Advertisement

Gas and acidity medicine: পুজোয় গ্যাস, অম্বল হলে কী কী ওষুধ খাবেন? নামী গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্টদের পরামর্শ

পুজো এসে গিয়েছে। শুরু হয়েছে দেদার খাওয়াদাওয়া। এমন পরিস্থিতিতে গ্যাস, অম্বল হলে কী করবেন? কী কী ওষুধ খাবেন? উত্তর দিয়েছেন বিশিষ্ট গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্টরা।

গ্যাস, অ্যাসিডিটির ওষুধগ্যাস, অ্যাসিডিটির ওষুধ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 17 Oct 2026,
  • अपडेटेड 8:26 AM IST
  • পুজো এসে গিয়েছে
  • শুরু হয়েছে দেদার খাওয়াদাওয়া
  • এমন পরিস্থিতিতে গ্যাস, অম্বল হলে কী করবেন?

আজ সপ্তমী। উৎসবে এন্ট্রি নিয়েছে বাংলা। ইতিমধ্যেই ভালোমন্দ খাওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। তেল-মশলাযুক্ত পদ, ভাজাভুজি, মিষ্টি খাওয়া চলছে। সেই সঙ্গে অতিরিক্ত খাওয়াদাওয়া, অসময়ে খাওয়া কিংবা খুব তাড়াতাড়ি খাবার খাওয়া শুরু হয়েছে। এসবের ফলে অম্বল, পেট ফাঁপা, গ্যাস ও বদহজমের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর এই সমস্যা থেকেই মুক্তির পদ দেখাচ্ছেন বিশিষ্ট গ্যাস্ট্রো চিকিৎসকেরা।

কেন হয় গ্যাস ও বদহজম?
কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালের কনসালট্যান্ট গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট ডা: শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় জানালেন, পাকস্থলীর অ্যাসিড খাদ্যনালিতে উঠে এলে সাধারণত অম্বল বা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা হয়। এর ফলে বুক বা গলায় জ্বালাপোড়া, টক ঢেকুর উঠতে পারে।

আবার অতিরিক্ত খাওয়াদাওয়া করলে, খাওয়ার সময় বেশি বাতাস গিলে ফেললে, ফ্যাট জাতীয় খাবার খেলে বা কোল্ড ড্রিংক খেলে পেট ফাঁপা ও গ্যাসের সমস্যা হতে পারে। আবার বেশি ভারী খাবার খেলে হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যেতে পারে। বিশেষত খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়লে এই সমস্যা আরও বাড়তে পারে।

কোন কোন ওষুধ খাওয়া যায়?
এই বিষয়টিও স্পষ্ট করেছেন ডা: শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। 

অ্যান্টাসিড: পাকস্থলীর অ্যাসিডকে নিষ্ক্রিয় করে সাময়িকভাবে অম্বল ও বুকজ্বালার সমস্যা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
অ্যালজিনেট: খাদ্যনালিতে অ্যাসিড উঠে আসা কমাতে পাকস্থলীর উপরে একটি প্রতিরক্ষামূলক স্তর তৈরি করতে সাহায্য করে।
অ্যাসিড কমানোর ওষুধ: প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (PPI)-এর মতো ওষুধ বারবার অম্বলের সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শে দেওয়া হতে পারে।
গ্যাসের ওষুধ: সিমেথিকোনের মতো ওষুধ কিছু ক্ষেত্রে পেট ফাঁপা ও গ্যাসের অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

তবে সব ওষুধ সকলের জন্য উপযুক্ত নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাবেন না। সাধারণ বদহজমের জন্য নিয়মিত অ্যান্টিবায়োটিক বা হজমের এনজাইম সাপ্লিমেন্ট খাওয়ারও প্রয়োজন নেই।

আরও কিছু টিপস
কলকাতার আরও এক বেসরকারি হাসপাতালের কনসালট্যান্ট মেডিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি চিকিৎসক বিবেক মোহন শর্মার মতে, উৎসবের সময় অতিরিক্ত পরিমাণে ভাজাভুজি, ঝাল খাবার, মিষ্টি ও সফট ড্রিংক খাওয়ার ফলে অম্বল, পেট ফাঁপা ও গ্যাসের সমস্যা বাড়তে পারে। তাই এই সব সমস্যা থেকে সেরে ওঠার কিছু টিপস দিয়েছেন তিনি।

Advertisement


তাঁর মতে, হালকা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা হলে অল্প পরিমাণে খাবার খাওয়া, খাওয়ার পর হালকা ব্যায়াম, হাঁটাহাঁটি করা, পর্যাপ্ত জল পান করা এবং খাওয়ার পর অন্তত ২-৩ ঘণ্টা শুয়ে না পড়ার মতো অভ্যাস উপকারী হতে পারে।

ডা: শর্মার পরামর্শ, পেট বা বুকে তীব্র ব্যথা, রক্তবমি, কালো পায়খানা বা খাবার গিলতে অসুবিধা হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সাহায্য নিতে হবে। এই সব ক্ষেত্রে অপেক্ষা করা যাবে না।

বিদ্র: এটা একটি সাধারণ প্রতিবেদন। কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনও চিকিৎসা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement