
বিবিধ পুষ্টিগুণ রয়েছে আমন্ডের। রোজ খেলে স্বাস্থ্যের জন্য় উপকার। আমন্ড শুধু গায়েই লাগে না বুদ্ধিতেও শান দিতে সক্ষম। আমন্ড ত্বকের জেল্লা ফেরাতেও কার্যকর। শীতকালে আমন্ড খেলে ত্বকে তেলতেলে ভাব থাকে। আয়ুর্বেদও বলছে, প্রতিদিন এক মুঠো বাদাম, আমন্ড খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে দারুণ। উপকারিতাও একাধিক। মগজাস্ত্রে শান দিতেও আমন্ডের জুড়ি মেলা ভার। মস্তিষ্কের নিউরনগুলিকে সক্রিয় করে আমন্ড। কিন্তু আমন্ড কীভাবে খেলে বেশি উপকার? অনেকেই এটা জানেন না। অনেকেই সংশয়ে থাকেন, খোসা ছাড়া খাওয়া উচিৎ না খোসা সমেত! চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে আমন্ড খেলে উপকার-
কেন খোসা ছাড়া বাদাম খাওয়া উচিত?
- আমন্ডের খোসায় থাকে ট্যানিন নামে লবণের যৌগ। তা শরীরে জন্য উপকারী নয়। পুষ্টি শোষণে বাধা দেয় ট্যানিন লবণের যৌগ। তাই খোসা-সহ বাদাম খাওয়া উচিৎ নয়।
- তাড়াহুড়োর কারণে অনেকেই কাঁচা আমন্ড খাওয়া শুরু করেন। এতে শরীরে পিত্তের ভারসাম্যহীনতা বাড়ে। হজমের সমস্যা তো বটেই পেটের গোলমালও হতে পারে। অসুখ-বিসুখের শঙ্কাও রয়েছে। খোসা-সহ আমন্ড খাওয়া থেকে তাই দূরে থাকুন।
-খোসার সঙ্গে আমন্ড খেলে তাতে থাকা কণা অন্ত্রে আটকে যেতে পারে। এজন্য পেটব্যথা, জ্বালাপোড়া, গ্যাস তৈরির সম্ভাবনা থাকে। তাই আমন্ড খোসা ছাড়িয়ে খান।
কীভাবে বাদাম খাওয়া যায়?
বাড়িতে খাবার তৈরিতেও আমন্ড ব্যবহার করা হয়। অনেকেই দোলাচলে থাকেন, আমন্ড জলে ভিজিয়ে খাব না জলে কাঁচা।যাঁরা প্রতিদিন আমন্ড খান তাঁরা ভিজিয়ে নিন। সারারাত জলে আমন্ড ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খোসা ছাড়িয়ে বাদাম খান। সকালে বাদাম পিষে দুধে মিশিয়েও খেতে পারেন। তবে বেশি আমন্ড খাবেন না। পুষ্টিবিদরা দিনে ৫-৮টি আমন্ড খাওয়ার পরামর্শ দেন।
- রাতভর ভিজিয়ে রাখলে সহজেই খোসা ছাড়িয়ে আমন্ড খেতে পারেন। সেক্ষেত্রে ভিজিয়ে রাখাই সুবিধাজনক।
- ভিজিয়ে রাখা আমন্ডে থাকে ভিটামিন বি১৭ এবং ফলিক অ্যাসিড। যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক।
আরও পড়ুন- ভেজাল গুড় কিনছেন না তো? গুড় কেনার সময় এই ৩ উপায়ে চিনে নিন আসল-নকল