
বিকেলে চায়ের সঙ্গে একটু টা না হলে কি আর মন ভাল লাগে? বাঙালির বরাবরই ভাজাভুজি প্রিয়। সন্ধেতে একটু চপ, কাটলেট, আলুর চপ, পেঁয়াজি বা ভেজিটেবল চপ না হলে ঠিক জমে না! অস্বাস্থ্যকর হলেও এক-আধদিন খাওয়া যেতেই পারে। তবে এবার একঘেঁয়ে আলুর চপ বা পেঁয়াজি না বানিয়ে এবার বানিয়ে নিন জিভে জলা আনা মোচার চপ। উপকরণ লাগে সামান্য, বানানোও খুব সহজ। রইল রেসিপি–
উপকরণ
মোচা ১টি (সেদ্ধ করে কুচি করা)
আলু ২টি (সেদ্ধ করা)
পেঁয়াজকুচি ১টি
আদা-রসুনবাটা ১ চা-চামচ
কাঁচালঙ্কা কুচি ২-৩টি,
হলুদ গুঁড়ো আধ চা-চামচ
লাল লঙ্কার গুঁড়ো আধ চা-চামচ
গরম মশলা আধ চা-চামচ
জিরে গুঁড়ো আধ চা-চামচ
ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ
নুন স্বাদমতো
চিনি সামান্য
লেবুর রস ১ চা-চামচ
কোটিংয়ের জন্য– বেসন বা ময়দা আধ কাপ, ব্রেডক্রাম ১ কাপ, নুন ও সামান্য লঙ্কাগুঁড়ো, জল ও ভাজার জন্য তেল।
পদ্ধতি
শুরুতেই মোচার ভিতর থেকে মোটা শক্ত কাঠিগুলো ফেলে দিন। এবার ছোট ছোট করে কেটে নুন-হলুদ দিয়ে সেদ্ধ করে ভালভাবে জল ঝরিয়ে
কড়াইতে অল্প তেল গরম করে পেঁয়াজ ভাজুন। আদা-রসুনবাটা দিয়ে নাড়ুন। এবার মোচা, হলুদ, লঙ্কা, জিরে আর গরম মশলা দিয়ে ভালো করে কষান। সেদ্ধ আলু চটকে মিশিয়ে দিন। শেষে ধনেপাতা, লেবুর রস আর চিনি দিয়ে নামিয়ে নিন। মিশ্রণটি ঠান্ডা হলে ছোট ছোট চপের আকারে গড়ে নিন।
চপের কোটিং করতে বেসন বা ময়দা দিয়ে পাতলা ব্যাটার বানান। প্রতিটি চপ ব্যাটারে ডুবিয়ে ব্রেডক্রামে গড়িয়ে নিন। কড়াইতে তেল গরম করে মাঝারি আঁচে চপগুলো সোনালী হওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন।
বেসনে একটু একটু করে জল দিয়ে ব্যাটার তৈরি করুন। খুব বেশি ঘন বা খুব বেশি পাতলা করবেন না। ব্যাটার তৈরির পর এক ঘণ্টা ঢাকা দিয়ে রেখে দিন। তেল ভালভাবে গরম করে মাঝারি আঁচে ডুবো তেলে মোচার চপ ভাজতে হবে।
টমেটো সস বা কাসুন্দি আর স্যালাডের সঙ্গে পরিবেশন করুন মোচার চপ।