
বাড়িতে ডিমের কারি আমরা প্রায় সকলেই খাই। তবে ধাবাতে যে ডিমের কারি পাওয়া যায়, তা বাড়িতে বানানো সহজ হয় না। বাড়িতে কীভাবে এই এগ কারি বানানো যায়? সেটাই আমরা আপনাদের জানাবো। এই রেসিপিটির সবচেয়ে বিশেষত্ব হলো, এতে ব্যবহৃত মশলা এবং ভাজার পদ্ধতি হুবহু বড় হোটেল ও ধারাগুলোতে ব্যবহৃত পদ্ধতির মতোই।
ডিমের তরকারির আসল স্বাদ ডিম ভাজা থেকেই শুরু হয়। অনেকে ডিম হালকা করে ভাজেন, কিন্তু ধাবা স্টাইলের জন্য ডিমগুলো গাঢ় সোনালি বালালচে না হওয়া পর্যন্ত ভাজতে হয়। এতে ডিমের বাইরের স্তরটি মুচমুচে হয়, যা ঝোলের সঙ্গে খেতে দারুণ লাগে।
ডিমের তরকারির উপকরণ
ডিম: ৬টি (সেদ্ধ), পেঁয়াজ: ৩-৪টি বড় (মিহি করে কাটা, প্রায় ৫০০ গ্রাম), টমেটো: ৩টি (সেদ্ধ করে বাটা), আদা-রসুন পেস্ট: ২ চা চামচ, কাঁচা লঙ্কা: ২টি (মিহি করে কাটা), হলুদ গুড়া: ১/২ চা চামচ, ধনে গুঁড়ো: ১.৫ চা চামচ, লঙ্কার গুঁড়ো: ১ চা চামচ, গরম মসলা: ১/২ চা চামচ, কাসুরি মেথি: ১ চা চামচ, তেল: ১৫০ গ্রাম (১ কাপের থেকে সামান্য কম), লবণ: স্বাদমতো
গ্রেভি কীভাবে তৈরি করবেন
পেঁয়াজের রঙ ও স্বাদ ঠিক রাখতে প্রায় আধ কেজি পেঁয়াজের জন্য ১৫০ গ্রাম তেল ব্যবহার করতে হবে। এই রেসিপিটির সবচেয়ে বড় রহস্য হল পেঁয়াজ ভাজার সময়। পেঁয়াজগুলো প্রায় ১৫ মিনিট ধরে অল্প আঁচে ভাজা হয়, যতক্ষণ না সেগুলো পুরোপুরি বাদামী হয়ে যায়। এরপর এতে আদা, রসুন এবং কাঁচা লঙ্কার পেস্ট যোগ করা হয়, যা গ্রেভিটিকে ঝাল এবং সুগন্ধযুক্ত করে তোলে।
মশলার ক্ষেত্রে, হলুদ, ধনে গুঁড়ো এবং গরম মসলার সঙ্গে লাল লঙ্কা ব্যবহার করুন। এই লঙ্কা কম ঝাল হলেও ঝোলকে সেই গাঢ় লাল রঙ দেয় যা ধাবার একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এ ছাড়াও, সেদ্ধ টমেটো পেস্ট যোগ করলে ঝোলটি ঘন ও সমৃদ্ধ হয়, যা প্রায়শই বাড়িতে বানানো তরকারিতে পাওয়া যায় না। সবশেষে, গ্রেভিতে কাসুরি মেথির ফোড়ন ও সামান্য জল দিয়ে ডিমগুলো সেদ্ধ করে নেওয়া হয়। মাত্র ৫-১০ মিনিটের চেষ্টাতেই আপনার গরম, ধাবা-স্টাইলের ডিমের কারি তৈরি।