
সকালের ব্রেকফাস্টে একটু যদি অন্যরকমের কিছু খাওয়া যায় তাহলে মন্দ হয় না। অনেকেই কচুরি, লুচি, পরোটা ব্রেকফাস্টে খেয়ে থাকেন। যদিও এগুলো একেবারেই শরীরের জন্য ভাল নয়। তবে বাঙালি তো, ভাল-মন্দ খাওয়া না হলে, মনটা আনচান করে। মিষ্টির দোকানের হিংয়ের কচুরি খেতে অনেকেই ভালোবাসেন। সেই জন্য সকালে অনেকেই ভিড় জমান শহরের একাধিক দোকানে। তবে এই হিংয়ের কচুরি বাড়িতেই বানিয়ে নিতে পারেন সহজে। রইল রেসিপি।
উপকরণ
ময়দা ২ কাপ
বিউলির ডাল ১০০ গ্রাম (৪-৫ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে)
হিং ১ চা চামচ
মৌরি গুঁড়ো ১ চা চামচ
কাঁচা লঙ্কা কুচি
সাদা তেল ময়ানের জন্য ৪ টেবিল চামচ ও ভাজার জন্য প্রয়োজন মতো
নুন ও চিনি: স্বাদমতো
কালো জিরে বা জোয়ান সামান্য।
প্রণালী
ময়দায় নুন, চিনি, সামান্য কালো জিরে/জোয়ান এবং ৩-৪ টেবিল চামচ সাদা তেল মেশান। ভালো করে মিশিয়ে 'ময়ান' দিন। ময়দা মুঠো করলে যদি দলা পাকিয়ে যায়, তবে বুঝবেন ময়ান ঠিক হয়েছে। এবার অল্প অল্প ইষদুষ্ণ জল দিয়ে একটি নরম ও মসৃণ ডো তৈরি করুন। আধঘণ্টা ঢেকে রাখুন।
পুর তৈরি
ভিজিয়ে রাখা বিউলির ডাল জল ঝরিয়ে আদা ও কাঁচা লঙ্কা দিয়ে মিহি করে বেটে নিন। কড়াইতে তেল গরম করে তাতে হিং ফোড়ন দিন। ডাল বাটা দিয়ে তাতে নুন, চিনি ও মৌরি গুঁড়ো দিয়ে মাঝারি আঁচে ভালো করে কষান যতক্ষণ না ডাল শুকিয়ে কড়াই থেকে উঠে আসছে। পুর ঠান্ডা হতে দিন।
কচুরি গড়া ও ভাজা
ময়দা থেকে লেচি কেটে নিন। লেচিগুলোর মাঝখানে বাটির মতো করে ডালের পুর ভরে মুখ ভালো করে বন্ধ করুন। হালকা হাতে কচুরিগুলো বেলে নিন, খুব পাতলা করবেন না। কড়াইতে সাদা তেল গরম করে আঁচ কমিয়ে দিন। কচুরিগুলো ডুবো তেলে দিয়ে হালকা সোনালী করে ভাজুন। আঁচ মাঝারি রাখবেন, খুব বেশি হলে ওপরটা পুড়ে যাবে কিন্তু খাস্তা হবে না।
টিপস (দোকানের মতো স্বাদের জন্য)
ময়ানে তেল কম হলে কচুরি খাস্তা হবে না।
পুর কষানোর সময় ভালো মানের হিং ব্যবহার করুন, এটিই কচুরির প্রধান সুগন্ধ।
অবশ্যই কম আঁচে ভাজবেন, এতে কচুরি খাস্তা হবে এবং ফুলবে।
গরম হিংয়ের কচুরি আলুর দম (কাঁচা লঙ্কা ও হিং ফোড়ন দেওয়া) এর সাথে দারুণ লাগে।