
অসহ্য গরম ও রোদের তেজে এসি ছাড়া ঘরে বা অফিসে থাকা দায় হয়ে গিয়েছে। এই সময় যাতে ঘরের কোণায় কোণায় ঠান্ডা পৌঁছায়, সকলে সেটাই চেষ্টা করে থাকেন। অধিকাংশ বাড়িতে এয়ার কন্ডিশন থাকলেও অনেকেই প্রচুর ইলেকট্রিক বিলের কারণে এসির বদলে এয়ার কুলার ব্যবহার করেন। এয়ার কুলার গরম দূর করলেও, গরম বেড়ে গেলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এয়ার কুলার থেকে গরম হাওয়া বের হয়। তবে এখন এটা নিয়ে ভাবনা চিন্তা করার একেবারে দরকার নেই। সস্তায় এমন কিছু টিপস এখানে দেওয়া হল, যার প্রয়োগে এয়ার কুলার থেকে শুধু ঠান্ডা হাওয়াই বের হবে। এই ট্রিকসে আপনি কুলারকে সুপার কুলার বানাতে পারবেন।
সস্তার ট্রিকস
যদি ক্রমবর্ধমান গরমে আপনার কুলারটি ঠিকমতো কাজ করা বন্ধ করে দেয়, তবে এর ঠান্ডা বাড়ানোর জন্য আপনি আপনার বাড়ির নুন এবং বরফ ব্যবহার করতে পারেন। এই ঘরোয়া কৌশলটি কেবল সাশ্রয়ীই নয়, এটি খুব কার্যকরও। যখন আপনি কুলারের জলে বরফ যোগ করে সামান্য নুন দেন, তখন বরফ বেশিক্ষণ ঠান্ডা থাকে এবং সহজে গলে যায় না। এটি জলের তাপমাত্রা দ্রুত বাড়তে বাধা দেয়। ফলস্বরূপ, কুলার থেকে আসা বাতাস আরও শীতল অনুভূত হয়।
কীভাবে করবেন
কুলারের জলে প্রথমে বরফ দিন এবং এতে রান্নাঘরের সাধারণ নুন যোগ করুন। আপনি যদি চান কুলারটি সর্বোচ্চ শীতলতা প্রদান করুক, তবে এই কৌশলের জন্য সঠিক বায়ুচলাচল অপরিহার্য। একটি বন্ধ ঘরে কুলার ঠিকমতো কাজ করে না, তাই বায়ু চলাচলের জন্য একটি জানালা বা দরজা সামান্য খোলা রাখুন। অথবা, কুলারটি জানালার কাছে রাখুন এবং আড়াআড়ি বায়ুচলাচল বজায় রাখুন। এটি শীতল বাতাসকে সারা ঘরে সঞ্চালিত হতে থাকে এবং গরম বাতাস বের করে দিতে সাহায্য করে।
খসখসের ব্যবহার
গরমে কুলারের শীতলতা বাড়ানোর জন্য আপনি খসখসের মাদুরের ব্যবহার করতে পারেন। এটি হাওয়াকে ঠান্ডা রাখে আর সঙ্গে হালকা সুগন্ধও দেয়। এতে ঘরের পরিবেশ ঠান্ডা হয়। খসখসের ব্যবহার আপনাকে এই গরমেও ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখবে এবং আরামদায়ক অনুভূতি দেবে।