
জামাইষষ্ঠী আর রবিবার দুটোই ভীষণভাবে বিশেষ। গরম ধোঁওয়া ওঠা ভাতের সঙ্গে মাটন হল বাঙালির ইমোশন। যতই ডায়াবিটিস আর কোলেস্টেরলের চোখরাঙানি থাক না কেন, ভোর হতে না হতেই পাড়ার মোড়ে খাসির দোকানে পড়ে লম্বা লাইন। যে যতই পকেটে দামের ছ্যাঁকা লাগুক না কেন। কেউ ভালবাসেন খাসির পাতলা ঝোল আবার কারোর পছন্দ মটন কষা। আর সঙ্গে উপরি পাওনা মাংসের আলু। বিরিয়ানি আর মাংসের আলুর প্রতি দুর্বলতা প্রায় সকলেরই আছে। কিন্তু মনের মত লাল-ঝাল কষা মাংস অনেকেই ঠিকমতো বানাতে পারেন না। সামনেই জামাইষষ্ঠী আর সেই উপলক্ষ্যে বানিয়ে ফেলুন মাটন কষা। জামাই বাবাজি হাত চাটবে।
উপকরণ
মাটন ১ কেজি, আদা-রসুন বাটা, পেঁপে বাটা, বড় এলাচ, জায়ফল, জয়িত্রী, শাহী গোলমরিচ, গোলমরিচ, ছোট এলাচ, লবঙ্গ, ধনে ও জিরে গুঁড়ো, পেঁয়াজ বাটা, ঘি, শুকনো গুঁড়ো মশলা।
পদ্ধতি
আদা, রসুন থেঁতো করে বেটে নিন। পেঁপে গ্রেট করে বেটে নিতে হবে। এবার বড় এলাচ, জায়ফল, জয়িত্রী, শাহী গোলমরিচ, এলাচ, লবঙ্গ, গেলমরিচ আর সামান্য দারচিনি নিয়ে একসঙ্গে বেটে নিন। এবার ৫০০ মাটন ভাল করে ধুয়ে নিয়ে ওর মধ্যে ১০০ গ্রাম টকদই, পেঁপে বাটা, স্বাদমতো নুন, আদা বাটা, রসুন বাটা, সর্ষের তেল দিয়ে একঘন্টা ম্যারিনেট করে ফ্রিজে রাখুন। এবার কড়াইতে তেল দিয়ে আলু ভেজে নিন। ওই তেলেই প্রথমে পেঁয়াজ বাটা, আদা-রসুনের পেস্ট, টমেটো পিউরি, লঙ্কা গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো দিয়ে ভাল করে কষিয়ে নিন। শিলে মশলা বাটার পর যে জল থাকে তা ফেলে না দিয়ে ওই শিলধোয়া জল মিশিয়ে দিন কষার সময়। মশলা কষা হলে মটান মিশিয়ে দিন। এবার কিছুক্ষণ ঢেকে রাখতে হবে। কষা হয়ে এলে আলু দিন। এবার এক কাপ চায়ের লিকার মিশিয়ে দিন। মাংস কষা হয়ে এলে নামানোর ঠিক আগে এক চামচ ঘি দিন। সঙ্গে ছড়িয়ে দিন তৈরি করে রাখা গুঁড়ো মশলা। পুরো রান্না হতে সময় লাগবে ৪৫ মিনিট। এবার ভাতের থালা সাজিয়ে জামাইয়ের সামনে সাজিয়ে দিন মাটন কষা।