Advertisement

Hair Fall Remedies: অঝোরে চুল ঝরছে? নারকেল তেলের সঙ্গে মেশান গাছের এই অংশ, গোড়া থেকে শক্ত হবে

Hair Care: অতীতে চুলের যত্নে পুরোপুরি ভরসা রাখা হত প্রাকৃতিক উপাদানের ওপর। আয়ুর্বেদেও চুলের স্বাস্থ্য ফেরাতে বটগাছের ছাল বা ঝুড়ির ব্যবহারের কথা উল্লেখ রয়েছে। নিয়মিত নারকেল তেলের সঙ্গে এটি মিশিয়ে ব্যবহার করলে চুল গোড়া থেকে মজবুত হয় এবং চুল ঝরা অনেকটাই কমে।

প্রতীকী ছবি প্রতীকী ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 21 Jul 2026,
  • अपडेटेड 6:54 PM IST

আজকের ব্যস্ত জীবনযাত্রা, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত মানসিক চাপ আর বাতাসের দূষণ— এই সব কিছুর প্রভাব সবচেয়ে আগে গিয়ে পড়ে মাথার চুলে। অসময়ে চুল পাতলা হয়ে যাওয়া, ডগা ফেটে যাওয়া কিংবা থোকায় থোকায় চুল ঝরে পড়ার সমস্যায় কম-বেশি সকলেই জেরবার। পরিস্থিতি সামাল দিতে অনেকেই বাজার চলতি নানারকম দামি শ্যাম্পু, সিরাম বা কেমিক্যাল ট্রিটমেন্টের শরণাপন্ন হন। তবে ক্ষণিকের আরাম মিললেও অনেক সময় রাসায়নিকের ব্যবহারে চুলের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি হয়ে যায়।

অতীতে চুলের যত্নে পুরোপুরি ভরসা রাখা হত প্রাকৃতিক উপাদানের ওপর। আয়ুর্বেদেও চুলের স্বাস্থ্য ফেরাতে বটগাছের ছাল বা ঝুড়ির ব্যবহারের কথা উল্লেখ রয়েছে। নিয়মিত নারকেল তেলের সঙ্গে এটি মিশিয়ে ব্যবহার করলে চুল গোড়া থেকে মজবুত হয় এবং চুল ঝরা অনেকটাই কমে।

কী কী উপাদান লাগবে?

বটের শুকনো ছাল বা ঝুড়ি (জটা): পরিমাণ মতো

বিশুদ্ধ নারকেল তেল: ২০০ থেকে ২৫০ মিলিলিটার

তেল তৈরির প্রণালী

১. প্রথমে বটের ছাল বা ঝুড়ি পরিষ্কার জলে ভালো করে ধুয়ে নিন, যাতে ধুলোবালি সম্পূর্ণ ধুয়ে যায়।

২. ধোয়ার পর কড়া রোদে এটি খুব ভাল করে শুকিয়ে নিতে হবে। খেয়াল রাখবেন, এতে যেন বিন্দুমাত্র আর্দ্রতা না থাকে। কাঁচা ভাব থাকলে তেল দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

৩. শুকনো ছাল বা ঝুড়ি ছোট ছোট টুকরো করে ভেঙে নিন বা হামানদিস্তায় হালকা ছেঁচে নিন।

৪. এবার একটি ভারী তলার পাত্রে নারকেল তেল ঢেলে তাতে ওই টুকরোগুলো দিয়ে দিন।

৫. হালকা আঁচে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট ফুটতে দিন। যখন দেখবেন ছালের রং সামান্য বদলে গিয়েছে এবং তার নির্জাস তেলে মিশে গেছে, তখন আঁচ বন্ধ করে দিন।

৬. তেল পুরোপুরি ঠাণ্ডা হয়ে গেলে একটি সুতির কাপড় বা ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে পরিষ্কার, শুকনো কাচের শিশিতে ভরে রাখুন।

Advertisement

কীভাবে ব্যবহার করবেন?

সপ্তাহে অন্তত ১ থেকে ২ দিন এই তেল সামান্য ঈষদুষ্ণ করে মাথার ত্বক (স্ক্যাল্প) ও চুলের গোড়ায় হালকা হাতে মাসাজ করুন। অন্তত ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা মাথায় রেখে দিন (চাইলে সারা রাতও রাখা যেতে পারে)। এরপর কোনো মাইল্ড বা সলফেট-মুক্ত শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

কেন এই তেল এত উপকারী?

নারকেল তেল মাথার ত্বকে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা জোগায়, চুলকে নরম করে এবং ভেঙে যাওয়া রোধ করে। অন্যদিকে, বটগাছের ছাল বা ঝুড়িতে থাকা প্রাকৃতিক গুণাবলী স্ক্যাল্পকে সুস্থ রাখে ও চুলের ফলিকেলগুলোতে পুষ্টি জোগায়। ফলে চুল গোড়া থেকে মজবুত হয় এবং নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে।

জরুরি সতর্কতা:

প্রাকৃতিক উপাদান হলেও সবার ত্বক একরকম হয় না। তাই প্রথমবার ব্যবহারের আগে হাতে বা কানের পেছনে 'প্যাচ টেস্ট' করে নেওয়া জরুরি। স্ক্যাল্পে কোনো ঘা, অ্যালার্জি বা সংক্রমণ থাকলে এটি ব্যবহার করবেন না। তেল মাখার পর চুলকানি বা লালচে ভাব দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে মাথা ধুয়ে ফেলুন এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement