
যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বেড়েছে ব্যস্ততা। বেসরকারি চাকরি বাঁধাধরা সময় মেনে চলে না। ফলে অনিয়মই পরিণত হয়েছে নিয়মে। খাওয়াদাওয়ায় নেই সামঞ্জস্য। ফলে কম বয়সেই বাড়ছে কোলেস্টেরলের সমস্যা। মানুষের শরীরে দু'ধরনের কোলেস্টেরল পাওয়া যায়-হাই ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন ও লো ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন। দ্বিতীয় লাইপোপ্রোটিনটি শরীরের জন্য খারাপ। খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে গেলে দেখা দিতে পারে বিবিধ সমস্যা। বেড়ে যায় স্ট্রোক ও হৃদ্রোগের ঝুঁকি। কোলেস্টেরল বেড়ে গেলেও অনেকেই বুঝতে পারেন না। তাই সময় থাকতে লক্ষণগুলি জানা দরকার।
কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়লে শরীরের তার প্রভাব দেখা দেয়। কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়লে প্রাণ সংশয়ের ঝুঁকি হতে পারে। অনেক সময় ঘাতক কোলেস্টেরল বেড়ে গেলেও অনেকে টের পান না। আর প্রাথমিক পর্যায় রোগ ধরতে না পারলে বিপদ আরও বেশি। তাই আগেভাগে উপসর্গগুলি জেনে নিতে পারলেই মঙ্গল। বিশেষজ্ঞরা বলছে, ত্বকই বলে দেয় কোলেস্টেরলের মাত্রা কতটা।
ত্বকে কী কী পরিবর্তন দেখলে সাবধান হবেন?
র্যাশ - শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে চাকা চাকা র্যাশ দেখা দেয় ত্বকে। এগুলি সাধারণ র্যাশের মতো নয়। এতে থাকে হলদে ভাব। বিশেষ করে চোখের উপরে এই ধরনের ফোলা ভাব দেখা দেয়। চোখের উপরে হলুদ রর্যাশ হওয়াও ডায়াবেটিসের লক্ষণ হতে পারে। এই ধরনের লক্ষণগুলি দেখতে পেলে অবিলম্বে আপনার কোলেস্টেরল পরীক্ষা করুন।
ফোলাভাব- কোলেস্টেরল বাড়লে মোমের মতো ফোলা ভাব দেখা দেয় শরীরের নানা অংশে। হাত কিংবা গলায় এমন দাগ দেখলে সাবধান হোন। অনেকেই ভাবেন এগুলি অ্যালার্জির সমস্যা। এর মধ্যে তেলতেলে ভাব থাকে। ফলে সময় থাকতে সতর্ক হোন।
লালচে ভাব- ত্বকে লালচে ভাব দেখা দিলেও সতর্ক হোন। এই ধরনের লালচে ভাব কয়েকদিন অন্তর অন্তর দেখা দেয়। এটাও কোলেস্টেরল বাড়ার ইঙ্গিত।
চামড়ার রং- কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে ব্যাহত হয় রক্তসঞ্চালন। ফলে কোষে কোষে রক্ত পৌঁছতে পারে না। এর ফলে চামড়ার রং গাঢ় হয়ে যায়। শুষ্ক হতে শুরু করে ত্বক।
হাত-পায়ে ব্যথা- অনেকেরই কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে হাত ও পায়ের ত্বকে চুলকানি শুরু হয়। হাতে ও পায়ে ব্যথাও কোলেস্টেরল বৃদ্ধির লক্ষণ হতে পারে। এই সমস্যা হলে কোলেস্টেরল পরীক্ষা করুন।