
রাতের বেঁচে যাওয়া খাবার অনেক সময়ই ফ্রিজে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। সেই খাবার অনেকে খেতে চায় আবার কেউ কেউ রাতের বাসি খাবারের দিকে ঘুরেও তাকান না। কিন্তু সত্যি কথা হল, রাতের বেঁচে যাওয়া বাসি খাবারের স্বাদ দ্বিগুণ বেড়ে যায়। আবার কিছু খাবার বাসি খেতেই ভাল লাগে। আসলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে খাবারে থাকা মশলা ও বাকি উপকরণগুলো ভাল করে মিশে যায়, যার ফলে বাসি খাবারের স্বাদ আরও বেশি বেড়ে যায়। তাই এরকম অনেক খাবারই রয়েছে, যা টাটকা খাওয়ার চেয়ে বাসি খেতে বেশি ভাল লাগে। সেরকমই কিছু জনপ্রিয় খাবার জেনে নিন, যা বাসি খেতেই ভাল লাগে।
ছোলে
উত্তর ভারতীয় জনপ্রিয় খাবার। ছোলে রান্না করার পরের দিন এই খাবার খেলে এর স্বাদ বেশি পাওয়া যায়। সারারাত ছোলার সঙ্গে সব মশলা ভাল করে মিশে যায়, যার ফলে গ্রেভি বেশি গাঢ় ও সুস্বাদু হয়। তাই এই কারণে অনেকেই ছোলা রান্না করার পরের দিন এটা খেয়ে থাকেন।
রাজমা
রাজমা এমন একটি পদ, যার স্বাদ বাড়ে পরের দিন। পুরো এক রাত রাজমা রেখে দিলে এই স্বাদ আরও বেড়ে যায়। পরের দিন গরম করে খেলে তা আরও সুস্বাদু হয়ে যায়।
মাটনের ঝোল
বাঙালির প্রিয় মাটন সদ্য সদ্য রান্না করে খাওয়ার চেয়ে তা পরের দিন বাসি খেতে বেশি ভাল লাগে। মাটন রান্না করে তা পুরো রাত রেখে দিলে, মশলা ও মাটন একে-অপরের সঙ্গে মিশে স্বাদকে আরও বাড়িয়ে দেয়। তাই বাসি মাটনের স্বাদ বেশি খোলে।
খিচুড়ি
বাসি খিচুড়ি যে না খেয়েছে, তারা এই স্বাদ বুঝতে পারবে না। এই খিচুড়ি তৈরি করে যদি রেখে দেওয়া হয় রাতভর, তাহলে চাল-ডাল, গরম মশলার স্বাদ মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। তাই বাসি খিচুড়ির স্বাদ দারুণ হয়ে যায়।
বিরিয়ানি
তালিকার পরবর্তী পদ হলো বিরিয়ানি। যত বেশিক্ষণ রাখা হয়, মশলা এবং স্বাদ তত বেশি চালের মধ্যে মিশে যায়। তাই, পরের দিন পুনরায় গরম করলে বিরিয়ানি প্রায়শই আরও বেশি সুস্বাদু ও মুখরোচক লাগে।