়ি বা চুড়ি থাকলে দ্রুত খুলে ফেলুন। পরে ওই জায়গায় ফোলা ভাব দেখা দিলে এগুলি আরও সমস্যা তৈরি করতে পারে।

পোড়া জায়গায় কোনও কাপড় আটকে গেলে জোর করে টেনে ছাড়ানোর চেষ্টা করবেন না। এতে ক্ষত আরও বাড়তে পারে। পোড়া জায়গায় বরফ লাগাবেন না। বরফের ব্যবহার ক্ষত বাড়তে পারে।

প্রথমে ঠান্ডা জলে ক্ষতস্থান ঠান্ডা করার পর পরিষ্কার ও শুকনো কাপড় দিয়ে আলতো করে মুছে নিতে হবে। তারপর চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সিলভার নাইট্রেট মলম লাগানো যেতে পারে। প্রয়োজনে পরিষ্কার গজ দিয়ে ক্ষতস্থান ঢেকে রাখুন।

ক্ষতে টুথপেস্ট?

অনেক সময় বাড়িতে কেউ পুড়ে গেলে ঘরোয়া টোটকা হিসেবে ক্ষতস্থানে ঘি, তেল, মাখন, হলুদ বা টুথপেস্ট লাগানো হয়। এতে পোড়ার ক্ষত সারে না। বরং ক্ষত পরিষ্কার করা এবং চিকিৎসার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করে। তাই এই সব জিনিস পোড়া জায়গায় লাগাবেন না।

Advertisement

ফোস্কা পড়লে কী করবেন?

পুড়ে যাওয়ার পর ফোস্কাও পড়ে। কেউ কেউ ফোস্কা ফাটিয়ে দেন বা উপরের চামড়া তুলে ফেলেন। এতে নাকি ক্ষত তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে। এটা একদম করবেন না। এতে সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ে। ফোস্কা ছোট হলে না ফাটিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় থাকতে দিন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত মলম ও ড্রেসিং করুন। তবে শরীরের বড় অংশ জুড়ে ফোস্কা পড়লে বা বড় ফোস্কা তৈরি হলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যান। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চিকিৎসা করানোই সবচেয়ে ভাল।

কোন ধরনের পোড়ার আঘাত হলে দ্রুত হাসপাতালে?

সব ধরনের পোড়ার আঘাত সামান্য নয়। অনেক ক্ষেত্রে বাড়িতে প্রাথমিক চিকিৎসা যথেষ্ট হয় না। কিছু পরিস্থিতিতে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া জরুরি। ছোট শিশুদের শরীরের কোনও অংশ পুড়ে গেলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। কারও শরীরের পোড়া অংশ বড় হলেও ডাক্তার দেখানো জরুরি। এছাড়া মুখ, হাত ও গোপনাঙ্গ পুড়ে গেলে তো কথাই নেই। 

শুধু পোড়া নয়, বাজির টুকরো শরীরে ঢুকে গেলে অবহেলা করবেন না। বিশেষ করে চোখে বা চোখের আশপাশে আঘাত লাগলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।

বন্ধ ঘরের মধ্যে বাজি ফাটানো বা আগুন লাগলে প্রচুর ধোঁয়া শ্বাসের সঙ্গে শরীরে ঢুকে যেতে পারে। মুখ বা নাকের আশপাশে পুড়ে যাওয়ার পাশাপাশি ফুসফুসেও ক্ষতি হতে পারে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া জরুরি।

Read more!
Advertisement
Advertisement