
তীব্র গরমে কার্যত ফুটছে কলকাতা-সহ রাজ্যের বেশিরভাগ জেলা। এই পরিস্থিতিতে অনেকেই অনেক ধরনের শারীরিক অসুস্থতা দেখা যাচ্ছে। হচ্ছে জ্বর, পেট খারাপের মতো সমস্যা। তাই শরীরকে ঠান্ডা রাখতে এবং সুস্থ থাকতে বেশকিছু বিষয় মাথায় রাখা প্রয়োজন। এই প্রতিবেদনে সেই বিষয়গুলি নিয়েই আলোচনা করা হবে।
গরম মোকাবিলায় অনুকূল কাপড় পরুন
সুতির তৈরি হালকা রঙের, ঢিলেঢালা পোশাক শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করতে পারে। তাই গাঢ় রঙের বা মোটা কাপড় পরা এড়িয়ে চলুন। কারণ এগুলো শরীরে তাপ আটকে রাখে। ফলে চলাফেরায় অস্বস্তি হয়।
নিজেকে হাইড্রেটেড রাখুন
শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে প্রচুর জল এবং তরল পদার্থ পান করা প্রয়োজন। ডিহাইড্রেশন রোধ করতে বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ গ্লাস জল পান করার পরামর্শ দেন। তবে চিনিযুক্ত এবং অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় পান করা এড়িয়ে চলুন। কারণ সেগুলি ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
কড়া রোদে বাইরে থাকবেন না
দিনের উষ্ণতম সময় সাধারণত দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে হয়। এই সময়ের মধ্যে বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলুন। বিশেষ করে যদি আপনি তাপ-সম্পর্কিত অসুস্থতার ঝুঁকিতে থাকেন। বাইরে যেতে হলে টুপি পরুন এবং রোদ থেকে রক্ষা পেতে ছাতা ব্যবহার করুন।
গ্রীষ্মকালীন ফ্লু এবং সংক্রমণ থেকে দূরে থাকুন
তাপপ্রবাহের সময় ক্লান্তি এবং হিটস্ট্রোক হতেই পারে। এই লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা এবং ক্লান্তি। তাই যদি এই উপসর্গগুলির মধ্যে কোন একটি অনুভব করেন তবে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
এসি এবং পাখা ব্যবহার করুন
বাড়িতে এয়ার কন্ডিশনার বা ফ্যান থাকলে, ঘর ঠান্ডা রাখতে সেগুলি ব্যবহার করুন। আর যদি এগুলি না থাকে, তাহলে একটি ভেজা তোয়ালে ব্যবহার করুন বা আপনার শরীরের তাপমাত্রা কমাতে ঠান্ডা জলে স্নান করুন।
সানস্ক্রিন এবং সানগ্লাস
সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে নিজের চোখকে বাঁচাতে করতে, কমপক্ষে SPF ৩০ যুক্ত সানস্ক্রিন লাগান এবং সানগ্লাস পরুন। পাশাপাশি রোদে বেরোলে অবশ্যই ছাতা ও টুপি ব্যবহার করুন। এর মধ্যে হ্যাট পরলে বেশি উপকার পাবেন।