
কুমড়ো দেখলেই নাক সিঁটকান নাকি! তবে এই পদটি একেবারেই আপনার জন্য। নিরামিষ দিনে এইভাবে কুমড়ো রেঁধে খেলে আঙুল চাটবেন। আচারি কুমড়ো সেরকমই এক খাবার। কেবল ঝাল নয়, একই খাবারে টক ও মিষ্টির স্বাদও পাবেন। এই নিরামিষ পদ গরম ভাত বা রুটি— সবকিছুর সঙ্গেই মানানসই। রইল আচারি কুমড়োর রেসিপি।
উপকরণ
৫০০ কুমড়ো
২-৩ টেবিলচামচ সর্ষের তেল
এক মুঠো চিনেবাদাম
২টি তেজপাতা
আধ চা-চামচ পাঁচফোড়ন
১টি শুকনো লঙ্কা
দেড় চামচ আদা-রসুনবাঁটা
এক চিমটে হিং
আধ চা-চামচ হলুদগুঁড়ো
আধ চা-চামচ লঙ্কাগুঁড়ো
১ চা-চামচ কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো
১ চা-চামচ ধনেগুঁড়ো
আধ চা-চামচ জিরেগুঁড়ো
১ টেবিল চামচ কসৌরি মেথি
মাঝারি আকারের টম্যাটো
১ চামচ আমচুর গুঁড়ো
আধ চা চামচ গুড় বা চিনি
স্বাদমতো নুন
প্রণালী
খোসাসমেত কুমড়ো ডুমো ডুমো করে কেটে নিন। চাইলে খোসা ছাড়িয়েও রান্নাটা করা যায়। তার পর দুয়ে নিয়ে জল ঝরিয়ে রেখে দিন।
এ বার একটি কড়াইয়ে তেল গরম করতে দিন। তেলে চিনেবাদাম ভেজে তুলে রাখুন। চাইলে বাদাম না-ও দিতে পারেন। বাদাম তুলে রেখে তেলে তেজপাতা, শুকনোলঙ্কা ও পাঁচফোড়ন দিয়ে দিন। খানিক ভাজা ভাজা হয়ে এলে তাতে আদা-রসুনবাঁটা দিয়ে এবং হিং দিয়ে নাড়াচাড়া করতে থাকুন।
এ বার আঁচ বন্ধ করে দিন, যাতে মশলা পুড়ে না যায়। সেই অবস্থায় তাতে হলুদগুঁড়ো, লঙ্কাগুঁড়ো, কাশ্মীরি লাললঙ্কার গুঁড়ো, জিরেগুঁড়ো এবং ধনেগুঁড়ো মিশিয়ে দিন। এতে অল্প গরম জল মিশিয়ে গ্যাস জ্বালিয়ে দিন। এ বার ভাল করে নেড়েচেড়ে মশলা কষাতে থাকুন খানিক ক্ষণ। এর মাঝেই কসৌরি মেথি মেশাতে হবে।
মেথি মেশানোর পর আরও ২-৩ মিনিট মশলা কষিয়ে নিন। তার পরে কড়াইয়ে ঢেলে দিন কেটে রাখা কুমড়ো। সঙ্গে দিন স্বাদমতো নুন। খানিক ক্ষণ নাড়াচাড়া করার পরে আঁচ কমিয়ে ঢাকা দিয়ে দিন। মিনিট দুয়েক অন্তর ঢাকনা খুলে নেড়ে নিতে হবে, যাতে মশলা বা কুমড়ো পুড়ে না যায়। ৭-৮ মিনিট পরে তাতে টম্যাটো মিশিয়ে দিন। শেষে ঢেলে দিন চিনেবাদাম।
নাড়াচাড়া করে মিনিট চারেক রান্না করে নিন। শেষে অল্প গুড় বা চিনিও মিশিয়ে নিতে পারেন। তবে রান্না নামানোর আগে আমচুর মেশাতে হবে কুমড়োর সঙ্গে। মশলা যেন সমস্ত রান্নার সমান ভাবে মেশে, সে দিকে খেয়াল রেখে নাড়াচাড়া করতে হবে। প্রস্তুত আপনার আচারি কুমড়ো।