
গরম রসগোল্লা পাতে পড়লে মনটা এমনি খুশি হয়ে যায়। ওজন বাড়ার চিন্তা তখন মন থেকে চলে গিয়ে শুধুই এই মিষ্টি কখন পেটে যাবে, সেই চিন্তাই থাকে। সবারই মিষ্টির প্রতি ভালোবাসা আছে! তার ওপর যদি হয় রসগোল্লা,তাহলে তো কোন কথাই নেই। বিশেষ করে বাঙালীর বাঙালীয়ানার পরিচয় কিন্তু রসগোল্লার মাধ্যমে প্রকাশ পায়। রসে টইটুম্বুর এই রসগোল্লা কিন্তু খাদ্য রসিক বাঙালীদের স্বাদকে একেবারে বদল করে দিয়েছে। তবে জানেন গরম রসগোল্লা খেলে কত উপকার হয় শরীরের। রইল রসগোল্লার ১০ গুণ।
দাঁত ও হাড়ের যত্ন
রসগোল্লা ছানা দিয়ে তৈরি হওয়ায় রসগোল্লায় প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস থাকায় হাড় ও দাঁত সুস্থ থাকে। হাড় বা দাঁতের ক্ষতও রোধ করতে পারে রসগোল্লা। অস্টিওপরেসিস বা গাঁটে ব্যথা সারাতেও উপকারী গরম রসগোল্লা।
এনার্জি
দেহের প্রয়োজনীয় ক্যালরি মিটিয়ে ইন্সট্যান্ট এনার্জি জোগাতে পার রসগোল্লা। সারা দিনের খাটনির পর বা ওয়ার্কআউটের পর গরম রসগোল্লা খান।
যন্ত্রণা উপশম
ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও ওমেগা সিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড গাঁট ও বাতের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। ভিটামিন কে ও ম্যাগনেশিয়াম হাড়ের ঘনত্ব ধরে রাখে।
দাঁতের ক্যাভিটি
রসগোল্লায় ল্যাকটোসের পরিমাণ কম থাকায় দাঁত ক্ষতিকারক সুগারের হাত থেকে রক্ষা পায়। ভিটামিন ডি ক্যাভিটি রোধ করতে সাহায্য করে।
ওজন
রসগোল্লা হাই প্রোটিন ডায়েট। মোনোস্যাচুরেটেড ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট ওজন কমাতে সাহায্য করে। রসগোল্লার মধ্যে প্রচুর পরিমাণ ডায়েটারি ফাইবার থাকার কারণে হজম ভাল হয়। ফলে ওজন থাকে নিয়ন্ত্রণে।
ক্যান্সার
উচ্চমাত্রায় ও উচ্চমানের প্রোটিন থাকার কারণে পেট, ব্রেস্ট, প্রস্টেট বা কোলন ক্যান্সার রুখতে পারে রসগোল্লা।
হার্ট
ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকার কারণে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে হার্টের অসুখে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।
ইউরিনারি
রসগোল্লা ইউরিনারি সিস্টেমের কর্মক্ষমতা বজায় রাখে। ফলে সহজে কিনডি স্টোন হতে পারে না।
রোগ প্রতিরোধ
রসগোল্লা রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধরে রাখে। সর্দি, কাশি, ব্রঙ্কিয়াল অ্যাস্থমা সারাতে উপকারী রসগোল্লা।
শিশুদের জন্য
রসগোল্লা পুষ্টিগুণে ভরপুর। শিশুদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি জুগিয়ে শারীরিক ও মানসিক গঠনে সাহায্য করে গরম রসগোল্লা।