Advertisement

Ebola outbreak WHO: মৃত্যুহার ৫০%, এই ভাইরাসকে বিশ্ব স্বাস্থ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করল WHO, লক্ষণ কী?

ভয়ের অপর নাম ইবোলা ভাইরাস। কারণ, ইতিমধ্যেই এই ভাইরাসকে গ্লোবাল হেলথ এমার্জেন্সি বলে ঘোষণা করে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আরও নির্দিষ্ট করে বললে, কঙ্গো এবং উগান্ডার ইবোলা সংক্রমণ বৃদ্ধিকে পাবলিক হেলথ এমার্জেন্সি অব ইন্টারন্যাশনাল কনসার্ন বলে ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। আর তাতেই আতঙ্ক বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। অনেকেই জানতে চাইছেন এই ভাইরাস সম্পর্কে। 

ভয়ের অপর নাম ইবোলাভয়ের অপর নাম ইবোলা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 18 May 2026,
  • अपडेटेड 11:28 AM IST
  • ইতিমধ্যেই এই ভাইরাসকে গ্লোবাল হেলথ এমার্জেন্সি বলে ঘোষণা করে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
  • আরও নির্দিষ্ট করে বললে, কঙ্গো এবং উগান্ডার ইবোলা সংক্রমণ বৃদ্ধিকে পাবলিক হেলথ এমার্জেন্সি অব ইন্টারন্যাশনাল কনসার্ন বলে ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে
  • তাতেই আতঙ্ক বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে

ভয়ের অপর নাম ইবোলা ভাইরাস। কারণ, ইতিমধ্যেই এই ভাইরাসকে গ্লোবাল হেলথ এমার্জেন্সি বলে ঘোষণা করে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আরও নির্দিষ্ট করে বললে, কঙ্গো এবং উগান্ডার ইবোলা সংক্রমণ বৃদ্ধিকে পাবলিক হেলথ এমার্জেন্সি অব ইন্টারন্যাশনাল কনসার্ন বলে ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। আর তাতেই আতঙ্ক বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। অনেকেই জানতে চাইছেন এই ভাইরাস সম্পর্কে। 

তাই আর সময় নষ্ট না করে ইবোলা সম্পর্কে জেনে নিন।

ইবোলা কী ভাইরাস? 
এটি একটি জুনোটিক ভাইরাস। অর্থাৎ এই ভাইরাস কোনও প্রাণির শরীর থেকেই মানুষের দেহে প্রবেশ করে। তারপর মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়ে যেতে পারে। আর এই ভাইরাসের মৃত্যুর হার প্রায় ৫০ শতাংশ। 

মাথায় রাখতে হবে, এবার যেই সংক্রমণ নিয়ে সারা বিশ্বের মাথা ব্যথা, সেটা হচ্ছে বুন্দিবুগ্য ভাইরাসের জন্য। এটা ইবোলারই একটা বিরল রূপ। আর এই ভাইরাস অত্যন্ত বিপজ্জনক। এতে আক্রন্ত হলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। 

এটা ছড়ায় কীভাবে? 
আগেই বলেছি এটি একটি জুনোটিক ভাইরাস। অর্থাৎ কোনও প্রাণীর শরীর থেকেই এই ভাইরাস মানুষের দেহে প্রবেশ করে। সাধারণ বাদুর, শিম্পাঞ্জি, গোরিলা, বাঁদর বা ওই জাতীয় কোনও প্রাণীর রক্ত বা শরীরের অন্য কোনও তরল থেকে এই অসুখ মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। তারপর মানুষ থেকে মানুষে এটা ছড়াতে পারে। এক্ষেত্রে শরীরের ফ্লইড, রক্তের মাধ্যমে এটা ছড়াতে পারে। 

এর উপসর্গ কী? 
এই ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করার মোটামুটি ৩ সপ্তাহ চুপচাপ বংশবৃ্দ্ধি করতে পারে। গড়ে ২১ দিনের মাথায় প্রকাশ পায় লক্ষণ। এটা হল ভাইরাসের ইনকিউবিশন পিরিয়ড। 

এক্ষেত্রে প্রামথিকভাবে জ্বর, ক্লান্তি, পেশিতে ব্যথা মাথা ব্যথা ও গলা ব্যথা শুরু হয়। তারপর বমি, ডায়ারিয়া, পেট ব্যথা, কিডনির সমস্যা ও লিভারের সমস্যা দেখা যেতে পারে। 

অনেক ক্ষেত্রে রোগীর ইন্টারনাল এবং এক্সটারনাল ব্লিডিং শুরু হয়ে যায়। বমি এবং মলে দেখা যায় রক্ত। পাশাপাশি নাক, মাড়ি এবং ভ্যাজাইনা থেকে রক্ত বেরতে পারে। তার সঙ্গে বিভ্রান্তি, অস্থিরতা নিতে পারে পিছু। তাই এই ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে সাবধান হন।

Advertisement

চিকিৎসা কী? 
এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকরী কোনও ওষুধ নেই। এমনকী নেই কোনও টিকাও। তাই রোগ দ্রুত ধরে ফেলে রোগীকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি লক্ষণ অনুযায়ী রোগীকে দেওয়া হয় চিকিৎসা। তাতেই রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন।

বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা হয়েছে। কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই নিজের চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement