Advertisement

Homemade Herbal Facepack: পঞ্চাশের কোঠায় তিরিশের জেল্লা? হেঁশেলের এই উপাদানেই ফিরবে ত্বকের হারানো যৌবন

Skincare: বয়স ৩০ পেরনোর পর থেকেই চোখের কোণে ছোট ছোট ভাঁজ, ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা কমে যাওয়া, কিংবা রোদে পোড়া কালচে দাগ— এসব যেন নিত্যসঙ্গী।

প্রতীকী ছবি প্রতীকী ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 01 Jul 2026,
  • अपडेटेड 2:17 PM IST

রোদ, ধুলোবালি আর দূষণ— রোজকার এই দৌড়-ঝাঁপে আমাদের ত্বকের বারোটা বাজতে সময় লাগে না। বয়স ৩০ পেরনোর পর থেকেই চোখের কোণে ছোট ছোট ভাঁজ, ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা কমে যাওয়া, কিংবা রোদে পোড়া কালচে দাগ— এসব যেন নিত্যসঙ্গী। পার্লারে গিয়ে হাজার হাজার টাকা খরচ করেও যে জেল্লাটুকু মেলে, তা ক’দিন স্থায়ী হয়? অথচ আমাদের রান্নাঘরের কোণেই এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে, যা ব্যবহার করলে পঞ্চাশের কোঠায় দাঁড়িয়েও আপনি পাবেন তিরিশের মতো টানটান আর উজ্জ্বল ত্বক।

কেমিক্যালযুক্ত প্রসাধনী দূরে সরিয়ে আজই ভরসা রাখুন আয়ুর্বেদিক গুণে। ঘরে বসে মাত্র কয়েক মিনিটে তৈরি করে ফেলুন এই জাদুকরী ‘হারবাল ফেস মাস্ক’। সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, একবার বানিয়ে রাখলে নিশ্চিন্তে টানা কয়েক সপ্তাহ ব্যবহার করা যায়।

যা যা প্রয়োজন:

আপনার হাতের কাছে থাকা এই শুকনো উপকরণগুলোই হবে আপনার রূপচর্চার আসল সঙ্গী:

গোলাপের পাপড়ির গুঁড়ো (১ চামচ)

কমলার খোসার গুঁড়ো (১ চামচ)

চালের গুঁড়ো (৫ চামচ— ত্বকের উজ্জ্বলতা ফেরাতে এর জুড়ি মেলা ভার)

মসুর ডালের গুঁড়ো (২ চামচ)

বেসন (২ চামচ— ত্বকের অতিরিক্ত তেল শুষে নিতে সাহায্য করে)

চন্দন গুঁড়ো (১ চামচ)

মঞ্জিষ্ঠা পাউডার (অর্ধেক চামচ— যা ত্বকের কালচে দাগ দূর করতে সাহায্য করে)

তৈরির পদ্ধতি:

একটি পরিষ্কার শুকনো কাঁচের পাত্রে এই সমস্ত শুকনো উপকরণগুলো ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার এটি একটি এয়ারটাইট কৌটোয় ভরে রেখে দিন। ব্যস, আপনার হার্বাল ফেস মাস্ক তৈরি!

কীভাবে ব্যবহার করবেন?

সপ্তাহে অন্তত এক বা দু'বার এই মাস্ক ব্যবহার করলেই তফাতটা চোখে পড়বে। ব্যবহারের আগে ১-২ চামচ মিশ্রণ একটি ছোট বাটিতে নিন। তাতে মেশান পরিমাণ মতো গোলাপ জল। খুব বেশি ঘন করবেন না, আবার খুব পাতলাও যেন না হয়।

শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে: যাদের ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক, তারা এর সঙ্গে কয়েক ফোঁটা ‘কুমকুমাদি তৈলম’ মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে ত্বক নরম থাকে এবং বাড়তি পুষ্টি পায়।

Advertisement

নিয়ম: এই পেস্টটি সারা মুখে এবং গলায় ভালো করে লাগিয়ে নিন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। একদম শুকিয়ে যাওয়ার আগেই, আঙুলের ডগায় সামান্য জল নিয়ে হালকা হাতে ম্যাসাজ করতে করতে ধুয়ে ফেলুন।

রূপচর্চার পর জরুরি কিছু টিপস:

মুখ ধোয়ার পর ত্বক যেন টানটান না হয়ে যায়, তাই সাথে সাথে ভালো কোনো ময়েশ্চারাইজার বা জাফরান ও চন্দনযুক্ত কোনো হাইড্রেটিং ক্রিম লাগিয়ে নিন। এটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখবে এবং সারাদিন আপনাকে রাখবে সতেজ।

একটু সাবধানতা:

প্রাকৃতিক মানেই যে তা সবার ত্বকে খাপ খেয়ে যাবে, এমনটা নয়। যদি আপনার ত্বক খুব বেশি স্পর্শকাতর (sensitive) হয়, তবে পুরো মুখে লাগানোর আগে কানের পেছনে বা হাতের তালুর কোনো এক জায়গায় একবার ‘প্যাচ টেস্ট’ করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে তা এড়িয়ে চলাই ভালো।

তাহলে আর দেরি কেন? কেমিক্যাল আর খরচের চিন্তা ঝেড়ে ফেলে আজই শুরু করুন এই ন্যাচারাল রূপচর্চা। আয়নার সামনে দাঁড়ালে নিজেই চমকে উঠবেন— তিরিশের সেই পুরনো জেল্লা ফিরছে ঠিকই!


 

Read more!
Advertisement
Advertisement